একজনের কার্ডে অন্যজনের ছবি, তুলছেন সরকারি চাল!
jugantor
একজনের কার্ডে অন্যজনের ছবি, তুলছেন সরকারি চাল!

  ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

০২ জুন ২০২০, ১৫:১৬:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভায় খাদ্য অধিদফতরের বিশেষ ওএমএস কার্ডে হতদরিদ্রদের মধ্যে ১০ টাকা কেজির চাল উত্তোলনের দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পৌরশহরের ৬নং ওয়ার্ডের শিমরাইল গ্রামের মৃত হোসেন আলীর ছেলে গোলাম হোসেনের জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে ১৯৭৫নং কার্ড হয়। কিন্তু ওই ব্যক্তি নিজেই জানেন না তার নামে ১০ টাকা কেজি চালের কার্ড রয়েছে।

এ কার্ড দিয়ে ৭নং ওয়ার্ডের ধামদি গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে জাহাঙ্গীরের ছবি। তিনি নিজেই চাল উত্তোলন করছেন।

এ সম্পর্কে গোলাম হোসেনের সঙ্গে কথা হলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, আমার আইডি কার্ড দিয়ে আমার নামে কার্ড হলো আর আমি নিজেই জানি না। অথচ অন্য ওয়ার্ডের লোকের ছবি দিয়ে আমার নামের কার্ডের চাল তুলছে– আমি এ দুর্নীতিবাজদের বিচার চাই।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পৌর শহরের কাকনহাটির সুরুজ আলীর নামে ২৪১ ও ২১৬৫ নং দুটি কার্ড রয়েছে। একই ব্যক্তি দুই কার্ডে চাল উত্তোলন করছে। খাদ্য অধিদফতরের বিশেষ ওএমএস বিতরণ কার্ডগুলোতে প্রশাসনসহ জনপ্রতিনিধি কারও নেই কোনো সিল স্বাক্ষর।

এ সম্পর্কে পৌরসভার মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস ছাত্তার জানান, দ্রুত সময়ে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে ২৪০০ কার্ডের তালিকা দেয়া হয়েছে। কিন্তু কীভাবে এ ধরনের অনিয়ম হলো এটি তার বোধগম্য নয়। এটি প্রশাসনেই জানে।

এ ব্যাপারে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা এইচএম খামরুল ইসলাম জানান, তড়িঘড়ির মধ্যে এসব কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে তা সংশোধন করা হবে।

একজনের কার্ডে অন্যজনের ছবি, তুলছেন সরকারি চাল!

 ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
০২ জুন ২০২০, ০৩:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভায় খাদ্য অধিদফতরের বিশেষ ওএমএস কার্ডে হতদরিদ্রদের মধ্যে ১০ টাকা কেজির চাল উত্তোলনের দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

মঙ্গলবার খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পৌরশহরের ৬নং ওয়ার্ডের শিমরাইল গ্রামের মৃত হোসেন আলীর ছেলে গোলাম হোসেনের জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে ১৯৭৫নং কার্ড হয়। কিন্তু ওই ব্যক্তি নিজেই জানেন না তার নামে ১০ টাকা কেজি চালের কার্ড রয়েছে। 

এ কার্ড দিয়ে ৭নং ওয়ার্ডের ধামদি গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে জাহাঙ্গীরের ছবি। তিনি নিজেই চাল উত্তোলন করছেন। 

এ সম্পর্কে গোলাম হোসেনের সঙ্গে কথা হলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, আমার আইডি কার্ড দিয়ে আমার নামে কার্ড হলো আর আমি নিজেই জানি না। অথচ অন্য ওয়ার্ডের লোকের ছবি দিয়ে আমার নামের কার্ডের চাল তুলছে– আমি এ দুর্নীতিবাজদের বিচার চাই। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পৌর শহরের কাকনহাটির সুরুজ আলীর নামে ২৪১ ও ২১৬৫ নং দুটি কার্ড রয়েছে। একই ব্যক্তি দুই কার্ডে চাল উত্তোলন করছে। খাদ্য অধিদফতরের বিশেষ ওএমএস বিতরণ কার্ডগুলোতে প্রশাসনসহ জনপ্রতিনিধি কারও নেই কোনো সিল স্বাক্ষর।  

এ সম্পর্কে পৌরসভার মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস ছাত্তার জানান, দ্রুত সময়ে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে ২৪০০ কার্ডের তালিকা দেয়া হয়েছে। কিন্তু কীভাবে এ ধরনের অনিয়ম হলো এটি তার বোধগম্য নয়। এটি প্রশাসনেই জানে। 

এ ব্যাপারে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা এইচএম খামরুল ইসলাম জানান, তড়িঘড়ির মধ্যে এসব কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে তা সংশোধন করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন