কিশোরগঞ্জে শিশুকে আটকে রেখে ধর্ষণ, ব্যবসায়ী গ্রেফতার
jugantor
কিশোরগঞ্জে শিশুকে আটকে রেখে ধর্ষণ, ব্যবসায়ী গ্রেফতার

  কিশোরগঞ্জ ব্যুরো  

১৮ জুন ২০২০, ২২:৩৭:০৯  |  অনলাইন সংস্করণ

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায় এক প্রভাবশালী ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার দুপুরে উপজেলার সিংপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। মুহূর্তেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে ওঠে এ ঘটনা।

এ ঘটনায় মামলা হলে পুলিশ হক মিয়া (৩৫) নামে তিন সন্তানের জনক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে নিকলী থানা পুলিশ ধর্ষক হক মিয়াকে কোর্টে সোপর্দ করেছে।

জানা গেছে, সিংপুর বাজার সংলগ্ন গ্রামের দরিদ্র পরিবারের তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই ছাত্রীটি প্রচণ্ড বৃষ্টির সময় বাজারের ব্যবসায়ী এবং একই গ্রামের আহমেদ আলীর ছেলে হক মিয়ার দোকানের বারান্দায় আশ্রয় নেয়। একপর্যায়ে হক মিয়া তাকে ধরে নিয়ে জোরপূর্বক আটকে রেখে ধর্ষণ করে।

এ সময় শিশুটির কান্নাকাটি শুনে আশপাশের লোকজন টের পেয়ে এগিয়ে গেলে ধর্ষক হক মিয়া পালিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করে এলাকাবাসী তাকে ধরে এনে সিংপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মোহাম্মদ আলীকে খবর দেন।

মোহাম্মদ আলী এসে ধর্ষকের অভিভাবক ও ভিকটিমের অভিভাবককে ডেকে এনে নিষ্পত্তির চেষ্টা চালান। কিন্তু নিষ্পত্তি করা সম্ভব না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত ধর্ষক হক মিয়াকে স্থানীয় গ্রাম পুলিশের হাতে হস্তান্তর করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে হক মিয়াকে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে মামলা করেন শিশুটির অভিভাবক।

নিকলী থানার ওসি মো. শামসুল আলম সিদ্দিকী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্যবসায়ী হক মিয়াকে এ মামলায় কিশোরগঞ্জের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

কিশোরগঞ্জে শিশুকে আটকে রেখে ধর্ষণ, ব্যবসায়ী গ্রেফতার

 কিশোরগঞ্জ ব্যুরো 
১৮ জুন ২০২০, ১০:৩৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায় এক প্রভাবশালী ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার দুপুরে উপজেলার সিংপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। মুহূর্তেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে ওঠে এ ঘটনা।

এ ঘটনায় মামলা হলে পুলিশ হক মিয়া (৩৫) নামে তিন সন্তানের জনক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে নিকলী থানা পুলিশ ধর্ষক হক মিয়াকে কোর্টে সোপর্দ করেছে।

জানা গেছে, সিংপুর বাজার সংলগ্ন গ্রামের দরিদ্র পরিবারের তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই ছাত্রীটি প্রচণ্ড বৃষ্টির সময় বাজারের ব্যবসায়ী এবং একই গ্রামের আহমেদ আলীর ছেলে হক মিয়ার দোকানের বারান্দায় আশ্রয় নেয়। একপর্যায়ে হক মিয়া তাকে ধরে নিয়ে জোরপূর্বক আটকে রেখে ধর্ষণ করে।

এ সময় শিশুটির কান্নাকাটি শুনে আশপাশের লোকজন টের পেয়ে এগিয়ে গেলে ধর্ষক হক মিয়া পালিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করে এলাকাবাসী তাকে ধরে এনে সিংপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মোহাম্মদ আলীকে খবর দেন।

মোহাম্মদ আলী এসে ধর্ষকের অভিভাবক ও ভিকটিমের অভিভাবককে ডেকে এনে নিষ্পত্তির চেষ্টা চালান। কিন্তু নিষ্পত্তি করা সম্ভব না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত ধর্ষক হক মিয়াকে স্থানীয় গ্রাম পুলিশের হাতে হস্তান্তর করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে হক মিয়াকে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে মামলা করেন শিশুটির অভিভাবক।

নিকলী থানার ওসি মো. শামসুল আলম সিদ্দিকী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্যবসায়ী হক মিয়াকে এ মামলায় কিশোরগঞ্জের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন