লক্ষ্মীপুরে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা 
jugantor
লক্ষ্মীপুরে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা 

  লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি   

১২ জুন ২০২০, ২১:০৭:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

লক্ষ্মীপুরে হিরামনি (১৪) নামে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে সদর উপজেলার হামছাদী ইউনিয়নের পশ্চিম গোপীনাথপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিকাল ৫টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ সময় সন্দেহভাজন আরিফ ও সুমন নামে দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

হিরামনি পশ্চিম গোপীনাথপুর গ্রামের হারুনুর রশিদের মেয়ে। সে স্থানীয় পালেরহাট পাবলিক হাইস্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, হিরামনির বাবা হারুন ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত। তার বাবা ঢাকায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তার মা ও ছোট দুই ভাইবোন বাবার সঙ্গে ঢাকায় আছেন। হিরামনি হামছাদি ইউনিয়নের হাসনাবাদ গ্রামে নানার বাড়িতে ছিল। শুক্রবার সকালে সে নিজেদের বাড়ি পশ্চিম গোপীনাথপুরে আসে। ঘরে সে একাই ছিল।

এর মাঝে সে পার্শ্ববর্তী এক বাড়িতে গিয়ে কিছু সময় ছিল। এরপর সে আবার ঘরে চলে আসে। কিন্তু দুপুর ২টার দিকে ওই বাড়ির এক নারী তাকে ঘরে ডাকতে যায়। সেখানে তাকে অর্ধ উলঙ্গ অবস্থায় দেখাতে পায়। তার শরীর ছিল খাটে, পায়ের অংশ মাটিতে ছিল।

নিহত হিরামনির মামা শাহজাহান বলেন, হিরামনি আমাদের বাড়িতে ছিল। সকালে তাকে পালেরহাট নামিয়ে দিয়ে যাই। বিকালে এমন ঘটনা শুনতে হবে, তা কল্পনাও করিনি। যারা তাকে হত্যা করেছে তাদের গ্রেফতার করে বিচারের দাবি জানান তিনি।

পালেরহাট পাবলিক হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক বেলায়েত হোসেন খান জানান, হিরামনি মেধাবী ছাত্রী ছিল। যারা তাকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করেছে, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাদেরকে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।

দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর শাহ আলম বলেন, ঘটনাটি খুবই বিভৎস। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিচার দাবি করছি। যেন এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

এ ব্যাপারে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোসলেহ উদ্দিন বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, তাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ছাত্রীকে উদ্ধার ও আলামত জব্দ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পার্শ্ববর্তী বাড়ির দুই যুবককে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

লক্ষ্মীপুরে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা 

 লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি  
১২ জুন ২০২০, ০৯:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

লক্ষ্মীপুরে হিরামনি (১৪) নামে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। 

শুক্রবার দুপুরে সদর উপজেলার হামছাদী ইউনিয়নের পশ্চিম গোপীনাথপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিকাল ৫টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ সময় সন্দেহভাজন আরিফ ও সুমন নামে দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। 

হিরামনি পশ্চিম গোপীনাথপুর গ্রামের হারুনুর রশিদের মেয়ে। সে স্থানীয় পালেরহাট পাবলিক হাইস্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, হিরামনির বাবা হারুন ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত। তার বাবা ঢাকায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তার মা ও ছোট দুই ভাইবোন বাবার সঙ্গে ঢাকায় আছেন। হিরামনি হামছাদি ইউনিয়নের হাসনাবাদ গ্রামে নানার বাড়িতে ছিল। শুক্রবার সকালে সে নিজেদের বাড়ি পশ্চিম গোপীনাথপুরে আসে। ঘরে সে একাই ছিল। 

এর মাঝে সে পার্শ্ববর্তী এক বাড়িতে গিয়ে কিছু সময় ছিল। এরপর সে আবার ঘরে চলে আসে। কিন্তু দুপুর ২টার দিকে ওই বাড়ির এক নারী তাকে ঘরে ডাকতে যায়। সেখানে তাকে অর্ধ উলঙ্গ অবস্থায় দেখাতে পায়। তার শরীর ছিল খাটে, পায়ের অংশ মাটিতে ছিল। 

নিহত হিরামনির মামা শাহজাহান বলেন, হিরামনি আমাদের বাড়িতে ছিল। সকালে তাকে পালেরহাট নামিয়ে দিয়ে যাই। বিকালে এমন ঘটনা শুনতে হবে, তা কল্পনাও করিনি। যারা তাকে হত্যা করেছে তাদের গ্রেফতার করে বিচারের দাবি জানান তিনি।

পালেরহাট পাবলিক হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক বেলায়েত হোসেন খান জানান, হিরামনি মেধাবী ছাত্রী ছিল। যারা তাকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করেছে, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাদেরকে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।

দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর শাহ আলম বলেন, ঘটনাটি খুবই বিভৎস। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিচার দাবি করছি। যেন এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে। 

এ ব্যাপারে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোসলেহ উদ্দিন বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, তাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ছাত্রীকে উদ্ধার ও আলামত জব্দ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পার্শ্ববর্তী বাড়ির দুই যুবককে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন