স্বামী হিসেবে মেনে না নেয়ায় রিকশাচালকের আত্মহত্যা
jugantor
স্বামী হিসেবে মেনে না নেয়ায় রিকশাচালকের আত্মহত্যা

  ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি  

১৫ জুন ২০২০, ০০:০৪:৫৮  |  অনলাইন সংস্করণ

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় সদ্য বিবাহিত স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে শাহজাহান হাওলাদার (২৮) নামে এক রিকশাচালক ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

রোববার দুপুরে উপজেলার ধাওয়া ইউনিয়নের নলকাটা গ্রামের বাড়িতে ওই রিকশাচালক ঘরের আড়ার সঙ্গে ফাঁস দিয়ে ঝুলে আত্মহত্যা করেন।

নিহত রিকশাচালক নলকাটা গ্রামের ছত্তার হাওলাদারের ছেলে। পুলিশ হাসপাতাল হতে তার লাশ উদ্ধার করেছে।

থানা ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত সাত মাস আগে পার্শ্ববর্তী কাঁঠালিয়া উপজেলার বানাই গ্রামের শাহজাহান মোল্লার মেয়ে সুখী আক্তারকে বিয়ে করেন শাহজাহান; বিয়ের পর থেকে সুখী তার স্বামীকে মেনে নিতে পারে না। গত ঈদের আগে সে স্বামীর বাড়ি থেকে রাগ করে বাবার বাড়ি চলে যায়। এরপর কয়েক দফা তার স্বামী শাহজাহান স্ত্রীকে আনতে শ্বশুর বাড়ি গলে স্ত্রী আসে না।

রোববার সকালে সুখী আক্তারকে আনতে শ্বশুর বাড়ি যান শাহজাহান। কিন্তু স্ত্রী স্বামীর বাড়িতে যেতে না রাজি হলে শাহজাহান ক্ষুব্ধ হয়ে বাড়ি ফিরে আসে। দুপুরে নিজের ঘরে তিনি আত্মহত্যা করেন। পরিবারের স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি এসএম মাকসুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হাসপাতাল হতে লাশ উদ্ধারের পর সুরতহাল রিপোর্ট করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ হতে কোনো অভিযোগ না থাকায় তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

স্বামী হিসেবে মেনে না নেয়ায় রিকশাচালকের আত্মহত্যা

 ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি 
১৫ জুন ২০২০, ১২:০৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় সদ্য বিবাহিত স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে শাহজাহান হাওলাদার (২৮) নামে এক রিকশাচালক ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

রোববার দুপুরে উপজেলার ধাওয়া ইউনিয়নের নলকাটা গ্রামের বাড়িতে ওই রিকশাচালক ঘরের আড়ার সঙ্গে ফাঁস দিয়ে ঝুলে আত্মহত্যা করেন।

নিহত রিকশাচালক নলকাটা গ্রামের ছত্তার হাওলাদারের ছেলে। পুলিশ হাসপাতাল হতে তার লাশ উদ্ধার করেছে।

থানা ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত সাত মাস আগে পার্শ্ববর্তী কাঁঠালিয়া উপজেলার বানাই গ্রামের শাহজাহান মোল্লার মেয়ে সুখী আক্তারকে বিয়ে করেন শাহজাহান; বিয়ের পর থেকে সুখী তার স্বামীকে মেনে নিতে পারে না। গত ঈদের আগে সে স্বামীর বাড়ি থেকে রাগ করে বাবার বাড়ি চলে যায়। এরপর কয়েক দফা তার স্বামী শাহজাহান স্ত্রীকে আনতে শ্বশুর বাড়ি গলে স্ত্রী আসে না।

রোববার সকালে সুখী আক্তারকে আনতে শ্বশুর বাড়ি যান শাহজাহান। কিন্তু স্ত্রী স্বামীর বাড়িতে যেতে না রাজি হলে শাহজাহান ক্ষুব্ধ হয়ে বাড়ি ফিরে আসে। দুপুরে নিজের ঘরে তিনি আত্মহত্যা করেন। পরিবারের স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি এসএম মাকসুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হাসপাতাল হতে লাশ উদ্ধারের পর সুরতহাল রিপোর্ট করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ হতে কোনো অভিযোগ না থাকায় তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

 
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন