পিরোজপুরের ৭৭২ আশ্রয়কেন্দ্রে ২ লাখ ৮০ হাজার মানুষ
jugantor
পিরোজপুরের ৭৭২ আশ্রয়কেন্দ্রে ২ লাখ ৮০ হাজার মানুষ

  পিরোজপুর প্রতিনিধি  

২০ মে ২০২০, ১৮:১০:৪২  |  অনলাইন সংস্করণ

পিরোজপুরে রাত থেকেই আম্পানের প্রভাবে থেমে থেমে দমকা বাতাস ও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হলেও বুধবার সকাল থেকে বাতাসের গতি ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। জেলার ৭৭২টি আশ্রয়কেন্দ্রে বিকাল ৪টা পর্যন্ত অন্তত ২ লাখ ৮০ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছে বলে জেলা কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে।

ইতিমধ্যে এসব কেন্দ্রের রোজাদারদের জন্য ইফতার ও সেহরির জন্য নিরাপদ পানি ও শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া, সামাজিক দূরত্ব, মাস্ক বিতরণ ও মোমবাতির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসন জেলার ৭টি উপজেলার দুর্যোগ ব্যবস্থা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছেন। জেলা ও ৭টি উপজেলায় মোট ৮টি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শহরের বিদ্যুৎ বন্ধ রয়েছে।

জেলা প্রশাসক আবু আলী সাজ্জাদ হোসেন বুধবার দুপুরে সংবাদ কর্মীদের নিয়ে কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, সুপার সাইক্লোন ‘আম্পান’ নিয়ে সর্বশেষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। আশ্রয়কেন্দ্রে মানুষজনকে রাত পর্যন্ত নিয়ে আসার জন্য পরিবহন ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক আরও জানান, উপজেলা পর্যায় ৫১টি মেডিকেল টিমকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রশাসনের হাতে পর্যাপ্ত শুকনো খাদ্য ও নগদ অর্থ মজুদ রয়েছে। একই সঙ্গে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলার জন্য রেডক্রিসেন্ট, সিপিবিসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ বিভিন্ন দফতরকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

পিরোজপুরের সর্ব দক্ষিণের সাগর সংলগ্ন মঠবাড়িয়া উপজেলায় আম্পানের প্রভাবে বলেশ্বর নদীর অন্তত ১৫০ ফুট বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে প্রায় ১০০ হেক্টর জমির সবজি ও অন্যান্য ফসল ভেসে গেছে। বুধবার দুপুরে এ খবর নিশ্চিত করেছেন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা।

উপকূলীয় পিরোজপুর জেলায়ও ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় রয়েছে। অমাবস্যার কারণে জেলার নদ-নদীর পানি স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪-৫ ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে।

পিরোজপুরের ৭৭২ আশ্রয়কেন্দ্রে ২ লাখ ৮০ হাজার মানুষ

 পিরোজপুর প্রতিনিধি 
২০ মে ২০২০, ০৬:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পিরোজপুরে রাত থেকেই আম্পানের প্রভাবে থেমে থেমে দমকা বাতাস ও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হলেও বুধবার সকাল থেকে বাতাসের গতি ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। জেলার ৭৭২টি আশ্রয়কেন্দ্রে বিকাল ৪টা পর্যন্ত অন্তত ২ লাখ ৮০ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছে বলে জেলা কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে।

ইতিমধ্যে এসব কেন্দ্রের রোজাদারদের জন্য ইফতার ও সেহরির জন্য নিরাপদ পানি ও শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া, সামাজিক দূরত্ব, মাস্ক বিতরণ ও মোমবাতির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসন জেলার ৭টি উপজেলার দুর্যোগ ব্যবস্থা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছেন। জেলা ও ৭টি উপজেলায় মোট ৮টি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শহরের বিদ্যুৎ বন্ধ রয়েছে।

জেলা প্রশাসক আবু আলী সাজ্জাদ হোসেন বুধবার দুপুরে সংবাদ কর্মীদের নিয়ে কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, সুপার সাইক্লোন ‘আম্পান’ নিয়ে সর্বশেষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। আশ্রয়কেন্দ্রে মানুষজনকে রাত পর্যন্ত নিয়ে আসার জন্য পরিবহন ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক আরও জানান, উপজেলা পর্যায় ৫১টি মেডিকেল টিমকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রশাসনের হাতে পর্যাপ্ত শুকনো খাদ্য ও নগদ অর্থ মজুদ রয়েছে। একই সঙ্গে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলার জন্য রেডক্রিসেন্ট, সিপিবিসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ বিভিন্ন দফতরকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

পিরোজপুরের সর্ব দক্ষিণের সাগর সংলগ্ন মঠবাড়িয়া উপজেলায় আম্পানের প্রভাবে বলেশ্বর নদীর অন্তত ১৫০ ফুট বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে প্রায় ১০০ হেক্টর জমির সবজি ও অন্যান্য ফসল ভেসে গেছে। বুধবার দুপুরে এ খবর নিশ্চিত করেছেন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা।

উপকূলীয় পিরোজপুর জেলায়ও ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় রয়েছে। অমাবস্যার কারণে জেলার নদ-নদীর পানি স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪-৫ ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন