শিকলবন্দী ছেলে ছাড়া পেয়েই খুন করলো বাবাকে
jugantor
শিকলবন্দী ছেলে ছাড়া পেয়েই খুন করলো বাবাকে

  মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি  

২৭ মে ২০২০, ২৩:০২:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের মনিরামপুরে শিকলবন্দী ছেলে ছাড়া পেয়েই শাবল দিয়ে আঘাত করে বাবাকে হত্যা করেছে।

বুধবার ৩টার দিকে উপজেলার আটঘরা গ্রামে মানসিক রোগী শিকলবন্দী ছেলে ইদ্রীস আলী (২২) ছাড়া পেয়ে শাবল দিয়ে পিতা সাহিল উদ্দীনের (৫৫) মাথায় আঘাত করে। হাসপাতালে নেয়ার পথে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে মনিরামপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় ছেলে ইদ্রীস আলীকে আটক করেছে পুলিশ।

নিহতের ছোট ছেলে আবুল হোসেন জানান, তার তিন ভাইয়ের মধ্যে মেঝ ভাই ইদ্রীস আলী মানসিক রোগী। ইদ্রীস আলী পাবনা মানসিক হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. সালমিন হাসানের কাছে দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার পাগলামির জন্য প্রায়ই তাকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। মাঝে মাঝে ভাল আচরণ করলে তার শিকল খুলে দেয়া হয়।

তিনি জানান, একটু ভাল হওয়ায় শিকল খুলে দেয়ার পরদিন ইদ্রীস বাবার মাথায় শাবল দিয়ে আঘাত করে। রক্তাক্ত অবস্থায় বাবাকে কেশবপুর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নেয়ার পথে তার বাবার মৃত্যু হয়।

মনিরামপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সিকদার মতিয়ার রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়। একইসঙ্গে ছেলে ইদ্রীস আলীকেও আটক করা হয়েছে।

শিকলবন্দী ছেলে ছাড়া পেয়েই খুন করলো বাবাকে

 মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি 
২৭ মে ২০২০, ১১:০২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের মনিরামপুরে শিকলবন্দী ছেলে ছাড়া পেয়েই শাবল দিয়ে আঘাত করে বাবাকে হত্যা করেছে।

বুধবার ৩টার দিকে উপজেলার আটঘরা গ্রামে মানসিক রোগী শিকলবন্দী ছেলে ইদ্রীস আলী (২২) ছাড়া পেয়ে শাবল দিয়ে পিতা সাহিল উদ্দীনের (৫৫) মাথায় আঘাত করে। হাসপাতালে নেয়ার পথে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে মনিরামপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় ছেলে ইদ্রীস আলীকে আটক করেছে পুলিশ।

নিহতের ছোট ছেলে আবুল হোসেন জানান, তার তিন ভাইয়ের মধ্যে মেঝ ভাই ইদ্রীস আলী মানসিক রোগী। ইদ্রীস আলী পাবনা মানসিক হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. সালমিন হাসানের কাছে দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার পাগলামির জন্য প্রায়ই তাকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। মাঝে মাঝে ভাল আচরণ করলে তার শিকল খুলে দেয়া হয়।

তিনি জানান, একটু ভাল হওয়ায় শিকল খুলে দেয়ার পরদিন ইদ্রীস বাবার মাথায় শাবল দিয়ে আঘাত করে। রক্তাক্ত অবস্থায় বাবাকে কেশবপুর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নেয়ার পথে তার বাবার মৃত্যু হয়।

মনিরামপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সিকদার মতিয়ার রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়। একইসঙ্গে ছেলে ইদ্রীস আলীকেও আটক করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন