জীবননগরে অদ্ভুত আকৃতির শিশুর জন্ম
jugantor
জীবননগরে অদ্ভুত আকৃতির শিশুর জন্ম

  জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি  

১৫ জুন ২০২০, ০০:৩৬:২৮  |  অনলাইন সংস্করণ

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা শহরে অবস্থিত মনোয়ারা সনো সেন্টার এন্ড নার্সিং হোমে শনিবার রাতে এক প্রসূতি মা একটি অদ্ভুত আকৃতির মৃত কন্যা শিশুর জন্ম দিয়েছেন। শিশুটির লিভার, হার্ট, কিডনি, নাড়িভুঁড়ি সবকিছুই পেটের বাইরে বের হওয়া অবস্থায় জন্ম নেয়।

প্রসূতির পারিবারিক সূত্র জানায়, ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার গোকুলনগর গ্রামের মামুন হোসেনের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী লাফিদা খাতুন (২০) ঘটনার দু'দিন আগে থেকেই পেটের যন্ত্রণায় বিভিন্ন ডাক্তারের নিকট চিকিৎসা গ্রহণ করেন। কিন্তু কোনো কিছুতেই তিনি প্রশান্তি না পাওয়ায় পরিবারের লোকজন তাকে শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে জীবননগর শহরের মনোয়ারা সনো সেন্টার এন্ড নার্সিং হোমে ভর্তি করেন। সে সময়ও প্রসূতি লাফিদা খাতুন পেটের ব্যথায় ছটফট করছিলেন এবং রক্তক্ষরণ হতে থাকে। পেটের বাচ্চাও নড়াচড়া করছিল না। এ অবস্থায় ক্লিনিকে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে আল্ট্রাসনো করার পর পেটের বাচ্চা মারা গেছে বলে সন্দেহ করেন।

এমন পরিস্থিতিতে প্রসূতির পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ক্লিনিকের চিকিৎসক দম্পতি ডা. রফিকুল ইসলাম ও ডা. জুলিয়েট পারউইন রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওই প্রসূতি মাকে অস্ত্রোপচার করলে অদ্ভুত কন্যা শিশুটির জন্ম হয়।

অদ্ভুত শিশুর জন্মের কথা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ক্লিনিকে উৎসুক জনতার ভিড় জমে ওঠে।

জীবননগরে অদ্ভুত আকৃতির শিশুর জন্ম

 জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি 
১৫ জুন ২০২০, ১২:৩৬ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা শহরে অবস্থিত মনোয়ারা সনো সেন্টার এন্ড নার্সিং হোমে শনিবার রাতে এক প্রসূতি মা একটি অদ্ভুত আকৃতির মৃত কন্যা শিশুর জন্ম দিয়েছেন। শিশুটির লিভার, হার্ট, কিডনি, নাড়িভুঁড়ি সবকিছুই পেটের বাইরে বের হওয়া অবস্থায় জন্ম নেয়।

প্রসূতির পারিবারিক সূত্র জানায়, ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার গোকুলনগর গ্রামের মামুন হোসেনের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী লাফিদা খাতুন (২০) ঘটনার দু'দিন আগে থেকেই পেটের যন্ত্রণায় বিভিন্ন ডাক্তারের নিকট চিকিৎসা গ্রহণ করেন। কিন্তু কোনো কিছুতেই তিনি প্রশান্তি না পাওয়ায় পরিবারের লোকজন তাকে শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে জীবননগর শহরের মনোয়ারা সনো সেন্টার এন্ড নার্সিং হোমে ভর্তি করেন। সে সময়ও প্রসূতি লাফিদা খাতুন পেটের ব্যথায় ছটফট করছিলেন এবং রক্তক্ষরণ হতে থাকে। পেটের বাচ্চাও নড়াচড়া করছিল না। এ অবস্থায় ক্লিনিকে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে আল্ট্রাসনো করার পর পেটের বাচ্চা মারা গেছে বলে সন্দেহ করেন।

এমন পরিস্থিতিতে প্রসূতির পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ক্লিনিকের চিকিৎসক দম্পতি ডা. রফিকুল ইসলাম ও ডা. জুলিয়েট পারউইন রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওই প্রসূতি মাকে অস্ত্রোপচার করলে অদ্ভুত কন্যা শিশুটির জন্ম হয়।

অদ্ভুত শিশুর জন্মের কথা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ক্লিনিকে উৎসুক জনতার ভিড় জমে ওঠে।