২ বছরেও নির্মাণ হয়নি রামপাল-বেলাই ব্রিজ পাকা রাস্তা

  সুজন মজুমদার, রামপাল (বাগেরহাট) থেকে ১১ জুন ২০২০, ১৩:৪৮:৪৭ | অনলাইন সংস্করণ

ছবি: যুগান্তর

রামপাল থেকে বেলাই ব্রিজ পর্যন্ত পাকা রাস্তা নির্মাণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সময় ক্ষেপনের অভিযোগ উঠেছে। রামপাল সদর থেকে মোংলাবন্দরে সহজভাবে যাতায়াতের জন্য ও ওই এলাকার মানুষের চলাচলের সুবিধার জন্য রাস্তাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ওই রাস্তা নির্মাণ সম্পন্ন হলে মোংলাবন্দরসহ আশপাশের মানুষের চলাচলের জন্য সময় বাঁচবে এবং প্রায় ১০ কিলোমিটার রাস্তার দূরত্ব কমবে।

রাস্তাটি নির্মাণে ধীরগতির কারণে এলাকার শত শত মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

জানা যায়, ৪ কোটি ৫৬ লাখ ৭২ হাজার ১৮৫ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন রাস্তাটি ২০১৮ সালের ৩ মে শুরু হয়ে ২০১৯ সালের ২ মে নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও মেয়াদ বাড়িয়েও এখন পর্যন্ত নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়নি।

রামপাল এলজিইডি এর অফিস সূত্রে জানা গেছে, ৫ কিলোমিটার লম্বা রাস্তাটির ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এম এ জলিল খান বাস্তবায়ন করছে। গত ২০১৮ সালের ৩ মে পাকা রাস্তাটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। যা ২০১৯ সালের ২ মে সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল।

এরপর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরে সময় বাড়ানোর আবেদন করে। আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়।
এর পরও বর্ধিত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি কাজ না করে ফেলে রাখায় এলাকার মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। যত্রতত্র রাস্তায় ইট ও খোয়া ফেলে রাখায় চলাচলে আরও দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। নিদৃষ্ট সময়সীমার পরও ১৩ মাসের ও বেশি অতিবাহিত হলেও নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় এলাকাবাসী চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি মো. জিয়াউর রহমানের সঙ্গে তার মোবাইল ফোনে (০১৭১১-৯৫০৪৬৮) কথা বলতে বারবার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে রামপাল উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. গোলজার হোসেন যুগান্তরকে জানান, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রাস্তাটি সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে বারবার তাগিদ দেয়ার পর ও গড়িমসি করছে।

সময় বৃদ্ধির ব্যাপারে ওই কর্মকর্তা জানান, নতুন করে সময় বৃদ্ধির পরও অনেক দেরি করে ফেলেছে।

জনদুর্ভোগ ও রাস্তাটি নির্মাণে ধীরগতির বিষয় রামপাল উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ মোয়াজ্জেম হোসেন যুগান্তরকে জানান, এ উপজেলার উন্নয়নের ব্যাপারে আমরা কোনো আপোষ করি না। আমাদের উন্নয়ন কাজে কেউ যদি কোনো প্রকার গাফিলতি করেন, তবে অবশ্যই বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত