কান্নার পরিবর্তে মেধাবী আশার মুখে ফিরল হাসি
jugantor
কান্নার পরিবর্তে মেধাবী আশার মুখে ফিরল হাসি

  চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি  

০২ জুন ২০২০, ২৩:০৪:১৯  |  অনলাইন সংস্করণ

একদিনের ব্যবধানে কান্নার পরিবর্তে মুখে হাসি ফিরল পাবনার চাটমোহর উপজেলার রামপুর গ্রামের সেই মেধাবী ছাত্রী আশা খাতুনের মুখে।

যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশের পর সদ্য এসএসসি পাশ করা আশার পড়াশোনার দায়িত্ব নিল ‘সাইল্যান্ট হ্যান্ডস্ সাপোর্ট সোসাইটি’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

মঙ্গলবার সকালে সংগঠনটির জেনারেল সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি পবিত্র তালুকদারকে সঙ্গে করে আশার বাড়িতে যান। এ সময় পরিবারের সবার মুখে তাদের অসহায়ত্বের কথা শোনেন এবং আশার শিক্ষা জীবনের সার্বিক খরচ সংগঠনের পক্ষ থেকে বহন করার আশ্বাস দেন।

এর আগে সোমবার ‘ভালো ফল করেও কাঁদছে মেধাবী আশা’ এমন শিরোনামে যুগান্তর অনলাইন সংস্করণে একটি সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হয়।

এ সময় আশাদের বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন চড়ইকোল উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী বুলবুল আহমেদ, চাটমোহর সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আবদুল ওয়াহিদ বকুল, ছাত্রলীগ নেতা সাগর হোসেন, শিহাব আকরাম, রাজু আহমেদ, আমিরুল ইসলাম আয়েন প্রমুখ।

সাইল্যান্ট হ্যান্ডস্ সাপোর্ট সোসাইটির জেনারেল সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, দেশের যে কোনো ভালো কলেজে আশাকে ভর্তির ব্যাপারে সহযোগিতা করা হবে। এছাড়া ওর (আশা) থাকা-খাওয়া-মেস ভাড়াসহ পড়াশোনার সার্বিক খরচ সংগঠনের পক্ষ থেকে বহন করা হবে। পড়াশোনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে বলে জানান তিনি।

এদিকে এমন আশ্বাস পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন আশা ও তার বাবা-মা। সবার চোখেই ছিল আনন্দাশ্রু। যুগান্তর পত্রিকা সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে আশা খাতুন বলেন, ‘কল্পনাও করতে পারিনি মাত্র একদিনের ব্যবধানে আমার স্বপ্ন পূরণের বাধা কেটে যাবে। আমি সত্যিই আজ খুব খুশি। জীবনে কোনোদিন এমন আনন্দ পাইনি।’

উল্লেখ্য, পাবনার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের নিভৃতপল্লী রামপুর গ্রামের দিনমজুর আলাউদ্দিন আলী ও গৃহিণী ফরিদা খাতুনের মেয়ে আশা এবার উপজেলার চড়ইকোল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবার গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়ে পাশ করেছে।

কান্নার পরিবর্তে মেধাবী আশার মুখে ফিরল হাসি

 চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি 
০২ জুন ২০২০, ১১:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

একদিনের ব্যবধানে কান্নার পরিবর্তে মুখে হাসি ফিরল পাবনার চাটমোহর উপজেলার রামপুর গ্রামের সেই মেধাবী ছাত্রী আশা খাতুনের মুখে।

যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশের পর সদ্য এসএসসি পাশ করা আশার পড়াশোনার দায়িত্ব নিল ‘সাইল্যান্ট হ্যান্ডস্ সাপোর্ট সোসাইটি’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

মঙ্গলবার সকালে সংগঠনটির জেনারেল সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি পবিত্র তালুকদারকে সঙ্গে করে আশার বাড়িতে যান। এ সময় পরিবারের সবার মুখে তাদের অসহায়ত্বের কথা শোনেন এবং আশার শিক্ষা জীবনের সার্বিক খরচ সংগঠনের পক্ষ থেকে বহন করার আশ্বাস দেন।
 
এর আগে সোমবার ‘ভালো ফল করেও কাঁদছে মেধাবী আশা’ এমন শিরোনামে যুগান্তর অনলাইন সংস্করণে একটি সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হয়।

এ সময় আশাদের বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন চড়ইকোল উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী বুলবুল আহমেদ, চাটমোহর সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আবদুল ওয়াহিদ বকুল, ছাত্রলীগ নেতা সাগর হোসেন, শিহাব আকরাম, রাজু আহমেদ, আমিরুল ইসলাম আয়েন প্রমুখ। 

সাইল্যান্ট হ্যান্ডস্ সাপোর্ট সোসাইটির জেনারেল সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, দেশের যে কোনো ভালো কলেজে আশাকে ভর্তির ব্যাপারে সহযোগিতা করা হবে। এছাড়া ওর (আশা) থাকা-খাওয়া-মেস ভাড়াসহ পড়াশোনার সার্বিক খরচ সংগঠনের পক্ষ থেকে বহন করা হবে। পড়াশোনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে বলে জানান তিনি।

এদিকে এমন আশ্বাস পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন আশা ও তার বাবা-মা। সবার চোখেই ছিল আনন্দাশ্রু। যুগান্তর পত্রিকা সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে আশা খাতুন বলেন, ‘কল্পনাও করতে পারিনি মাত্র একদিনের ব্যবধানে আমার স্বপ্ন পূরণের বাধা কেটে যাবে। আমি সত্যিই আজ খুব খুশি। জীবনে কোনোদিন এমন আনন্দ পাইনি।’ 

উল্লেখ্য, পাবনার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের নিভৃতপল্লী রামপুর গ্রামের দিনমজুর আলাউদ্দিন আলী ও গৃহিণী ফরিদা খাতুনের মেয়ে আশা এবার উপজেলার চড়ইকোল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবার গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়ে পাশ করেছে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : এসএসসি পরীক্ষা-২০২০

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন