বগুড়ায় ওয়ার্ড যুবলীগ সম্পাদককে কুপিয়ে হত্যা
jugantor
বগুড়ায় ওয়ার্ড যুবলীগ সম্পাদককে কুপিয়ে হত্যা

  বগুড়া ব্যুরো  

২৬ মে ২০২০, ২৩:২১:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

ফিরোজ মিয়া

বগুড়া পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মিয়াকে (৩০) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার দুই সঙ্গী এমরান হোসেন ও মশিউর রহমান আহত হয়েছেন। তাদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকালে শহরের জহুরুলনগর ব্যাংকপাড়ার একটি ছাত্রাবাসে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ফিরোজ মিয়া শহরের চকসুত্রাপুর এলাকার ফজলার রহমানের ছেলে। তিনি বগুড়া শহর যুবলীগের ৪নং ওয়ার্ড শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

পুলিশ বলছে, পূর্ব বিরোধের জের ধরে ওই এলাকার প্রতিপক্ষ আলাল ও দুলালের নেতৃত্বে এ হামলা হয়। এ নিয়ে ঈদের দিন, আগের দিন ও পরের দিন তিনটি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হল।

মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে শহরের জহুরুলনগর ব্যাংকপাড়ার মাহী ছাত্রাবাসে ফিরোজ, এমরান ও মশিউরসহ চারজন তাস খেলছিলেন। এ সময় একদল দুর্বৃত্ত ভিতরে ঢুকে ফিরোজসহ তিনজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ফেলে যায়। স্থানীয়রা রক্তাক্ত ফিরোজ, এমরান ও মশিউরকে উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করেন। কিছুক্ষণ পর ফিরোজ মারা যান।

বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সনাতন চক্রবর্তী ও অন্যরা জানান, গত ২০১৮ সালের ৭ সেপ্টেম্বর রাতে জন্মদিন সেলিব্রেট করতে চকসুত্রাপুর এলাকায় মাদক কিনতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে খুন হন চকফরিদ এলাকার শাকিল আহমেদ ওরফে বি-ক্লাস শাকিল। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী যুবলীগ নেতা ফিরোজ মিয়াকে প্রধান আসামি করে হত্যা মামলা করেন। গ্রেফতার হওয়ার পর ফিরোজ জামিনে ছাড়া পান। তার বিরুদ্ধে এ হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

বগুড়ায় ওয়ার্ড যুবলীগ সম্পাদককে কুপিয়ে হত্যা

 বগুড়া ব্যুরো 
২৬ মে ২০২০, ১১:২১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ফিরোজ মিয়া
ফিরোজ মিয়া

বগুড়া পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মিয়াকে (৩০) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার দুই সঙ্গী এমরান হোসেন ও মশিউর রহমান আহত হয়েছেন। তাদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকালে শহরের জহুরুলনগর ব্যাংকপাড়ার একটি ছাত্রাবাসে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ফিরোজ মিয়া শহরের চকসুত্রাপুর এলাকার ফজলার রহমানের ছেলে। তিনি বগুড়া শহর যুবলীগের ৪নং ওয়ার্ড শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

পুলিশ বলছে, পূর্ব বিরোধের জের ধরে ওই এলাকার প্রতিপক্ষ আলাল ও দুলালের নেতৃত্বে এ হামলা হয়। এ নিয়ে ঈদের দিন, আগের দিন ও পরের দিন তিনটি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হল।

মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে শহরের জহুরুলনগর ব্যাংকপাড়ার মাহী ছাত্রাবাসে ফিরোজ, এমরান ও মশিউরসহ চারজন তাস খেলছিলেন। এ সময় একদল দুর্বৃত্ত ভিতরে ঢুকে ফিরোজসহ তিনজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ফেলে যায়। স্থানীয়রা রক্তাক্ত ফিরোজ, এমরান ও মশিউরকে উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করেন। কিছুক্ষণ পর ফিরোজ মারা যান।

বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সনাতন চক্রবর্তী ও অন্যরা জানান, গত ২০১৮ সালের ৭ সেপ্টেম্বর রাতে জন্মদিন সেলিব্রেট করতে চকসুত্রাপুর এলাকায় মাদক কিনতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে খুন হন চকফরিদ এলাকার শাকিল আহমেদ ওরফে বি-ক্লাস শাকিল। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী যুবলীগ নেতা ফিরোজ মিয়াকে প্রধান আসামি করে হত্যা মামলা করেন। গ্রেফতার হওয়ার পর ফিরোজ জামিনে ছাড়া পান। তার বিরুদ্ধে এ হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন