চুরির অভিযোগে ২ কিশোরকে হাত-পা বেঁধে বেধড়ক পিটুনি
jugantor
চুরির অভিযোগে ২ কিশোরকে হাত-পা বেঁধে বেধড়ক পিটুনি

  পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি  

১৩ জুন ২০২০, ১৯:০০:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

পীরগঞ্জে মোবাইল চুরির অভিযোগ এনে দুই কিশোরকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এক ইউপি সদস্যসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে পীরগঞ্জ থানায় মামলা হলেও আসামিরা বীরদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। পুলিশ তাদের গ্রেফতার করছে না বলে অভিযোগ বাদীর ও তার স্বজনদের।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার দেওধা গ্রামের এক গৃহবধূর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপনে ব্যর্থ হয় প্রতিবেশী মোতালেব আলী নামের এক ব্যক্তি। এতে মনের ক্ষেদ মিটাতে মোতালেব ওই গৃহবধূর কিশোর সন্তান সুমন ও ভাতিজা কামরুলের বিরুদ্ধে সেনগাঁও ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড সদস্য জহিরুল ইসলাম (গুড) মেম্বারের নিকট মোবাইল চুরি করার অভিযোগ করেন।

অভিযোগের সূত্র ধরে ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলাম (গুড) মেম্বারের নেতৃত্বে ২২ মে সালিশ বৈঠকে ওই দুই কিশোরকে রশি দিয়ে হাত-পা বেঁধে লাঠি দিয়ে মারপিট করেন এবং মোবাইল ফোনে মারপিটের দৃশ্য ধারণ করা হয়। পরে মোবাইলে ধারণকৃত নির্যাতনের ভিডিও দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করে।

টাকা না দেয়ায় ওই গৃহবধূকেও মারপিট করে তার বাড়ি থেকে একটি গরু নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলামসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করতে গেলে পুলিশের টালবাহানার মুখে পড়েন।

অবশেষে অনেক দেন-দরবার করে ৪ দিন পর পুলিশ থানায় মামলা রুজু করে। তবে আসামিদের গ্রেফতার না করায় আসামিরা মামলা তুলে নেয়ার জন্য বাদীকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ ওই গৃহবধূসহ তার স্বজনদের।

এ বিষয়ে সেনগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজার রহমান বলেন, শিশুদের এভাবে নির্যাতন করা ঠিক হয়নি। এর প্রতিকার হওয়া দরকার।

পীরগঞ্জ থানার ওসি প্রদীপ কুমার রায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মামলা নিতে টালবাহানা করা হয়নি। আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।


চুরির অভিযোগে ২ কিশোরকে হাত-পা বেঁধে বেধড়ক পিটুনি

 পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি 
১৩ জুন ২০২০, ০৭:০০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পীরগঞ্জে মোবাইল চুরির অভিযোগ এনে দুই কিশোরকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এক ইউপি সদস্যসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে পীরগঞ্জ থানায় মামলা হলেও আসামিরা বীরদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। পুলিশ তাদের গ্রেফতার করছে না বলে অভিযোগ বাদীর ও তার স্বজনদের।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার দেওধা গ্রামের এক গৃহবধূর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপনে ব্যর্থ হয় প্রতিবেশী মোতালেব আলী নামের এক ব্যক্তি। এতে মনের ক্ষেদ মিটাতে মোতালেব ওই গৃহবধূর কিশোর সন্তান সুমন ও ভাতিজা কামরুলের বিরুদ্ধে সেনগাঁও ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড সদস্য জহিরুল ইসলাম (গুড) মেম্বারের নিকট মোবাইল চুরি করার অভিযোগ করেন।

অভিযোগের সূত্র ধরে ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলাম (গুড) মেম্বারের নেতৃত্বে ২২ মে সালিশ বৈঠকে ওই দুই কিশোরকে রশি দিয়ে হাত-পা বেঁধে লাঠি দিয়ে মারপিট করেন এবং মোবাইল ফোনে মারপিটের দৃশ্য ধারণ করা হয়। পরে মোবাইলে ধারণকৃত নির্যাতনের ভিডিও দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করে।

টাকা না দেয়ায় ওই গৃহবধূকেও মারপিট করে তার বাড়ি থেকে একটি গরু নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলামসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করতে গেলে পুলিশের টালবাহানার মুখে পড়েন।

অবশেষে অনেক দেন-দরবার করে ৪ দিন পর পুলিশ থানায় মামলা রুজু করে। তবে আসামিদের গ্রেফতার না করায় আসামিরা মামলা তুলে নেয়ার জন্য বাদীকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ ওই গৃহবধূসহ তার স্বজনদের।

এ বিষয়ে সেনগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজার রহমান বলেন, শিশুদের এভাবে নির্যাতন করা ঠিক হয়নি। এর প্রতিকার হওয়া দরকার।

পীরগঞ্জ থানার ওসি প্রদীপ কুমার রায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মামলা নিতে টালবাহানা করা হয়নি। আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।


 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন