এক উপজেলায় ২৪ ঘণ্টায় ‘হার্ট অ্যাটাকে’ ৬ জনের মৃত্যু!
jugantor
এক উপজেলায় ২৪ ঘণ্টায় ‘হার্ট অ্যাটাকে’ ৬ জনের মৃত্যু!

  যশোর ব্যুরো  

১৭ জুন ২০২০, ১৯:৫৫:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের ঝিকরগাছায় বিষাক্ত অ্যালকোহল পানে ৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে নিহতদের পরিবার ও পুলিশ প্রশাসনের দাবি, ওই ৬ জনের হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়েছে। আরও ৩ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সোম ও মঙ্গলবার ঝিকরগাছার কয়েকটি গ্রামে এই রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

এ প্রসঙ্গে বুধবার বিকালে ঝিকরগাছা থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, অ্যালকোহল পানে যাদের মৃত্যুর কথা বলা হচ্ছে, খোঁজ-খবর নিয়েছি। চিকিৎসকদের ছাড়পত্রে বলা হয়েছে হার্ট অ্যাটাকে তাদের মৃত্যু হয়েছে। আবার পরিবারের লোকজনও বলছে অ্যালকোহল পানে নয়, হার্ট অ্যাটাকে তাদের মৃত্যু হয়েছে। অ্যালকোহল পানে মৃত্যুর প্রমাণ মেলেনি।

নিহতরা হলেন- ঝিকরগাছা উপজেলার রাজাপুর গ্রামের আবুল গাজীর ছেলে হাবিল গাজী (৬০), বর্ণি গ্রামের সুরত আলীর ছেলে ফারুক হোসেন (৪০), হাজীরআলী গ্রামের মৃত গহর আলীর ছেলে আসমত আলী (৫০), পুরন্দরপুর গ্রামের মৃত ফকির ধোপার ছেলে হামিদুর রহমান (৫৫), রাজাপুর গ্রামের আলফাজের ছেলে নুর ইসলাম খোকা (৫৫) ও ঋষিপাড়ার মৃত রশিক লালের ছেলে নারায়ণ (৫৫)।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৩ জন হলেন ঝিকরগাছার কাউরিয়া ঋষিপাড়ার মৃত সন্নাসী দাসের ছেলে রিপন দাস (৪০) ও নীল কুমারের ছেলে কিশোর দাস (৩২), হাজীরআলী গ্রামের মৃত আবুল কালামের ছেলে সেলিম হোসেন (৩৪)।

অ্যালকোহল পানে অসুস্থ কিশোর দাস জানান, সোমবার সকালে তিনি রাজাপুর গ্রামের হাবিল গাজীর কাছ থেকে সাড়ে ৩০০ টাকায় এক বোতল অ্যালকোহল কিনে বাড়িতে কাকী দুখিনি দাসের সঙ্গে পান করেন। কিছুক্ষণ পর তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন।

আরেক অসুস্থ নাফিজ জানিয়েছেন, সোমবার সকালে রাজাপুর গ্রামের জলিল সর্দারের ছেলে মিন্টুর নিকট থেকে অ্যালকোহল কিনে নুর ইসলাম খোকা, নারায়ণ ও হামিদুরের সঙ্গে তিনিও পান করেন। বাড়িতে যাওয়ার পর সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নুর ইসলাম খোকা, হামিদুর ও নারায়ণ মারা যান। ওই দিন গভীর রাতে তাদেরকে দাফন করা হয়। পরের দিন মঙ্গলবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাবিল গাজী, ফারুক হোসেন ও আসমত আলী মারা যান।

ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রাশিদুল আলম সাংবাদিকদের জানান, সোমবার ৪ জন বিষাক্ত অ্যালকোহল পান করে হাসপাতালে ভর্তি হন। ১ জনের অবস্থা অবনতি হলে তাকে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। আর ১ জন হাসপাতাল থেকে পালিয়েছেন।

এক উপজেলায় ২৪ ঘণ্টায় ‘হার্ট অ্যাটাকে’ ৬ জনের মৃত্যু!

 যশোর ব্যুরো 
১৭ জুন ২০২০, ০৭:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের ঝিকরগাছায় বিষাক্ত অ্যালকোহল পানে ৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে নিহতদের পরিবার ও পুলিশ প্রশাসনের দাবি, ওই ৬ জনের হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়েছে। আরও ৩ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সোম ও মঙ্গলবার ঝিকরগাছার কয়েকটি গ্রামে এই রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

এ প্রসঙ্গে বুধবার বিকালে ঝিকরগাছা থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, অ্যালকোহল পানে যাদের মৃত্যুর কথা বলা হচ্ছে, খোঁজ-খবর নিয়েছি। চিকিৎসকদের ছাড়পত্রে বলা হয়েছে হার্ট অ্যাটাকে তাদের মৃত্যু হয়েছে। আবার পরিবারের লোকজনও বলছে অ্যালকোহল পানে নয়, হার্ট অ্যাটাকে তাদের মৃত্যু হয়েছে। অ্যালকোহল পানে মৃত্যুর প্রমাণ মেলেনি।

নিহতরা হলেন- ঝিকরগাছা উপজেলার রাজাপুর গ্রামের আবুল গাজীর ছেলে হাবিল গাজী (৬০), বর্ণি গ্রামের সুরত আলীর ছেলে ফারুক হোসেন (৪০), হাজীরআলী গ্রামের মৃত গহর আলীর ছেলে আসমত আলী (৫০), পুরন্দরপুর গ্রামের মৃত ফকির ধোপার ছেলে হামিদুর রহমান (৫৫), রাজাপুর গ্রামের আলফাজের ছেলে নুর ইসলাম খোকা (৫৫) ও ঋষিপাড়ার মৃত রশিক লালের ছেলে নারায়ণ (৫৫)।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৩ জন হলেন ঝিকরগাছার কাউরিয়া ঋষিপাড়ার মৃত সন্নাসী দাসের ছেলে রিপন দাস (৪০) ও নীল কুমারের ছেলে কিশোর দাস (৩২), হাজীরআলী গ্রামের মৃত আবুল কালামের ছেলে সেলিম হোসেন (৩৪)।

অ্যালকোহল পানে অসুস্থ কিশোর দাস জানান, সোমবার সকালে তিনি রাজাপুর গ্রামের হাবিল গাজীর কাছ থেকে সাড়ে ৩০০ টাকায় এক বোতল অ্যালকোহল কিনে বাড়িতে কাকী দুখিনি দাসের সঙ্গে পান করেন। কিছুক্ষণ পর তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন।

আরেক অসুস্থ নাফিজ জানিয়েছেন, সোমবার সকালে রাজাপুর গ্রামের জলিল সর্দারের ছেলে মিন্টুর নিকট থেকে অ্যালকোহল কিনে নুর ইসলাম খোকা, নারায়ণ ও হামিদুরের সঙ্গে তিনিও পান করেন। বাড়িতে যাওয়ার পর সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নুর ইসলাম খোকা, হামিদুর ও নারায়ণ মারা যান। ওই দিন গভীর রাতে তাদেরকে দাফন করা হয়। পরের দিন মঙ্গলবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাবিল গাজী, ফারুক হোসেন ও আসমত আলী মারা যান।

ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রাশিদুল আলম সাংবাদিকদের জানান, সোমবার ৪ জন বিষাক্ত অ্যালকোহল পান করে হাসপাতালে ভর্তি হন। ১ জনের অবস্থা অবনতি হলে তাকে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। আর ১ জন হাসপাতাল থেকে পালিয়েছেন।