ঘূর্ণিঝড় আম্পান: বানারীপাড়ায় ২৩৭৬টি ঘরবাড়িসহ ব্যাপক ক্ষতি
jugantor
ঘূর্ণিঝড় আম্পান: বানারীপাড়ায় ২৩৭৬টি ঘরবাড়িসহ ব্যাপক ক্ষতি

  বানারীপাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি  

২২ মে ২০২০, ২২:১১:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

বরিশালের বানারীপাড়ায় ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ২ হাজার ৩৭৬টি ঘরবাড়ির ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি জলোচ্ছ্বাসে ৪০০ পুকুর ও ঘের ডুবে কয়েক কোটি টাকার মাছ ভেসে গেছে।

জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় আম্পানে বানারীপাড়ায় সর্ব শেষ ক্ষয়-ক্ষতির হিসাব অনুযায়ী, একটি পৌরসভাসহ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের মোট ৭৯২টি কাঁচা ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত ও ১ হাজার ৫৮৪টি ঘরবাড়ির আংশিক ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. মহসিন হোসেন যুগান্তরকে জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্পানের জলোচ্ছ্বাসে ৪০০ পুকুর ও ঘের ডুবে কয়েক কোটি টাকার মাছ ভেসে যাওয়ার পাশাপাশি বোরো ধানসহ ১৫৮ হেক্টর জমির ফসল ও ২৪০ হেক্টর জমির সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। একইভাবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার গাছপালা ভেঙ্গে যাওয়ার পাশাপাশি কলা ও মৌসুমী ফল আম, লটকন এবং আমড়ার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। 

এ ছাড়াও ঘূর্ণিঝড় আম্পানের জলোচ্ছ্বাসে সন্ধ্যা নদীর পানি ৪ থেকে ৫ ফুট বৃদ্ধি পেয়ে বন্দর বাজারের অর্ধশতাধিক গুদামে পানি ডুকে সিমেন্ট ও মুদি দোকানীদের লাখ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। 

বুধবার সন্ধ্যা ৬টার পর ঘূর্ণিঝড় আম্পান আঘাত হানে। এটি থেমে থেকে রাত সোয়া ১০টা পর্যন্ত একটানা চলতে থাকে। এর পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মাঝে মধ্যে ধমকা হওয়া ও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি পড়তে থাকে।

এ দিকে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ অনুযায়ী বন্যা দুর্গতদের পাশে থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন বানারীপাড়া পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুভাষ চন্দ্র শীল। তিনি বৃহস্পতিবার সকালে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনের সময় এ ঘোষণা দেন। 

অপরদিকে বুধবার দুপুরে বানারীপাড়া সদর ইউনিয়নের গাভা ও সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের খেজুরবাড়ি আবাসনের শতাধিক পরিবারকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পার্শ্ববর্তী সাইক্লোন শেল্টারে সরিয়ে নেয়া হয়। ঝড় থেমে যাওয়ার পর সকালে তারা নিজ বাড়িতে ফিরে যান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ আবদুল্লাহ সাদীদ যুগান্তরকে জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্পান মোকাবেলায় জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে জরুরি ভিত্তিতে নগদ ২০ হাজার টাকা ২০ মেট্রিক টন ত্রাণের চাল বরাদ্দ পাওয়া গেছে।

ঘূর্ণিঝড় আম্পান: বানারীপাড়ায় ২৩৭৬টি ঘরবাড়িসহ ব্যাপক ক্ষতি

 বানারীপাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি 
২২ মে ২০২০, ১০:১১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বরিশালের বানারীপাড়ায় ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ২ হাজার ৩৭৬টি ঘরবাড়ির ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি জলোচ্ছ্বাসে ৪০০ পুকুর ও ঘের ডুবে কয়েক কোটি টাকার মাছ ভেসে গেছে।

জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় আম্পানে বানারীপাড়ায় সর্ব শেষ ক্ষয়-ক্ষতির হিসাব অনুযায়ী, একটি পৌরসভাসহ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের মোট ৭৯২টি কাঁচা ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত ও ১ হাজার ৫৮৪টি ঘরবাড়ির আংশিক ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. মহসিন হোসেন যুগান্তরকে জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্পানের জলোচ্ছ্বাসে ৪০০ পুকুর ও ঘের ডুবে কয়েক কোটি টাকার মাছ ভেসে যাওয়ার পাশাপাশি বোরো ধানসহ ১৫৮ হেক্টর জমির ফসল ও ২৪০ হেক্টর জমির সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। একইভাবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার গাছপালা ভেঙ্গে যাওয়ার পাশাপাশি কলা ও মৌসুমী ফল আম, লটকন এবং আমড়ার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

এ ছাড়াও ঘূর্ণিঝড় আম্পানের জলোচ্ছ্বাসে সন্ধ্যা নদীর পানি ৪ থেকে ৫ ফুট বৃদ্ধি পেয়ে বন্দর বাজারের অর্ধশতাধিক গুদামে পানি ডুকে সিমেন্ট ও মুদি দোকানীদের লাখ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যা ৬টার পর ঘূর্ণিঝড় আম্পান আঘাত হানে। এটি থেমে থেকে রাত সোয়া ১০টা পর্যন্ত একটানা চলতে থাকে। এর পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মাঝে মধ্যে ধমকা হওয়া ও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি পড়তে থাকে।

এ দিকে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ অনুযায়ী বন্যা দুর্গতদের পাশে থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন বানারীপাড়া পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুভাষ চন্দ্র শীল। তিনি বৃহস্পতিবার সকালে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনের সময় এ ঘোষণা দেন।

অপরদিকে বুধবার দুপুরে বানারীপাড়া সদর ইউনিয়নের গাভা ও সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের খেজুরবাড়ি আবাসনের শতাধিক পরিবারকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পার্শ্ববর্তী সাইক্লোন শেল্টারে সরিয়ে নেয়া হয়। ঝড় থেমে যাওয়ার পর সকালে তারা নিজ বাড়িতে ফিরে যান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ আবদুল্লাহ সাদীদ যুগান্তরকে জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্পান মোকাবেলায় জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে জরুরি ভিত্তিতে নগদ ২০ হাজার টাকা ২০ মেট্রিক টন ত্রাণের চাল বরাদ্দ পাওয়া গেছে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ঘূর্ণিঝড় আম্পান

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন