যশোরে সাড়া ফেলেছে সাবেক প্রতিমন্ত্রী রফিকুলের করোনা সচেতনতার বার্তা 
jugantor
যশোরে সাড়া ফেলেছে সাবেক প্রতিমন্ত্রী রফিকুলের করোনা সচেতনতার বার্তা 

  যশোর ব্যুরো  

০৮ জুন ২০২০, ২২:৩৬:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোর-২ ( ঝিকরগাছা- চৌগাছা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম।
যশোর-২ ( ঝিকরগাছা- চৌগাছা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

করোনাভাইরাসের মহামারী প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেত্বাধীন সরকার জনবান্ধন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।  তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে সরকারের সেই বার্তা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছেন যশোর-২ ( ঝিকরগাছা- চৌগাছা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম।  ডিজিটাল পদ্ধতিতে করোনা সচেতনতায় করণীয় ও দিকনির্দেশনামূলক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন তিনি। এজন্য দুই উপজেলার ডাটাবেজ ব্যবহার করছেন। তার এই উদ্যোগে সাধারণ মানুষ সহজেই সঠিক তথ্য পাচ্ছেন।

জানা যায়, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে যথাযথ সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে জ্বালানী , বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ঝিকরগাছা ও চৌগাছা উপজেলার জনসাধারণের মধ্যে ডাটাবেজ ব্যবহার করে তথ্যের আদান প্রদান করছেন।  চলতি বছরের ৮ এপ্রিল টেলিটকের ০১৫৫২১৪৬১৩২ নম্বরের মাধ্যমে ঝিকরগাছা উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ৬২ হাজার ৫০১টি পরিবারে মোবাইলে ‘ ঘরে থাকুন, পরিবার ও দেশকে নিরাপদ রাখুন’ ক্ষুদেবার্তা (এসএমএস) পাঠান। 

একইভাবে চৌগাছা উপজেলার ৪০ হাজার ২৭০টি পরিবারের মধ্যে একই ক্ষুদে বার্তা পাঠান। পরবর্তীতে টেলিটকের ০১৫৭২১৫৫৬০০ নাম্বার থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্লাটফরম ব্যবহার করে দুই উপজেলার ৪১ হাজার ২৮০টি পরিবারের মধ্যে ৯টি জনসচেতনতামূলক ডিজিটাল  মোবাইল পোস্টার প্রদান করেছেন।

ডিজিটাল বাংলাদেশের ডিজিটাল প্রচারণায় ২০১৮সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঝিকরগাছা ও চৌগাছা উপজেলার সব ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও গ্রাম ভিত্তিক মানুষের তথ্য সংরক্ষণে একটি ডাটাবেজ তৈরি করেন। ২০১৮ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ঝিকরগাছায় তিনি এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এই তথ্য ভাণ্ডার ব্যবহার করে মানুষের কাছে মুহূর্তেই বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন।

যশোরের চৌগাছা উপজেলার ধুলিয়ানী ইউনিয়নের ধুলিয়ানি বাজার মসজিদের ইমাম মোমিনুর রহমান বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে গণজমায়েতের ওপর বিধিনিষেধ জারি করে সরকার। জনস্বার্থে মসজিদে নামাজের জামাত সাময়িক বন্ধ ছিল। ৬ মে বিকালে লোকমুখে জানতে পারি স্বাস্থ্য বিধি মেনে মসজিদে জামাতে নামাজ পড়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। সংবাদটির সত্যতা নিয়ে সংশয় পড়ি। কিছুক্ষণ পরেই মোবাইল ফোনে সাবেক প্রতিমন্ত্রীর পাঠানো একটি বার্তায়  স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজ আদায়ের বিষয়টি নিশ্চিত হই। এটি ঘরে বসে তথ্য পাওয়ার দারুণ উদ্যোগ।

চৌগাছা উপজেলার সুখপুকুরিয়া গ্রামের কৃষক শরফুদ্দিন বলেন, দুঃসময়ে মনে রেখেছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী রফিকুল ইসলাম। তিনি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে করোনার সতর্ক বার্তা দিয়েছেন। 

ঝিকরগাছার পৌর এলাকার ছাত্র গাজী শিমন রেজা বলেন, দুর্যোগের সময় গুজবও মহামারী আকার ধারণ করে। তখন মানুষের সঠিক তথ্য জানা খুবই জরুরি হয়ে পড়ে। এ সময়ে স্যারের (সাবেক প্রতিমন্ত্রী) বার্তা ও নির্দেশনা আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করে। এসব কর্মকাণ্ডগুলোই ডিজিটাল বাংলাদেশের অনন্য উদাহরণ।

এ প্রসঙ্গে সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বলেন, গোটা বিশ্বজুড়ে এখন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হচ্ছে। সবার দিন কাটছে আতংকে। নিউজ ফিড জুড়ে শুধু করোনা আক্রান্ত আর মৃত্যুর খবরে ভারি উঠছে মানুষের নিঃশ্বাস। করোনার সঙ্গে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ঝিকরগাছা চৌগাছার আপামর মানুষের কাছে জননেত্রী শেখ হাসিনার বার্তা পৌঁছে দিচ্ছি ডিজিটাল পদ্ধতিতে। একই সঙ্গে তৃণমূলের মানুষের সার্বিক খোঁজ রাখার জন্য প্রতিনিয়ত কাজ করছি। ডিজিটাল যোগযোগ একদিকে গুজব প্রতিরোধে কাজ করছে, অপরদিকে আন্তঃযোগাযোগের কারণে তারাও মানসিকভাবে বলীয়ান হচ্ছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের কারণে দূরত্ব বজায় রেখেও কাছে থাকা সম্ভব হচ্ছে। মানুষের কল্যাণে  যোগাযোগের এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

