এমপি এনামুলের সাবেক স্ত্রী লিজার ইউটার্ন
jugantor
এমপি এনামুলের সাবেক স্ত্রী লিজার ইউটার্ন

  রাজশাহী ব্যুরো  

২০ জুন ২০২০, ১৯:৪৯:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

এমপি এনামুল হক ও লিজা
এমপি এনামুল হক ও লিজা। ফাইল ছবি

আয়েশা আক্তার লিজা। রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের এমপি ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একাধিক পোস্ট দিয়ে আলোচনায় আসেন রাজশাহী নগরীতে বসবাসকারী এই নারী।

তিনি স্ত্রীর অধিকার না পেলে শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যা করবেন বলে নিজের কঠোর প্রতিজ্ঞার কথাও ফেসবুকে বলেন। আরেক পোস্টে লেখেন, সাংবাদিক ভাইয়েরা আপনারা আমার পাশে দাঁড়ান। আমাকে মেরে ফেলা হবে। গত ১৮ মে থেকে গত শুক্রবার রাত পর্যন্ত একই বিষয়ে ২০টির বেশি পোস্ট দেন ফেসবুকে।

শুক্রবারও লিজা রাজশাহীর কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীর ম্যাসেঞ্জার ও ইনবক্সে বার্তা পাঠান এই বলে, আমি যদি আত্মহত্যা করি অথবা আমাকে যদি মেরে ফেলা হয় অথবা পুলিশ দিয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়- এ জন্য দায়ী হবেন এনামুল হক এমপি।

কিন্তু শনিবার সকাল ৬টার দিকে ফেসবুকে এক পোস্টে লিজা আগের অবস্থান থেকে পুরোপুরি সরে আসেন। লিজা লেখেন, আমাদের মধ্যে সব সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে। দেশবাসীর কাছে দোওয়া চাই। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন। প্রিয় গণমাধ্যমকর্মী ভাইদের কাছে অনুরোধ করছি, আপনারা আর নিউজ করবেন না। এতদিন আপনারা আমার পাশে থেকে আমাকে সহযোগিতা করেছেন সে জন্য আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ।

লিজার এ ফেসবুক পোস্ট ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন উঠেছে। সমস্যা কীভাবে মিটল তা পরিষ্কার করেননি লিজা। তাকে ম্যাসেঞ্জারে বার্তা পাঠিয়ে জানতে চাইলেও আর সাড়া দেননি।

এনামুল হক এমপি অবশ্য বলেছেন, যা ঘটেছে লিজা সেটা মেনে নিয়েছে।

এমপি এনামুলের সাবেক স্ত্রী লিজার ইউটার্ন

 রাজশাহী ব্যুরো 
২০ জুন ২০২০, ০৭:৪৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
এমপি এনামুল হক ও লিজা
এমপি এনামুল হক ও লিজা। ফাইল ছবি

আয়েশা আক্তার লিজা। রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের এমপি ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একাধিক পোস্ট দিয়ে আলোচনায় আসেন রাজশাহী নগরীতে বসবাসকারী এই নারী।

তিনি স্ত্রীর অধিকার না পেলে শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যা করবেন বলে নিজের কঠোর প্রতিজ্ঞার কথাও ফেসবুকে বলেন। আরেক পোস্টে লেখেন, সাংবাদিক ভাইয়েরা আপনারা আমার পাশে দাঁড়ান। আমাকে মেরে ফেলা হবে। গত ১৮ মে থেকে গত শুক্রবার রাত পর্যন্ত একই বিষয়ে ২০টির বেশি পোস্ট দেন ফেসবুকে।

শুক্রবারও লিজা রাজশাহীর কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীর ম্যাসেঞ্জার ও ইনবক্সে বার্তা পাঠান এই বলে, আমি যদি আত্মহত্যা করি অথবা আমাকে যদি মেরে ফেলা হয় অথবা পুলিশ দিয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়- এ জন্য দায়ী হবেন এনামুল হক এমপি।

কিন্তু শনিবার সকাল ৬টার দিকে ফেসবুকে এক পোস্টে লিজা আগের অবস্থান থেকে পুরোপুরি সরে আসেন। লিজা লেখেন, আমাদের মধ্যে সব সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে। দেশবাসীর কাছে দোওয়া চাই। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন। প্রিয় গণমাধ্যমকর্মী ভাইদের কাছে অনুরোধ করছি, আপনারা আর নিউজ করবেন না। এতদিন আপনারা আমার পাশে থেকে আমাকে সহযোগিতা করেছেন সে জন্য আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ।

লিজার এ ফেসবুক পোস্ট ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন উঠেছে। সমস্যা কীভাবে মিটল তা পরিষ্কার করেননি লিজা। তাকে ম্যাসেঞ্জারে বার্তা পাঠিয়ে জানতে চাইলেও আর সাড়া দেননি।

এনামুল হক এমপি অবশ্য বলেছেন, যা ঘটেছে লিজা সেটা মেনে নিয়েছে।