গোপালপুরে বিপজ্জনক সড়ক!

  মো. সেলিম হোসেন, গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ২১ জুন ২০২০, ১৫:২৬:১৪ | অনলাইন সংস্করণ

গোপালপুর (টাঙ্গাইল) ঝিনাই নদীর ভাঙনে বিলীন হচ্ছে ঝাওয়াইল- জামতৈল সড়ক। ছবি: যুগান্তর

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে এক কিলো নদীর তীর সংরক্ষণ না করে পাড়ে নির্মাণ করা কোটি টাকার সড়ক নদীগর্ভে চলে গেছে। ফলে সড়কটি এখন বিপজ্জনক সড়কে পরিণত হয়েছে।

রোববার সরেজমিন গিয়ে ঝিনাই নদীর তীরঘেঁষে নির্মাণ করা উপজেলার ঝাওয়াইল-জামতৈল সড়কের এ চিত্র দেখা গেছে।

সড়কের ভাঙন ও নদীর তীর সংরক্ষণের অভাবে জনদুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরে স্থানীয়রা জানান, দাবি ছিল এক কিলো নদীতীর সংরক্ষণের। কিন্তু তীর সংরক্ষণের আগেই কোটি টাকা ব্যয়ে এলজিইডি এক দশক আগে নদীর পাড়ে নির্মাণ করে সড়ক। সেই সময় সড়কটির কিছু অংশ পাকাও করা হয়।

বর্তমানে আবাদি জমিসহ সেই সড়ক গিলে খেয়েছে ঝিনাই নদী। তাই পাঁচ গ্রামের মানুষকে চার কিলো ঘুরে কারও বাড়ির উঠান, ঝোঁপজঙ্গল বা আবাদি জমি মাড়িয়ে গন্তব্যে যেতে হয়।

রাস্তা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় চরপাড়া, পশ্চিম জামতৈল, দক্ষিণ গোলাবাড়ীর শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাতায়াতে খুবই অসুবিধা হয়েছে।

ঝাওয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম জানান, শুষ্ক মৌসুমে স্থানীয় সরকারের টাকায় ফেলা মাটি বর্ষায় নদীগর্ভে চলে যায়। বাঁক খেয়ে এখানে অবিরাম ভাঙে। তীর সংরক্ষণে গাইড বাঁধ না হওয়ায় সমস্যা মিটছে না।

পানি উন্নয়ন বোর্ড একাধিকবার তদন্ত করে গেছেন। তিন বছর কেটে গেছে। নদীর ভাঙনে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফলে প্রতি বছর পাড় ভেঙে, পাকা ও কাঁচা সব ধরনের রাস্তা ভেঙে নদীতে নামছে।

গোপালপুর এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী এম মোস্তফা জানান, নদীর তীর ধরে দেড় কিলো রাস্তা পাকা হয়েছে। আরও এক কিলোর প্রস্তাব গেছে। কিন্তু ওই অংশ ভাঙনপ্রবণ। তীর সংরক্ষণ না হলে আবার তা নদীর পেটে যাবে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম জানান, ঝিনাই নদীর তীর সংরক্ষণ ও ভাঙনরোধে ৫০ কোটি টাকার প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে গেছে। বরাদ্দ পেলে এখানকার কাজ করা হবে।

স্থানীয় এমপি ছোট মনির জানান, তিনি বিষয়টি নিয়ে তদবির করছেন। কিন্তু করোনার কারণে এসব প্রকল্প পাসে বিলম্ব হচ্ছে।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত