খালিয়াজুরীতে ধনু নদীর ভাঙনে নিঃস্ব ৫৫ পরিবার
jugantor
খালিয়াজুরীতে ধনু নদীর ভাঙনে নিঃস্ব ৫৫ পরিবার

  নেত্রকোনা প্রতিনিধি  

২৬ মে ২০২০, ২৩:০৫:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের পাচহাট এলাকার চরপাড়া গ্রামে ৫৫টি পরিবারের ঘরবাড়ি বিলীন হয়ে গেছে খরস্রোতা ধনু নদীর ভাঙ্গনে।

খালিয়াজুড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার এএইচএম আরিফুল ইসলাম মঙ্গলবার বিকালে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামটি পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে গ্রামের লোকজনের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে করে প্রতিবেশী এবং আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে থাকার ব্যবস্থা করে দেন।

ক্ষতিগ্রস্ত ওই গ্রামের কামরুজ্জামান, আবদুল হেকিম, ফারুক, রুকন উদ্দিন ও দুলাল মিয়া জানান, হাওরের চারদিকে পানি। কোথাও শুকনো উঁচু জায়গা নাই। স্ত্রী সন্তান নিয়ে কোথায় উঠবো। কোথায় থাকবো জানি না।মাথা গোঁজার ঠাঁই না পেলে হাওরের পানিতে ভাসতে হবে। সরকার দ্রুত তাদের বাসস্থানের ব্যবস্থা করারও দাবি জানান।

এদিকে নদী ভাঙন কবলিত পরিবারগুলিকে উপজেলা প্রশাসন কাছাকাছি উঁচু স্থানে বুধবারের মধ্যে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মঈনউল ইসলাম।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এএইচএম আরিফুল ইসলাম জানান, বুধবার সহকারী কমিশনারসহ (ভূমি) সার্ভেয়ার এবং তহশিলদারের উপস্থিতিতে খাসজমি চিহ্নিত করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ভূমির ব্যবস্থা করা হবে। একইসঙ্গে উপজেলা প্রশাসন থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য নিরাপদ স্থানে গুচ্ছগ্রামের প্রস্তাব পাঠানো হবে হলেও জানান তিনি।

খালিয়াজুরীতে ধনু নদীর ভাঙনে নিঃস্ব ৫৫ পরিবার

 নেত্রকোনা প্রতিনিধি 
২৬ মে ২০২০, ১১:০৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের পাচহাট এলাকার চরপাড়া গ্রামে ৫৫টি পরিবারের ঘরবাড়ি বিলীন হয়ে গেছে খরস্রোতা ধনু নদীর ভাঙ্গনে। 
 
খালিয়াজুড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার এএইচএম আরিফুল ইসলাম মঙ্গলবার বিকালে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামটি পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে গ্রামের লোকজনের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে করে প্রতিবেশী এবং আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে থাকার ব্যবস্থা করে দেন।
 
ক্ষতিগ্রস্ত ওই গ্রামের কামরুজ্জামান, আবদুল হেকিম, ফারুক, রুকন উদ্দিন ও দুলাল মিয়া জানান, হাওরের চারদিকে পানি। কোথাও শুকনো উঁচু জায়গা নাই। স্ত্রী সন্তান নিয়ে কোথায় উঠবো। কোথায় থাকবো জানি না।মাথা গোঁজার ঠাঁই না পেলে হাওরের পানিতে ভাসতে হবে। সরকার দ্রুত তাদের বাসস্থানের ব্যবস্থা করারও দাবি জানান।

এদিকে নদী ভাঙন কবলিত পরিবারগুলিকে উপজেলা প্রশাসন কাছাকাছি উঁচু স্থানে বুধবারের মধ্যে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মঈনউল ইসলাম।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এএইচএম আরিফুল ইসলাম জানান, বুধবার সহকারী কমিশনারসহ (ভূমি) সার্ভেয়ার এবং তহশিলদারের উপস্থিতিতে খাসজমি চিহ্নিত করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ভূমির ব্যবস্থা করা হবে। একইসঙ্গে উপজেলা প্রশাসন থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য নিরাপদ স্থানে গুচ্ছগ্রামের প্রস্তাব পাঠানো হবে হলেও জানান তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন