আম্পানের তাণ্ডবে পানিবন্দি ঝালকাঠির ৫০ গ্রামের মানুষ
jugantor
আম্পানের তাণ্ডবে পানিবন্দি ঝালকাঠির ৫০ গ্রামের মানুষ

  ঝালকাঠি প্রতিনিধি  

২১ মে ২০২০, ২২:১৪:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনা দুর্যোগের মধ্যেই ঝালকাঠিতে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে মানুষ। সুগন্ধা ও বিষখালী নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার চার উপজেলায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ৫০ গ্রামের বাসিন্দারা।

পানিতে তলিয়ে গেছে ফসলের মাঠ ও মাছের ঘের। টানা বৃষ্টি ও প্রচণ্ড বাতাসে অসংখ্য গাছপালা উপড়ে পড়েছে। এতে বিভিন্ন স্থানের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। তার ছিঁড়ে জেলার সবকটি উপজেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে।

এতে মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যায়। ঝড়ে শহরের পুরনো স্টেডিয়াম ও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় মাঠের অস্থায়ী বাজার বিধ্বস্ত হয়েছে। এ ছাড়া জেলার কাঁঠালিয়া উপজেলায় বেড়িবাঁধ ভেঙে ফসলের ক্ষেত ও বসতঘর তলিয়ে গেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, রাতে স্বাভাবিকের চেয়ে চার-পাঁচ ফুট পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পাঁচ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নলছিটির সরই গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত আলতাফ হাওলাদার বলেন, রাতে আমরা পরিবারের লোকজন শবে কদরের নামাজ পড়ছিলাম, এরই মধ্যে প্রচণ্ড বাতাসে ঘর মটমট করে ভাঙার শব্দ শুনতে পাই। মুহূর্তের মধ্যে স্ত্রী ও দুই মেয়কে নিয়ে বাইরে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘরটি ভেঙে যায়। আমি গরিব মানুষ খুবই অসহায় হয়ে পড়েছি।

এ দিকে ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কারণে দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পরে সকাল থেকে আশ্রয়কেন্দ্র থেকে মানুষ ঘরে ফিরতে শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করতে পড়েনি প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ। তবে মাঠপর্যায়ে তাদের প্রতিনিধিরা কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আম্পানের তাণ্ডবে পানিবন্দি ঝালকাঠির ৫০ গ্রামের মানুষ

 ঝালকাঠি প্রতিনিধি 
২১ মে ২০২০, ১০:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনা দুর্যোগের মধ্যেই ঝালকাঠিতে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে মানুষ। সুগন্ধা ও বিষখালী নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার চার উপজেলায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ৫০ গ্রামের বাসিন্দারা।

পানিতে তলিয়ে গেছে ফসলের মাঠ ও মাছের ঘের। টানা বৃষ্টি ও প্রচণ্ড বাতাসে অসংখ্য গাছপালা উপড়ে পড়েছে। এতে বিভিন্ন স্থানের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। তার ছিঁড়ে জেলার সবকটি উপজেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে।

এতে মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যায়। ঝড়ে শহরের পুরনো স্টেডিয়াম ও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় মাঠের অস্থায়ী বাজার বিধ্বস্ত হয়েছে। এ ছাড়া জেলার কাঁঠালিয়া উপজেলায় বেড়িবাঁধ ভেঙে ফসলের ক্ষেত ও বসতঘর তলিয়ে গেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, রাতে স্বাভাবিকের চেয়ে চার-পাঁচ ফুট পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পাঁচ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নলছিটির সরই গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত আলতাফ হাওলাদার বলেন, রাতে আমরা পরিবারের লোকজন শবে কদরের নামাজ পড়ছিলাম, এরই মধ্যে প্রচণ্ড বাতাসে ঘর মটমট করে ভাঙার শব্দ শুনতে পাই। মুহূর্তের মধ্যে স্ত্রী ও দুই মেয়কে নিয়ে বাইরে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘরটি ভেঙে যায়। আমি গরিব মানুষ খুবই অসহায় হয়ে পড়েছি।

এ দিকে ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কারণে দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পরে সকাল থেকে আশ্রয়কেন্দ্র থেকে মানুষ ঘরে ফিরতে শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করতে পড়েনি প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ। তবে মাঠপর্যায়ে তাদের প্রতিনিধিরা কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন