নাটোরে তুচ্ছ ঘটনায় গুলি-ভাংচুর, চেয়ারম্যান আটক
jugantor
নাটোরে তুচ্ছ ঘটনায় গুলি-ভাংচুর, চেয়ারম্যান আটক

  গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি  

২৬ মে ২০২০, ২২:৫৭:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

নাটোরের গুরুদাসপুরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মতিন গ্রুপ ও স্থানীয় যুবলীগ নেতা বজলুর রশীদ গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

এ সময় মতিন গ্রুপের সদস্যদের বিরুদ্ধে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ ও বাড়ি ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ধারাবারিষা ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মতিনকে (৫০০) আটক করেছে ডিবি পুলিশ। আর তার সমর্থক আবদুল মতিনকে (৩৫) আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের ঝাউপাড়া বিন্নাবাড়ি গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে। বর্তমানে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
 
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঝাউপাড়া গ্রামের বীজ ব্যবসায়ী ও ইউনিয়ন যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. বজলুর রশীদ সোমবার ৩০০ হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেন। এ নিয়ে চেয়ারম্যান সমর্থকরা ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন।
গুরুদাসপুর থানা পুলিশ বাড়িঘর ভাংচুরের ও চেয়ারম্যানের সমর্থককে আটকের খবর নিশ্চিত করলেও গুলি ছোঁড়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছে। তবে ঘটনাস্থলে একটি গুলির খোসা পড়ে থাকতে দেখা দেখা গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন থানা পুলিশ।

প্রতিপক্ষ বজলুর রশীদ অভিযোগ করেন, চেয়ারম্যানের সঙ্গে কোনো বিরোধ নেই তার। শুধুমাত্র গরিবদের ঈদ সামগ্রী বিতরণ করায় চেয়ারম্যান তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এ থেকে তার বাড়িতে হামলা ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান আবদুল মতিনের বড়ভাই সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ দাবি করেন, তার ভাই ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য ঝাউপাড়া গ্রামে পৌঁছালে বজলুর রশীদের সমর্থকরা তার ভাইকে গালমন্দসহ হেনস্থা করেন। পরে তার সমর্থকরা চেয়ারম্যানকে আনার জন্য ঝাউপাড়া গ্রামে যান। তবে গুলি ছোঁড়ার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি তিনি।

গুরুদাসপুর থানার ওসি মোজাহরুল ইসলাম বলেন, ঝাউপাড়া গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করার পর পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তবে চেয়ারম্যান আবদুল মতিনকে আটক করা হয়নি। তার সহযোগী আবদুল মতিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে। গুলি, বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে চাননি।

অপরদিকে নাটোর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি মোহাম্মদ আনারুল ইসলাম বলেন, চেয়ারম্যান আবদুল মতিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গোয়েন্দা পুলিশের হেফাজতে নেয়া হয়েছে। গুলি ছোঁড়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নাটোরে তুচ্ছ ঘটনায় গুলি-ভাংচুর, চেয়ারম্যান আটক

 গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি 
২৬ মে ২০২০, ১০:৫৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নাটোরের গুরুদাসপুরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মতিন গ্রুপ ও স্থানীয় যুবলীগ নেতা বজলুর রশীদ গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

এ সময় মতিন গ্রুপের সদস্যদের বিরুদ্ধে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ ও বাড়ি ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ধারাবারিষা ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মতিনকে (৫০০) আটক করেছে ডিবি পুলিশ। আর তার সমর্থক আবদুল মতিনকে (৩৫) আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের ঝাউপাড়া বিন্নাবাড়ি গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে। বর্তমানে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঝাউপাড়া গ্রামের বীজ ব্যবসায়ী ও ইউনিয়ন যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. বজলুর রশীদ সোমবার ৩০০ হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেন। এ নিয়ে চেয়ারম্যান সমর্থকরা ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন।
গুরুদাসপুর থানা পুলিশ বাড়িঘর ভাংচুরের ও চেয়ারম্যানের সমর্থককে আটকের খবর নিশ্চিত করলেও গুলি ছোঁড়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছে। তবে ঘটনাস্থলে একটি গুলির খোসা পড়ে থাকতে দেখা দেখা গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন থানা পুলিশ।

প্রতিপক্ষ বজলুর রশীদ অভিযোগ করেন, চেয়ারম্যানের সঙ্গে কোনো বিরোধ নেই তার। শুধুমাত্র গরিবদের ঈদ সামগ্রী বিতরণ করায় চেয়ারম্যান তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এ থেকে তার বাড়িতে হামলা ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান আবদুল মতিনের বড়ভাই সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ দাবি করেন, তার ভাই ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য ঝাউপাড়া গ্রামে পৌঁছালে বজলুর রশীদের সমর্থকরা তার ভাইকে গালমন্দসহ হেনস্থা করেন। পরে তার সমর্থকরা চেয়ারম্যানকে আনার জন্য ঝাউপাড়া গ্রামে যান। তবে গুলি ছোঁড়ার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি তিনি।

গুরুদাসপুর থানার ওসি মোজাহরুল ইসলাম বলেন, ঝাউপাড়া গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করার পর পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তবে চেয়ারম্যান আবদুল মতিনকে আটক করা হয়নি। তার সহযোগী আবদুল মতিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে। গুলি, বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে চাননি।

অপরদিকে নাটোর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি মোহাম্মদ আনারুল ইসলাম বলেন, চেয়ারম্যান আবদুল মতিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গোয়েন্দা পুলিশের হেফাজতে নেয়া হয়েছে। গুলি ছোঁড়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।