রামপালের বগুড়া নদীর ওপর ব্রিজ নির্মাণে ধীরগতি

  সুজন মজুমদার, রামপাল প্রতিনিধি ০৯ জুন ২০২০, ১১:৫২:১৭ | অনলাইন সংস্করণ

ছবি: যুগান্তর

রামপালের বগুড়া নদীর ওপর ব্রিজ নির্মাণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কালক্ষেপণের অভিযোগ উঠেছে। ব্রিজটি নির্মাণে ধীরগতির কারণে এলাকার শত শত মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

৩ কোটি ৯২ লাখ ৫১ হাজার ১৩৩ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন ব্রিজটি ২০১৯ সালের ২৯ মে নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও কয়েক দফা মেয়াদ বাড়িয়েও এখন পর্যন্ত নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়নি।

রামপাল এলজিইডির অফিস সূত্রে জানা গেছে, ৬০ মিটার লম্বা আরসিসি গার্ডার ব্রিজটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আইটি এ্যান্ড জেই জেভি বাস্তবায়ন করছে। ২০১৮ সালের ৩০ মে ব্রিজটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। যা ২০১৯ সালের ২৯ মে সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। এরপর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরে সময় বাড়ানোর আবেদন করে।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়। এর পরও বর্ধিত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি কাজসম্পন্ন করতে ব্যর্থ হয়। নির্দিষ্ট সময়সীমার পরও ৫ মাসের বেশি অতিবাহিত হলেও নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় এলাকাবাসী চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি মো. আসলাম হোসেনের সঙ্গে তার ব্যবহৃত ০১৭১১-৩৩১২৬৮ নং মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি যুগান্তরকে জানান, বিভিন্ন কারণে ব্রিজটি নির্মাণে সময়ক্ষেপণ হয়েছে। ওই বগুড়া নদীটি পানি উন্নয়ন বোর্ড ড্রেজিং করার কারণে, নদীর ওপর ব্রিজ নির্মাণে বোর্ডের অনুমতি পাওয়ার জন্য বেশ সময় ব্যয় হয়েছে।

এছাড়াও কয়েক বার ভেরিয়েশন করতে ও নদীর তলদেশের বেজমেন্ট ঠিক করতে বেশ সময় লেগেছে। বর্তমানে কোনো সমস্যা নেই। পুনরায় আবার সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছিলাম, যা ২০২০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। আশা করি চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে ব্রিজটির কাজসম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

এ বিষয়ে রামপাল উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. গুলজার হোসেন জানান, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্রিজটি সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বারবার তাগিদ দেয়ার পরও গড়িমসি করছে।

সময় বৃদ্ধির ব্যাপারে ওই কর্মকর্তা জানান, নতুন করে কোনো সময় বৃদ্ধি করা হয়নি।

জনদুর্ভোগ ও ব্রিজটি নির্মাণে ধীরগতির বিষয় রামপাল উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ মোয়াজ্জেম হোসেনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি যুগান্তরকে জানান, রামপাল-মোংলার উন্নয়নের ব্যাপারে আমাদের অভিভাবক খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আ. খালেক এবং বন পরিবেশ ও জলবায়ু উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার এমপি কোনো আপোস করেন না। উন্নয়নকাজে কেউ যদি কোনো প্রকার গাফিলতি করেন, তবে অবশ্যই বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত