ভোলায় ব্যবসায়ীকে গলাকেটে হত্যার পর টাকা লুট, ভাই আহত
jugantor
ভোলায় ব্যবসায়ীকে গলাকেটে হত্যার পর টাকা লুট, ভাই আহত

  ভোলা প্রতিনিধি  

২১ জুন ২০২০, ২১:৫১:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলার উপশহর বাংলাবাজার বালিয়া এলাকায় এক ব্যবসায়ীকে গলাকেটে হত্যা ও তার ভাইকে কুপিয়ে আহত করে ৫ লাখ টাকা ও ১০ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়েছে স্থানীয় একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ।

নিহত ওষুধ ব্যবসায়ী প্রবির চন্দ্র মাঝি (৩৫) ও ছোট ভাই জুয়েলারি ব্যবসায়ী সজিব চন্দ্র মাঝি (৩০) শনিবার রাত ১০টার দিকে ওষুধের দোকান ও জুয়েলারি বন্ধ করে টাকাসহ মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে গাছ ফেলে তাদের ওপর হামলা করে সন্ত্রাসীরা। প্রবিরকে মাটিতে ফেলে কুপিয়ে জবাই করে। সজিব ছুরির আঘাত পেয়েও দৌড়ে রাস্তার পাশের বাড়ি গিয়ে সাহায্য চান। স্থানীয়রা আহতদের ভোলা হাসপাতালে আনলে ডাক্তার প্রবিরকে মৃত ঘোষণা করেন।

ইউপি মেম্বার সেলিমের ছেলে সাকিল ও ভাতিজা শাহাবুদ্দিন, রিয়াজসহ ৫/৬ জন এ হামলার নেতৃত্বে দেয় বলে আহত সবিজের বরাত দিয়ে ভোলা থানার ওসি এনায়েত হোসেন জানান।

ভোলা থানার ওসি জানান, রাতেই হামলাকারী ও ছিনতাইকারী শাহাবুদ্দিনকে পুলিশ আটক করে। সেলিম মেম্বারের ছেলে শাকিল, ভাতিজা শাহাবুদ্দিন, বিল্লাল, রিয়াজসহ ৫/৬ জন এ ঘটনায় যুক্ত ছিল। শাকিলের বিরুদ্ধে এর আগেও ছিনতাই ঘটনার অভিযোগ রয়েছে। শনিবার রাতে এরা দোকানে দুই ভাইকে টাকা গুনতে দেখেছিল। পুলিশ ছুরি উদ্ধার করেছে।

এ দিকে হামলার সময় চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে, হামলাকারীদের মধ্যে শাহাবুদ্দিনকে ধরে ফেলে। পরে সেলিম মেম্বার ও শাবাবুদ্দিন পরিবারের লোকজন এসে স্থানীয়দের কাছ থেকে শাহাবুদ্দিনকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

এলাকার রাজেশ্বর মাঝির ছেলে প্রবির, সজিবসহ তিন ভাইয়ের রয়েছে তিনটি দোকান। দুটি ওষুধের ও একটি জুয়েলারি। স্থানীয় রাধাগোবিন্দ মন্দিরের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন নিহত প্রবির মাঝি।

আহত সজিব ভোলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি জানান, হামলাকালীদের ৪ জনকে তারা চিনতে পেরে কুপিয়ে জখম না করে টাকা নিয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।

এলাকার ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা ইফতারুল হাসান স্বপন জানান, সন্ত্রাসী এ গ্রুপটি এলাকায় নানা অপরাধের সঙ্গে যুক্ত। তিনি এদের সর্বাধিক শাস্তি দাবি করেন।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে ঘাতকদের শাস্তি দাবি করেন।

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সম্পাদক গৌরাঙ্গ দে ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক, জুয়েলারি সমিতির সম্পাদক অবিনাশ নন্দী দোষী সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তি দাবি করেন।

ভোলায় ব্যবসায়ীকে গলাকেটে হত্যার পর টাকা লুট, ভাই আহত

 ভোলা প্রতিনিধি 
২১ জুন ২০২০, ০৯:৫১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলার উপশহর বাংলাবাজার বালিয়া এলাকায় এক ব্যবসায়ীকে গলাকেটে হত্যা ও তার ভাইকে কুপিয়ে আহত করে ৫ লাখ টাকা ও ১০ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়েছে স্থানীয় একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ।

নিহত ওষুধ ব্যবসায়ী প্রবির চন্দ্র মাঝি (৩৫) ও ছোট ভাই জুয়েলারি ব্যবসায়ী সজিব চন্দ্র মাঝি (৩০) শনিবার রাত ১০টার দিকে ওষুধের দোকান ও জুয়েলারি বন্ধ করে টাকাসহ মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে গাছ ফেলে তাদের ওপর হামলা করে সন্ত্রাসীরা। প্রবিরকে মাটিতে ফেলে কুপিয়ে জবাই করে। সজিব ছুরির আঘাত পেয়েও দৌড়ে রাস্তার পাশের বাড়ি গিয়ে সাহায্য চান। স্থানীয়রা আহতদের ভোলা হাসপাতালে আনলে ডাক্তার প্রবিরকে মৃত ঘোষণা করেন।  

ইউপি মেম্বার সেলিমের ছেলে সাকিল ও ভাতিজা শাহাবুদ্দিন, রিয়াজসহ ৫/৬ জন এ হামলার নেতৃত্বে দেয় বলে আহত সবিজের বরাত দিয়ে ভোলা থানার ওসি এনায়েত হোসেন জানান।

ভোলা থানার ওসি জানান, রাতেই হামলাকারী ও ছিনতাইকারী শাহাবুদ্দিনকে পুলিশ আটক করে। সেলিম মেম্বারের ছেলে শাকিল, ভাতিজা শাহাবুদ্দিন, বিল্লাল, রিয়াজসহ ৫/৬ জন এ ঘটনায় যুক্ত ছিল। শাকিলের বিরুদ্ধে এর আগেও ছিনতাই ঘটনার অভিযোগ রয়েছে। শনিবার রাতে এরা দোকানে দুই ভাইকে টাকা গুনতে দেখেছিল। পুলিশ ছুরি উদ্ধার করেছে।

এ দিকে হামলার সময় চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে, হামলাকারীদের মধ্যে শাহাবুদ্দিনকে ধরে  ফেলে। পরে সেলিম মেম্বার ও শাবাবুদ্দিন পরিবারের  লোকজন এসে স্থানীয়দের কাছ থেকে  শাহাবুদ্দিনকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

এলাকার রাজেশ্বর মাঝির ছেলে প্রবির, সজিবসহ তিন ভাইয়ের রয়েছে তিনটি দোকান। দুটি ওষুধের ও একটি জুয়েলারি। স্থানীয় রাধাগোবিন্দ মন্দিরের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন নিহত প্রবির মাঝি।

আহত সজিব ভোলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি জানান, হামলাকালীদের  ৪ জনকে তারা চিনতে পেরে কুপিয়ে জখম না করে টাকা নিয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।

এলাকার ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা ইফতারুল হাসান স্বপন জানান, সন্ত্রাসী এ গ্রুপটি এলাকায় নানা অপরাধের সঙ্গে যুক্ত। তিনি এদের সর্বাধিক শাস্তি দাবি করেন।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে ঘাতকদের শাস্তি দাবি করেন।

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সম্পাদক গৌরাঙ্গ দে ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক, জুয়েলারি সমিতির সম্পাদক অবিনাশ নন্দী দোষী সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তি দাবি করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন