১০০ মুক্তিযোদ্ধার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার বই ‘মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা’
jugantor
১০০ মুক্তিযোদ্ধার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার বই ‘মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা’

  যুগান্তর রিপোর্ট, বরগুনা  

১০ জুন ২০২০, ২২:৪১:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

বরগুনা জেলার ১০০ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার আলোকে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা নামক প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।

বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন করেন বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু।

জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহর সভাপতিত্বে মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নুর হোসেন সজল, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথার সম্পাদনা সহযোগী সহকারী কমিশনার মারজান হোসাইন, প্রকাশনার সম্পাদক চিত্ত রঞ্জন শীল, বরগুনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি সঞ্জিব দাস, বরগুনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও যুগান্তরের স্টাফ রিপোর্টার এম. মজিবুল হক কিসলু, বরগুনা টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি সোহেল হাফিজ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আবদুর রশিদ, বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম সরোয়ার টুকুসহ সাংবাদিক ও মুক্তিযোদ্ধারা। সম্পাদনায় ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নুর হোসেন সজল।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা সম্পর্কে জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা প্রকাশনাটি স্বাধীনতার মহান স্থপতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে উৎসর্গ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ২০০ পাতার বইটিতে রয়েছে বরগুনা জেলার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। রয়েছে ১০০ জন মুক্তিযোদ্ধা কীভাবে ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করেছেন, তার বর্ণনা।

জেলা প্রশাসক বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা প্রকাশনার উদ্দেশ্য হল বরগুনার সামাজিকতা, সংস্কৃতি, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং এর পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণ করে সাধারণ মানুষের কাছে উপস্থাপন করা। বরগুনার পরবর্তী প্রজন্মের হৃদয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা গেঁথে দেয়ার লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা প্রকাশনা হাতে নেই। উপকূলীয় জেলা বরগুনার রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। বইটি পড়ে নতুন প্রজন্ম এই ইতিহাস জানবে। জেলায় রয়েছে নবম সেক্টরাধীন বুকাবুনিয়া সাব-সেক্টর।

প্রধান অতিথি বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় এই জেলার অনেক ইতিহাস। যুদ্ধকালীন আমি পটুয়াখালী জেলার ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলাম। ওই সময় পাকবাহিনীরা আমার বাবাকে হত্যা করে। স্বাধীনতা যুদ্ধের সব কৃতিত্ব জাতির জনকের।

তিনি বলেন, বরগুনা আওয়ামী লীগের অনেক সিনিয়ররা ছিলেন, তারা এখন নেই। এখন সিনিয়র আমরা। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় যাদের অনেক ভূমিকা ছিল তাদেরকে স্মরণ করেন। তার মধ্যে আবদুর রব সেরনিয়াবাদ অন্যতম। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা প্রকাশনায় জেলা প্রশাসক ও তাকে যারা সহযোগিতা করেছেন তাদেরকে তিনি ধন্যবাদ জানান।

১০০ মুক্তিযোদ্ধার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার বই ‘মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা’

 যুগান্তর রিপোর্ট, বরগুনা 
১০ জুন ২০২০, ১০:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বরগুনা জেলার ১০০ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার আলোকে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা নামক প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।

বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন করেন বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু।

জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহর সভাপতিত্বে মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নুর হোসেন সজল, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথার সম্পাদনা সহযোগী সহকারী কমিশনার মারজান হোসাইন, প্রকাশনার সম্পাদক চিত্ত রঞ্জন শীল, বরগুনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি সঞ্জিব দাস, বরগুনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও যুগান্তরের স্টাফ রিপোর্টার এম. মজিবুল হক কিসলু, বরগুনা টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি সোহেল হাফিজ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আবদুর রশিদ, বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম সরোয়ার টুকুসহ সাংবাদিক ও মুক্তিযোদ্ধারা। সম্পাদনায় ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নুর হোসেন সজল।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা সম্পর্কে জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা প্রকাশনাটি স্বাধীনতার মহান স্থপতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে উৎসর্গ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ২০০ পাতার বইটিতে রয়েছে বরগুনা জেলার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। রয়েছে ১০০ জন মুক্তিযোদ্ধা কীভাবে ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করেছেন, তার বর্ণনা।

জেলা প্রশাসক বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা প্রকাশনার উদ্দেশ্য হল বরগুনার সামাজিকতা, সংস্কৃতি, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং এর পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণ করে সাধারণ মানুষের কাছে উপস্থাপন করা। বরগুনার পরবর্তী প্রজন্মের হৃদয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা গেঁথে দেয়ার লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা প্রকাশনা হাতে নেই। উপকূলীয় জেলা বরগুনার রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। বইটি পড়ে নতুন প্রজন্ম এই ইতিহাস জানবে। জেলায় রয়েছে নবম সেক্টরাধীন বুকাবুনিয়া সাব-সেক্টর।

প্রধান অতিথি বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় এই জেলার অনেক ইতিহাস। যুদ্ধকালীন আমি পটুয়াখালী জেলার ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলাম। ওই সময় পাকবাহিনীরা আমার বাবাকে হত্যা করে। স্বাধীনতা যুদ্ধের সব কৃতিত্ব জাতির জনকের।

তিনি বলেন, বরগুনা আওয়ামী লীগের অনেক সিনিয়ররা ছিলেন, তারা এখন নেই। এখন সিনিয়র আমরা। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় যাদের অনেক ভূমিকা ছিল তাদেরকে স্মরণ করেন। তার মধ্যে আবদুর রব সেরনিয়াবাদ অন্যতম। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা প্রকাশনায় জেলা প্রশাসক ও তাকে যারা সহযোগিতা করেছেন তাদেরকে তিনি ধন্যবাদ জানান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন