না’গঞ্জে কিস্তি পরিশোধে চাপ এনজিওর, ৩ সন্তানের জননীর আত্মহত্যা
jugantor
না’গঞ্জে কিস্তি পরিশোধে চাপ এনজিওর, ৩ সন্তানের জননীর আত্মহত্যা

  নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি  

০৯ জুন ২০২০, ১৯:৫৩:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে এনজিওর কিস্তি পরিশোধের চাপ সইতে না পেরে আত্মহত্যা করেছেন তিন সন্তানের জননী নিপা আক্তার (৩১)।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলার গোপালদী পৌরসভার রামচন্দ্রাদী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিপা স্থানীয় ওয়াদ আলীর স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানান, ১৪ বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় নিপার। ৫ বছর আগে তার স্বামী জীবিকার তাগিদে মালয়েশিয়া চলে যান। গত ৩ মাস ধরে সেখানে লকডাউন থাকায় স্বামী টাকা পাঠাতে ব্যর্থ হচ্ছিলেন।

ফলে পরিবার চালাতে একটি এনজিও থেকে নেয়া ঋণের বিপরীতে কিস্তি পরিশোধ করতে হতো নিপা আক্তারকে। পাশাপাশি আশপাশের কয়েকজনের কাছেও ঋণ নিয়েছিলেন তিনি। গত কয়েক মাস ধরে কিস্তি ও ঋণের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় চাপে পড়ে নিপা। সেই চাপ সামলাতে না পেরে তিন সন্তাদের জননী নিপা আত্মহত্যা করেন।

স্থানীয় কাউন্সিলর আলী আজগর জানান, শুনেছি পাওয়া টাকায়ও সমিতির কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে না পেরে হতাশায় ভুগছিলেন তিনি।

গোপালদী পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মোক্তার হোসেন জানান, ঋণের চাপে হিমশিম খেয়ে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে বলে স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে। পরিবারের সদস্যদের অনুরোধে দুপুরে লাশ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

না’গঞ্জে কিস্তি পরিশোধে চাপ এনজিওর, ৩ সন্তানের জননীর আত্মহত্যা

 নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি 
০৯ জুন ২০২০, ০৭:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে এনজিওর কিস্তি পরিশোধের চাপ সইতে না পেরে আত্মহত্যা করেছেন তিন সন্তানের জননী নিপা আক্তার (৩১)।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলার গোপালদী পৌরসভার রামচন্দ্রাদী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিপা স্থানীয় ওয়াদ আলীর স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানান, ১৪ বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় নিপার। ৫ বছর আগে তার স্বামী জীবিকার তাগিদে মালয়েশিয়া চলে যান। গত ৩ মাস ধরে সেখানে লকডাউন থাকায় স্বামী টাকা পাঠাতে ব্যর্থ হচ্ছিলেন।

ফলে পরিবার চালাতে একটি এনজিও থেকে নেয়া ঋণের বিপরীতে কিস্তি পরিশোধ করতে হতো নিপা আক্তারকে। পাশাপাশি আশপাশের কয়েকজনের কাছেও ঋণ নিয়েছিলেন তিনি। গত কয়েক মাস ধরে কিস্তি ও ঋণের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় চাপে পড়ে নিপা। সেই চাপ সামলাতে না পেরে তিন সন্তাদের জননী নিপা আত্মহত্যা করেন।

স্থানীয় কাউন্সিলর আলী আজগর জানান, শুনেছি পাওয়া টাকায়ও সমিতির কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে না পেরে হতাশায় ভুগছিলেন তিনি।

গোপালদী পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মোক্তার হোসেন জানান, ঋণের চাপে হিমশিম খেয়ে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে বলে স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে। পরিবারের সদস্যদের অনুরোধে দুপুরে লাশ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
 

 
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন