কুমিল্লায় সেপটিক ট্যাঙ্কে প্রবাসীর বস্তাবন্দি লাশ
jugantor
কুমিল্লায় সেপটিক ট্যাঙ্কে প্রবাসীর বস্তাবন্দি লাশ

  কুমিল্লা ব্যুরো  

৩১ মে ২০২০, ২৩:০৬:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লায় সেপটিক ট্যাঙ্কি থেকে জিয়াউল হক (৩০) নামে এক প্রবাসীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার গভীর রাতে জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার আদ্রা উত্তর ইউনিয়নের দক্ষিণ শাকতলী গ্রামের একটি ট্যাঙ্কি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত প্রবাসী জিয়াউল হক ওই গ্রামের হুময়ুন কবির মুন্সির ছেলে। রোববার দুপুরে নিহতের বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ মুর্শেদা আক্তার নামে আরেক প্রবাসীর স্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে। মোর্শেদা (২৫) নিহতের চাচা বাছির মিয়ার স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, দক্ষিণ শাকতলী গ্রামের প্রবাস ফেরত জিয়াউল হকের সঙ্গে তারই চাচি মুর্শেদা বেগমের পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে উঠে। ইতিপূর্বে তার স্বামী বাছির মিয়া দেশে চলে আসলেও জিয়াউল হক তাকে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করতে থাকে। এতে গত বুধবার রাতে চাচা এবং চাচি মিলে জিয়াউল হককে কৌশলে ডেকে এনে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ সেপটিক ট্যাঙ্কিতে ফেলে দেয়। পরিবারের লোকজন তাকে খুঁজে না পেয়ে নাঙ্গলকোট থানায় সাধারণ ডায়েরি করে।

এ ঘটনায় সন্দেহভাজন চাচিকে আটকের পর তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জিয়াউল হকের লাশ উদ্ধার করে। কিন্তু বাহরাইন প্রবাসী চাচা বাছির মিয়া পালিয়ে যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোর্শেদা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পুলিশ আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে প্রেরণ করেছে।

নাঙ্গলকোট থানার ওসি বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ঘাতক মোর্শেদার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতেই তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পরকীয়া জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

কুমিল্লায় সেপটিক ট্যাঙ্কে প্রবাসীর বস্তাবন্দি লাশ

 কুমিল্লা ব্যুরো 
৩১ মে ২০২০, ১১:০৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লায় সেপটিক ট্যাঙ্কি থেকে জিয়াউল হক (৩০) নামে এক প্রবাসীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার গভীর রাতে জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার আদ্রা উত্তর ইউনিয়নের দক্ষিণ শাকতলী গ্রামের একটি ট্যাঙ্কি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত প্রবাসী জিয়াউল হক ওই গ্রামের হুময়ুন কবির মুন্সির ছেলে। রোববার দুপুরে নিহতের বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ মুর্শেদা আক্তার নামে আরেক প্রবাসীর স্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে। মোর্শেদা (২৫) নিহতের চাচা বাছির মিয়ার স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, দক্ষিণ শাকতলী গ্রামের প্রবাস ফেরত জিয়াউল হকের সঙ্গে তারই চাচি মুর্শেদা বেগমের পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে উঠে। ইতিপূর্বে তার স্বামী বাছির মিয়া দেশে চলে আসলেও জিয়াউল হক তাকে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করতে থাকে। এতে গত বুধবার রাতে চাচা এবং চাচি মিলে জিয়াউল হককে কৌশলে ডেকে এনে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ সেপটিক ট্যাঙ্কিতে ফেলে দেয়। পরিবারের লোকজন তাকে খুঁজে না পেয়ে নাঙ্গলকোট থানায় সাধারণ ডায়েরি করে।

এ ঘটনায় সন্দেহভাজন চাচিকে আটকের পর তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জিয়াউল হকের লাশ উদ্ধার করে। কিন্তু বাহরাইন প্রবাসী চাচা বাছির মিয়া পালিয়ে যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোর্শেদা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পুলিশ আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে প্রেরণ করেছে।

নাঙ্গলকোট থানার ওসি বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ঘাতক মোর্শেদার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতেই তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পরকীয়া জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

 
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন