তিস্তার পানি বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপরে
jugantor
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপরে

  ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি  

২০ জুন ২০২০, ১৩:১৯:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপরে
ফাইল ছবি

ভারী বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

শনিবার সকাল ৬টায় তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে দেখা যায়।

এর আগে শুক্রবার বিকাল ৬টায় তিস্তার পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলে শুক্রবার রাত ১২টার পর থেকে তা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ৬২ মিলিলিটার।

তিস্তার পানি বৃদ্ধির ফলে তিস্তার চরাঞ্চলের বন্যা দেখা দিয়েছে।

এদিকে উজানের ঢল সামাল দিতে খুলে রাখা হয়েছে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট। এদিকে তিস্তার বন্যায় বসতঘরে হাঁটু পানি তলিয়ে রয়েছে।

ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিরা জানান, তিস্তার বন্যায় ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার পূর্বছাতনাই, খগাখড়িবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশাচাঁপানী, ঝুনাগাছচাঁপানী, ডাউয়াবাড়ি, গোলমুণ্ডা, শৌলমারী, কৈমারীসহ ১০ ইউনিয়নের তিস্তা অববাহিকার ১৫টি চর ও গ্রাম তিস্তার বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। ওই সব এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদে উঁচু স্থানে সরে থাকার জন্য বলা হয়েছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে তিস্তা ব্যারাজের সবকটি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপরে

 ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি 
২০ জুন ২০২০, ০১:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপরে
ফাইল ছবি

ভারী বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

শনিবার সকাল ৬টায় তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে দেখা যায়।

এর আগে শুক্রবার বিকাল ৬টায় তিস্তার পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলে শুক্রবার রাত ১২টার পর থেকে তা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ৬২ মিলিলিটার।

তিস্তার পানি বৃদ্ধির ফলে তিস্তার চরাঞ্চলের বন্যা দেখা দিয়েছে।

এদিকে উজানের ঢল সামাল দিতে খুলে রাখা হয়েছে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট। এদিকে তিস্তার বন্যায় বসতঘরে হাঁটু পানি তলিয়ে রয়েছে।

ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিরা জানান, তিস্তার বন্যায় ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার পূর্বছাতনাই, খগাখড়িবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশাচাঁপানী, ঝুনাগাছচাঁপানী, ডাউয়াবাড়ি, গোলমুণ্ডা, শৌলমারী, কৈমারীসহ ১০ ইউনিয়নের তিস্তা অববাহিকার ১৫টি চর ও গ্রাম তিস্তার বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। ওই সব এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদে উঁচু স্থানে সরে থাকার জন্য বলা হয়েছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে তিস্তা ব্যারাজের সবকটি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।