পানি বিপদসীমার উপরে, ধলাই নদীর বাঁধ ভেঙ্গে বন্যার শঙ্কা
jugantor
পানি বিপদসীমার উপরে, ধলাই নদীর বাঁধ ভেঙ্গে বন্যার শঙ্কা

  কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি  

০৪ জুন ২০২০, ২০:৩৩:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও গত দু'দিনের টানা বর্ষণে ধলাই নদীর পানি বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

একই সঙ্গে উপজেলার লাঘাটা, ক্ষিরনীসহ সবকটি পাহাড়ি ছড়ার পানিও বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কমলগঞ্জে ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধের ১১টি স্থান ঝূঁকিপূর্ণ থাকায় বাঁধ ভেঙে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার, বুধবার এবং বৃহস্পতিবার গত ৩ দিন ধরে ভারী বর্ষণ ও বৃষ্টিপাত হয়েছে। পাশাপাশি ভারতের উজানে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ায় কমলগঞ্জে বুধবার রাত থেকে ধলাই নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে থাকে। বৃহস্পতিবার ভোর ৬টার দিকে ধলাই নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে।

একই সঙ্গে লাঘাটা, ক্ষিরনীছড়াসহ সবগুলো পাহাড়ি ছড়ার পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যার আশংকা দেখা দিয়েছে।

কমলগঞ্জের ধলাই নদীর ৫৫ কি.মি. এলাকার মধ্যে পৌর এলাকায় ২টি, রহিমপুরে ২টি, আদমপুরে ২টি, ইসলামপুরে ৩টি, মুন্সীবাজারে ২টিসহ ১১টি স্থানের প্রতিরক্ষা বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়। নদীতে আরও পানি বৃদ্ধি পেলে এ সব ঝুঁকিপূর্ণ স্থানের বাঁধ ভেঙে বন্যার আশংকা রয়েছে।

কমলগঞ্জ উপজেলার কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক বলেন, বৃহস্পতিবার ভোর ৬টায় ভানুগাছ রেলওয়ে স্টেশনের অদুরে ধলাই রেল সেতু এলাকায় পানি বিপদ সীমার ২০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। উপজেলা প্রশাসন কমলগঞ্জের নদ-নদী ও পাহাড়ি ছড়ার দিকে সার্বিক নজরদারি রাখছে।

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রনেন্দ্র শঙ্কর চক্রবর্তী বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় ধলাই নদীর পানি বিপদ সীমার ১০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে দুপুর ১২টায় ধলাই নদীর পানি ৪৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়।

পানি বিপদসীমার উপরে, ধলাই নদীর বাঁধ ভেঙ্গে বন্যার শঙ্কা

 কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি 
০৪ জুন ২০২০, ০৮:৩৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও গত দু'দিনের টানা বর্ষণে ধলাই নদীর পানি বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

একই সঙ্গে উপজেলার লাঘাটা, ক্ষিরনীসহ সবকটি পাহাড়ি ছড়ার পানিও বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কমলগঞ্জে ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধের ১১টি স্থান ঝূঁকিপূর্ণ থাকায় বাঁধ ভেঙে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। 

মঙ্গলবার, বুধবার এবং বৃহস্পতিবার গত ৩ দিন ধরে ভারী বর্ষণ ও বৃষ্টিপাত হয়েছে। পাশাপাশি ভারতের উজানে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ায় কমলগঞ্জে বুধবার রাত থেকে ধলাই নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে থাকে। বৃহস্পতিবার ভোর ৬টার দিকে ধলাই নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে।

একই সঙ্গে লাঘাটা, ক্ষিরনীছড়াসহ সবগুলো পাহাড়ি ছড়ার পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যার আশংকা দেখা দিয়েছে। 

কমলগঞ্জের ধলাই নদীর ৫৫ কি.মি. এলাকার মধ্যে পৌর এলাকায় ২টি, রহিমপুরে ২টি, আদমপুরে ২টি, ইসলামপুরে ৩টি, মুন্সীবাজারে ২টিসহ ১১টি স্থানের প্রতিরক্ষা বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়। নদীতে আরও পানি বৃদ্ধি পেলে এ সব ঝুঁকিপূর্ণ স্থানের বাঁধ ভেঙে বন্যার আশংকা রয়েছে। 

কমলগঞ্জ উপজেলার কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক বলেন, বৃহস্পতিবার ভোর ৬টায় ভানুগাছ রেলওয়ে স্টেশনের অদুরে ধলাই রেল সেতু এলাকায় পানি বিপদ সীমার ২০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। উপজেলা প্রশাসন কমলগঞ্জের নদ-নদী ও পাহাড়ি ছড়ার দিকে সার্বিক নজরদারি রাখছে।

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রনেন্দ্র শঙ্কর চক্রবর্তী বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় ধলাই নদীর পানি বিপদ সীমার ১০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে দুপুর ১২টায় ধলাই নদীর পানি ৪৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন