মাটি খুঁড়ে বের করা হল নিখোঁজ কলেজছাত্রের লাশ
jugantor
মাটি খুঁড়ে বের করা হল নিখোঁজ কলেজছাত্রের লাশ

  ভোলা ও বোরহানউদ্দিন প্রতিনিধি  

২২ জুন ২০২০, ২০:৩২:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলায় ওষুধ ব্যবসায়ী হত্যার রেশ না কাটতে কাটতেই বোরহানউদ্দিনে হত্যা করা হল এক কলেজছাত্রকে। নিখোঁজ কলেজ ছাত্র সুমনের লাশ সোমবার মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এদিন দুপুরে বোরহানউদ্দিন উপজেলার পক্ষিয়া ইউনিয়নে একটি পানের বরজ থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়। সুমন ওই এলাকার মফিজুল ইসলামের ছেলে। সে সরকারি আব্দুল জব্বার কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিল।

হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ পুলিশ মিঠু নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে। ওই যুবকের দেয়া তথ্য মতে সুমনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

বোরহানউদ্দিন থানার ওসি এনামুল হক জানান, ২০ জুন সন্ধ্যায় চায়ের দোকানে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেয়া অবস্থায় একটি ফোন আসলে সুমন সেখান থেকে চলে যায়। আধ ঘণ্টা পর সুমনের এক খালাতো ভাই শোয়েব সুমনকে ফোন দেয়। তখনও ফোন খোলা ছিল। সুমন ফিরে না আসায় তাকে ফোন দিলে ফোনসেট বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে বোরহানউদ্দিন থানায় সুমন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় একটি জিডি করা হয়। কল লিস্ট চেক করে মোবাইল ট্র্যাকিং করে মিঠু নামে এক যুবককে সোমবার দুপুর আটক করা হয়। তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ বোরহানউদ্দিনের পক্ষিয়া ইউনিয়নের একটি পানের বরজের ভেতর মাটি খুঁড়ে সুমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ওসি আরও জানান, ধারণা করা হচ্ছে নিহত সুমনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরে আঘাতে চিহ্ন রয়েছে। মিঠু ও সুমন এক সাথে নেশা করছিল। মিঠু একাই নিহত সুমনকে মাটি চাপা দিয়েছে বলে স্বীকার করেছে। তবে কি কারণে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে তার কারণ উদঘাটনে তদন্ত করছে পুলিশ। এর আগে মিঠুকে মাদকসহ গ্রেফতার হয়েছিল।

একদিন আগে ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের বটতলায় শনিবার রাতে প্রবীর নামে এক ওষুধ ব্যবসায়ীকে হত্যা করে তার সঙ্গে থাকা পাঁচ লাখ টাকা ও ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাই করে সন্ত্রাসীরা। এর জের না কাটতেই ফের বোরহানউদ্দিনে কলেজছাত্র হত্যায় স্থানীয়ভাবে আলোচনার ঝড় ওঠে।

মাটি খুঁড়ে বের করা হল নিখোঁজ কলেজছাত্রের লাশ

 ভোলা ও বোরহানউদ্দিন প্রতিনিধি 
২২ জুন ২০২০, ০৮:৩২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলায় ওষুধ ব্যবসায়ী হত্যার রেশ না কাটতে কাটতেই বোরহানউদ্দিনে হত্যা করা হল এক কলেজছাত্রকে। নিখোঁজ কলেজ ছাত্র সুমনের লাশ সোমবার মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এদিন দুপুরে বোরহানউদ্দিন উপজেলার পক্ষিয়া ইউনিয়নে একটি পানের বরজ থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়। সুমন ওই এলাকার মফিজুল ইসলামের ছেলে। সে সরকারি আব্দুল জব্বার কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিল।

হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ পুলিশ মিঠু নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে। ওই যুবকের দেয়া তথ্য মতে সুমনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

বোরহানউদ্দিন থানার ওসি এনামুল হক জানান, ২০ জুন সন্ধ্যায় চায়ের দোকানে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেয়া অবস্থায় একটি ফোন আসলে সুমন সেখান থেকে চলে যায়। আধ ঘণ্টা পর সুমনের এক খালাতো ভাই শোয়েব সুমনকে ফোন দেয়। তখনও ফোন খোলা ছিল। সুমন ফিরে না আসায় তাকে ফোন দিলে ফোনসেট বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে বোরহানউদ্দিন থানায় সুমন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় একটি জিডি করা হয়। কল লিস্ট চেক করে মোবাইল ট্র্যাকিং করে মিঠু নামে এক যুবককে সোমবার দুপুর আটক করা হয়। তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ বোরহানউদ্দিনের পক্ষিয়া ইউনিয়নের একটি পানের বরজের ভেতর মাটি খুঁড়ে সুমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ওসি আরও জানান, ধারণা করা হচ্ছে নিহত সুমনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরে আঘাতে চিহ্ন রয়েছে। মিঠু ও সুমন এক সাথে নেশা করছিল। মিঠু একাই নিহত সুমনকে মাটি চাপা দিয়েছে বলে স্বীকার করেছে। তবে কি কারণে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে তার কারণ উদঘাটনে তদন্ত করছে পুলিশ। এর আগে মিঠুকে মাদকসহ গ্রেফতার হয়েছিল।

একদিন আগে ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের বটতলায় শনিবার রাতে প্রবীর নামে এক ওষুধ ব্যবসায়ীকে হত্যা করে তার সঙ্গে থাকা পাঁচ লাখ টাকা ও ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাই করে সন্ত্রাসীরা। এর জের না কাটতেই ফের বোরহানউদ্দিনে কলেজছাত্র হত্যায় স্থানীয়ভাবে আলোচনার ঝড় ওঠে।