যশোরে সাড়া ফেলেছে সাবেক প্রতিমন্ত্রী রফিকুলের করোনা সচেতনতার বার্তা 

 যশোর ব্যুরো 
০৮ জুন ২০২০, ১০:৩৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
যশোর-২ ( ঝিকরগাছা- চৌগাছা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম।
যশোর-২ ( ঝিকরগাছা- চৌগাছা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

করোনাভাইরাসের মহামারী প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেত্বাধীন সরকার জনবান্ধন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে সরকারের সেই বার্তা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছেন যশোর-২ ( ঝিকরগাছা- চৌগাছা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম। ডিজিটাল পদ্ধতিতে করোনা সচেতনতায় করণীয় ও দিকনির্দেশনামূলক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন তিনি। এজন্য দুই উপজেলার ডাটাবেজ ব্যবহার করছেন। তার এই উদ্যোগে সাধারণ মানুষ সহজেই সঠিক তথ্য পাচ্ছেন।

জানা যায়, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে যথাযথ সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে জ্বালানী , বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ঝিকরগাছা ও চৌগাছা উপজেলার জনসাধারণের মধ্যে ডাটাবেজ ব্যবহার করে তথ্যের আদান প্রদান করছেন। চলতি বছরের ৮ এপ্রিল টেলিটকের ০১৫৫২১৪৬১৩২ নম্বরের মাধ্যমে ঝিকরগাছা উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ৬২ হাজার ৫০১টি পরিবারে মোবাইলে ‘ ঘরে থাকুন, পরিবার ও দেশকে নিরাপদ রাখুন’ ক্ষুদেবার্তা (এসএমএস) পাঠান।

একইভাবে চৌগাছা উপজেলার ৪০ হাজার ২৭০টি পরিবারের মধ্যে একই ক্ষুদে বার্তা পাঠান। পরবর্তীতে টেলিটকের ০১৫৭২১৫৫৬০০ নাম্বার থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্লাটফরম ব্যবহার করে দুই উপজেলার ৪১ হাজার ২৮০টি পরিবারের মধ্যে ৯টি জনসচেতনতামূলক ডিজিটাল মোবাইল পোস্টার প্রদান করেছেন।

ডিজিটাল বাংলাদেশের ডিজিটাল প্রচারণায় ২০১৮সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঝিকরগাছা ও চৌগাছা উপজেলার সব ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও গ্রাম ভিত্তিক মানুষের তথ্য সংরক্ষণে একটি ডাটাবেজ তৈরি করেন। ২০১৮ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ঝিকরগাছায় তিনি এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এই তথ্য ভাণ্ডার ব্যবহার করে মানুষের কাছে মুহূর্তেই বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন।

যশোরের চৌগাছা উপজেলার ধুলিয়ানী ইউনিয়নের ধুলিয়ানি বাজার মসজিদের ইমাম মোমিনুর রহমান বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে গণজমায়েতের ওপর বিধিনিষেধ জারি করে সরকার। জনস্বার্থে মসজিদে নামাজের জামাত সাময়িক বন্ধ ছিল। ৬ মে বিকালে লোকমুখে জানতে পারি স্বাস্থ্য বিধি মেনে মসজিদে জামাতে নামাজ পড়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। সংবাদটির সত্যতা নিয়ে সংশয় পড়ি। কিছুক্ষণ পরেই মোবাইল ফোনে সাবেক প্রতিমন্ত্রীর পাঠানো একটি বার্তায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজ আদায়ের বিষয়টি নিশ্চিত হই। এটি ঘরে বসে তথ্য পাওয়ার দারুণ উদ্যোগ।

চৌগাছা উপজেলার সুখপুকুরিয়া গ্রামের কৃষক শরফুদ্দিন বলেন, দুঃসময়ে মনে রেখেছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী রফিকুল ইসলাম। তিনি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে করোনার সতর্ক বার্তা দিয়েছেন।

ঝিকরগাছার পৌর এলাকার ছাত্র গাজী শিমন রেজা বলেন, দুর্যোগের সময় গুজবও মহামারী আকার ধারণ করে। তখন মানুষের সঠিক তথ্য জানা খুবই জরুরি হয়ে পড়ে। এ সময়ে স্যারের (সাবেক প্রতিমন্ত্রী) বার্তা ও নির্দেশনা আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করে। এসব কর্মকাণ্ডগুলোই ডিজিটাল বাংলাদেশের অনন্য উদাহরণ।

এ প্রসঙ্গে সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বলেন, গোটা বিশ্বজুড়ে এখন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হচ্ছে। সবার দিন কাটছে আতংকে। নিউজ ফিড জুড়ে শুধু করোনা আক্রান্ত আর মৃত্যুর খবরে ভারি উঠছে মানুষের নিঃশ্বাস। করোনার সঙ্গে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ঝিকরগাছা চৌগাছার আপামর মানুষের কাছে জননেত্রী শেখ হাসিনার বার্তা পৌঁছে দিচ্ছি ডিজিটাল পদ্ধতিতে। একই সঙ্গে তৃণমূলের মানুষের সার্বিক খোঁজ রাখার জন্য প্রতিনিয়ত কাজ করছি। ডিজিটাল যোগযোগ একদিকে গুজব প্রতিরোধে কাজ করছে, অপরদিকে আন্তঃযোগাযোগের কারণে তারাও মানসিকভাবে বলীয়ান হচ্ছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের কারণে দূরত্ব বজায় রেখেও কাছে থাকা সম্ভব হচ্ছে। মানুষের কল্যাণে যোগাযোগের এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।