রায়পুরে আম পাড়া নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ১০
jugantor
রায়পুরে আম পাড়া নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ১০

  রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি  

২৮ মে ২০২০, ১৫:৫১:০৬  |  অনলাইন সংস্করণ

সংঘর্ষে আহত নারীরা

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে আম পাড়া কেন্দ্র করে দুপক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নারীসহ ১০ জন মারাত্মকভাবে জখম হয়েছে।

আহতদের মধ্যে তিন নারীসহ সাতজনকে রায়পুর ও বাকিদের সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার বিকালে উপজেলার চরআবাবিল ইউপির উদমারা গ্রামের মাঝিবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

গ্রামবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বড় ভাই বাহারের সঙ্গে সম্পর্ক অবনতি হওয়ায় উদমারা গ্রামের ইসমাইল হোসেন প্রায় এক বছর ধরে তার পরিবার নিয়ে শশুরবাড়িতে বসবাস করছেন।

তার সম্পত্তির অংশের বাগানের বিভিন্ন ফল (আম, লিচু, কাঁঠাল, মণ্ডল ও নারিকেলসহ অন্যান্য ফল) যেন নষ্ট না হয় সে জন্য এলাকার ফিরোজ নামে এক ব্যক্তির কাছে এক বছরের জন্য লিজ দেয় ইসমাইল।

ফিরোজ তার লিজে নেয়া বাগানের ফল পাড়তে গেলে ইসমাইলের বড় ভাই বাহার মাঝির নেতৃত্বে তার পরিবার হামলার চেষ্টা করে।

ওই ঘটনায় থানায় দুটি জিডিও করে ফিরোজ।

রায়পুরের হায়দরগঞ্জ ফাঁড়ি থানায় ওসির নেতৃত্বে উভয়পক্ষকে মিলিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু বাড়ি গিয়ে ফের সহিংস রূপ ধারণ করেন বাহার মাঝি।

বুধবার বিকালে ফিরোজসহ তার পরিবার লিজ নেয়া ওই বাগান থেকে আম পাড়তে গেলে বাহার, তার ভাই বিল্লাল মাঝি, স্ত্রী হেলেনা ও মেয়ে শিউলি আক্তার ফের বাধা দেন।

এতে উভয়পক্ষে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র (দা, ছেনি ও টেঁটা) নিয়ে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে নারীসহ ১০ জন আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের সাতজনকে উদ্ধার করে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন।

হাসপাতালে ভর্তি আহতরা হলেন– ফিরোজ আলম, ফারুখ হোসেন, সুরুভি আক্তার, মরিয়ম, বিল্লাল, বাহার ও হেলেনা বেগমসহ ১০ জন।

রায়পুর সরকারি হাসপাতালের কর্তব্যরত ডা. তাহমিনা বিনতে হুমায়ুন জানান, আহতরা মাথা, হাত-পা ও পিঠে জখম হয়েছেন। বিল্লাল, বাহার ও হেলেনার জখম গুরুতর হওয়ায় তাদের সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চরআবাবিল ইউপির ৪নং ওয়ার্ড মেম্বার শাহ আলম হাওলাদার বলেন, বাহার ও বিল্লাল মাঝির পরিবার উচ্ছৃঙ্খল। তারা সালিশবৈঠক মানেন না। আজকের এ ঘটনায় তারাই অপরাধী। এই কঠিন বিচার হতে হবে।

রায়পুর থানার ওসি তোতা মিয়া জানান, একপক্ষ থানায় মামলার প্রস্ততি নিয়েছেন। ঘটনা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রায়পুরে আম পাড়া নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ১০

 রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি 
২৮ মে ২০২০, ০৩:৫১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সংঘর্ষে আহত নারীরা
সংঘর্ষে আহত নারীরা। ছবি: যুগান্তর

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে আম পাড়া কেন্দ্র করে দুপক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নারীসহ ১০ জন মারাত্মকভাবে জখম হয়েছে।

আহতদের মধ্যে তিন নারীসহ সাতজনকে রায়পুর ও বাকিদের সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার বিকালে উপজেলার চরআবাবিল ইউপির উদমারা গ্রামের মাঝিবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

গ্রামবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বড় ভাই বাহারের সঙ্গে সম্পর্ক অবনতি হওয়ায় উদমারা গ্রামের ইসমাইল হোসেন প্রায় এক বছর ধরে তার পরিবার নিয়ে শশুরবাড়িতে বসবাস করছেন।

তার সম্পত্তির অংশের বাগানের বিভিন্ন ফল (আম, লিচু, কাঁঠাল, মণ্ডল ও নারিকেলসহ অন্যান্য ফল) যেন নষ্ট না হয় সে জন্য এলাকার ফিরোজ নামে এক ব্যক্তির কাছে এক বছরের জন্য লিজ দেয় ইসমাইল।

ফিরোজ তার লিজে নেয়া বাগানের ফল পাড়তে গেলে ইসমাইলের বড় ভাই বাহার মাঝির নেতৃত্বে তার পরিবার হামলার চেষ্টা করে।

ওই ঘটনায় থানায় দুটি জিডিও করে ফিরোজ।

রায়পুরের হায়দরগঞ্জ ফাঁড়ি থানায় ওসির নেতৃত্বে উভয়পক্ষকে মিলিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু বাড়ি গিয়ে ফের সহিংস রূপ ধারণ করেন বাহার মাঝি।

বুধবার বিকালে ফিরোজসহ তার পরিবার লিজ নেয়া ওই বাগান থেকে আম পাড়তে গেলে বাহার, তার ভাই বিল্লাল মাঝি, স্ত্রী হেলেনা ও মেয়ে শিউলি আক্তার ফের বাধা দেন।

এতে উভয়পক্ষে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র (দা, ছেনি ও টেঁটা) নিয়ে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে নারীসহ ১০ জন আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের সাতজনকে উদ্ধার করে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন।

হাসপাতালে ভর্তি আহতরা হলেন– ফিরোজ আলম, ফারুখ হোসেন, সুরুভি আক্তার, মরিয়ম, বিল্লাল, বাহার ও হেলেনা বেগমসহ ১০ জন।

রায়পুর সরকারি হাসপাতালের কর্তব্যরত ডা. তাহমিনা বিনতে হুমায়ুন জানান, আহতরা মাথা, হাত-পা ও পিঠে জখম হয়েছেন। বিল্লাল, বাহার ও হেলেনার জখম গুরুতর হওয়ায় তাদের সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চরআবাবিল ইউপির ৪নং ওয়ার্ড মেম্বার শাহ আলম হাওলাদার বলেন, বাহার ও বিল্লাল মাঝির পরিবার উচ্ছৃঙ্খল। তারা সালিশবৈঠক মানেন না। আজকের এ ঘটনায় তারাই অপরাধী। এই কঠিন বিচার হতে হবে।

রায়পুর থানার ওসি তোতা মিয়া জানান, একপক্ষ থানায় মামলার প্রস্ততি নিয়েছেন। ঘটনা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন