মনের দুঃখে বিষপান, সুস্থ হওয়ার পরদিন মারা গেল যুবক
jugantor
মনের দুঃখে বিষপান, সুস্থ হওয়ার পরদিন মারা গেল যুবক

  শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি  

১১ জুন ২০২০, ২২:১৯:২৭  |  অনলাইন সংস্করণ

মনের দুঃখে শুক্রবার বিকালে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে আবদুল আহাদ (২৩)। পরে তার নানা শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

হাসপাতালে ২ দিন চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে আসেন আবদুল আহাদ। পরদিন সোমবার দুপুরে পুনরায় অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান বলে তার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়।

মৃত যুবক আহাদ বগুড়ার শেরপুর উপজেলার পারভবানীপুর গ্রামের মৃত নশকর মোল্লার ছেলে। লাশ উদ্ধার করে থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরণ করেছে থানা পুলিশ।

জানা গেছে, উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নের ঝাঁজর গ্রামের লাবলু মিয়ার সঙ্গে তালাকপ্রাপ্ত হয়ে ছোট মেয়ে লাজলী খাতুনকে নিয়ে মা গোলাপী খাতুন তার পিতার বাড়িতে বসবাস করেন। ১১ মাস আগে উপজেলার পারভবানীপুর গ্রামে বসবাসরত মৃত নশকর মোল্লার ছেলে আবদুল আহাদের সঙ্গে বিয়ে হয়।

বিয়ের পর থেকে আহাদকে নেশা করতে লাজলী নিষেধ করলে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ হতো। এর ফলে আহাদ ও তার মা-ভাই মিলে লাজলীকে নানা সময়ে নিযার্তন করত। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে প্রায় দেড় মাস আগে তার নানার বাড়িতে চলে যায় লাজলী খাতুন। এ নিয়ে গত শুক্রবার পারভবানীপুর গ্রামে ছেলে আহাদের বাড়িতে উভয়পক্ষের মধ্যে এলাকার মাতব্বরগণকে নিয়ে আপোষ মীমাংসা বৈঠক হয় বলে লাজলীর নানার পরিবার জানিয়েছেন।

এ দিকে আহাদ তার পরিবারের লোকজনের গালিগালাজ সহ্য করতে না পেরে মনের দুঃখে ওইদিন বিকালে পথিমধ্যে বিষপান করে ঝাঁজর গ্রামে তার নানা শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে চিৎকার দিয়ে পড়ে যায়। এতে স্ত্রীসহ নানাশ্বশুরের পরিবারের সদস্যরা আহাদের মা-ভাইকে বিষয়টি জানিয়ে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

আহাদ সুস্থ হলে রোববার বিকালে হাসপাতাল কর্তব্যরত চিকিৎসক ছাড়পত্র দিলে তিনি নিজ বাড়ি পারভবানীপুর গ্রামে ফিরে আসেন। পরদিন সোমবার দুপুরে আহাদ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে তিনি মারা যান। শেরপুর থানার এসআই ফজলুল হক (ফজলু) ওইদিন বিকালেই আহাদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠান।

শেরপুর থানার ওসি মো. হুয়ামুন কবীর বলেন, ৮ জুন সকালে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্ত শেষে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মনের দুঃখে বিষপান, সুস্থ হওয়ার পরদিন মারা গেল যুবক

 শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি 
১১ জুন ২০২০, ১০:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মনের দুঃখে শুক্রবার বিকালে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে আবদুল আহাদ (২৩)। পরে তার নানা শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

হাসপাতালে ২ দিন চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে আসেন আবদুল আহাদ। পরদিন সোমবার দুপুরে পুনরায় অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান বলে তার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়।

মৃত যুবক আহাদ বগুড়ার শেরপুর উপজেলার পারভবানীপুর গ্রামের মৃত নশকর মোল্লার ছেলে। লাশ উদ্ধার করে থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরণ করেছে থানা পুলিশ।

জানা গেছে, উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নের ঝাঁজর গ্রামের লাবলু মিয়ার সঙ্গে তালাকপ্রাপ্ত হয়ে ছোট মেয়ে লাজলী খাতুনকে নিয়ে মা গোলাপী খাতুন তার পিতার বাড়িতে বসবাস করেন। ১১ মাস আগে উপজেলার পারভবানীপুর গ্রামে বসবাসরত মৃত নশকর মোল্লার ছেলে আবদুল আহাদের সঙ্গে বিয়ে হয়।

বিয়ের পর থেকে আহাদকে নেশা করতে লাজলী নিষেধ করলে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ হতো। এর ফলে আহাদ ও তার মা-ভাই মিলে লাজলীকে নানা সময়ে নিযার্তন করত। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে প্রায় দেড় মাস আগে তার নানার বাড়িতে চলে যায় লাজলী খাতুন। এ নিয়ে গত শুক্রবার পারভবানীপুর গ্রামে ছেলে আহাদের বাড়িতে উভয়পক্ষের মধ্যে এলাকার মাতব্বরগণকে নিয়ে আপোষ মীমাংসা বৈঠক হয় বলে লাজলীর নানার পরিবার জানিয়েছেন।

এ দিকে আহাদ তার পরিবারের লোকজনের গালিগালাজ সহ্য করতে না পেরে মনের দুঃখে ওইদিন বিকালে পথিমধ্যে বিষপান করে ঝাঁজর গ্রামে তার নানা শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে চিৎকার দিয়ে পড়ে যায়। এতে স্ত্রীসহ নানাশ্বশুরের পরিবারের সদস্যরা আহাদের মা-ভাইকে বিষয়টি জানিয়ে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

আহাদ সুস্থ হলে রোববার বিকালে হাসপাতাল কর্তব্যরত চিকিৎসক ছাড়পত্র দিলে তিনি নিজ বাড়ি পারভবানীপুর গ্রামে ফিরে আসেন। পরদিন সোমবার দুপুরে আহাদ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে তিনি মারা যান। শেরপুর থানার এসআই  ফজলুল হক (ফজলু) ওইদিন বিকালেই আহাদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠান।

শেরপুর থানার ওসি মো. হুয়ামুন কবীর বলেন, ৮ জুন সকালে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্ত শেষে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন