নোয়াখালীতে আগুনে দগ্ধ আরেকজনের মৃত্যু
jugantor
নোয়াখালীতে আগুনে দগ্ধ আরেকজনের মৃত্যু

  নোয়াখালী প্রতিনিধি  

২৩ জুন ২০২০, ১২:৪৮:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ দোকান কর্মচারী খালেদের (৭০) মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এ ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হলো।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) বার্ন ইউনিটে নেয়ার পর মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তিনি মারা যান।

সোমবার রাত ১০টার দিকে হাতিয়ার বয়ারচরে চেয়ারম্যানঘাটে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ১৫ দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

এ ছাড়া আগুনে পুড়ে মারা যান দোকান মালিক বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার গনিপুর গ্রামের বাসিন্দা মহিবুল ইসলাম নিপু (৩৭) ও কর্মচারী হাতিয়া উপজেলার দরবেশবাজার এলাকার রহমত (৩৬)।

নোয়াখালী ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, রাত ১০টার দিকে হাতিয়ার বয়ারচরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১৫ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে দগ্ধ হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় দগ্ধ খালেদ নামে আরেকজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) বার্ন ইউনিট স্থানান্তর করা হয়। সেখানে নেয়ার পর খালেদের মৃত্যু হয়।

এ ছাড়া এ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে তেল, মুদি, মোবাইল, ওষুধ ও স্পিডবোটের যন্ত্রাংশের সামগ্রীসহ বিভিন্ন পণ্যসামগ্রীর দোকান।

হাতিয়া থানার ওসি আবুল খায়ের জেলা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ও সুবর্ণচর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের বরাত দিয়ে জানান, রাতে নিহত নিপুর তেলের দোকানের পেছনে রান্না চলছিল। এ সময় ড্রামের তেল ছিটকে গিয়ে চুলোয় পড়ে। এতেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয় বলে তিনি জানতে পেরেছেন।

তিনি আরও জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় রান্নাঘরে আটকে পড়ে দগ্ধ হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়। ঢামেকে নেয়ার পর আরও একজনের মৃত্যু হয়। তার ৭০-৮০ শতাংশ দগ্ধ ছিল।

জেলা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দুটি ও সুবর্ণচর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ২ ঘণ্টার চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ক্ষতির পরিমাণ এখনই বলা সম্ভব নয়; তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।

তবে ব্যবসায়ীরা প্রায় ১০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন।

নোয়াখালীতে আগুনে দগ্ধ আরেকজনের মৃত্যু

 নোয়াখালী প্রতিনিধি 
২৩ জুন ২০২০, ১২:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ দোকান কর্মচারী খালেদের (৭০) মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এ ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হলো।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) বার্ন ইউনিটে নেয়ার পর মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তিনি মারা যান।

সোমবার রাত ১০টার দিকে হাতিয়ার বয়ারচরে চেয়ারম্যানঘাটে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ১৫ দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

এ ছাড়া আগুনে পুড়ে মারা যান দোকান মালিক বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার গনিপুর গ্রামের বাসিন্দা মহিবুল ইসলাম নিপু (৩৭) ও কর্মচারী হাতিয়া উপজেলার দরবেশবাজার এলাকার রহমত (৩৬)।

নোয়াখালী ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, রাত ১০টার দিকে হাতিয়ার বয়ারচরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১৫ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে দগ্ধ হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় দগ্ধ খালেদ নামে আরেকজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) বার্ন ইউনিট স্থানান্তর করা হয়। সেখানে নেয়ার পর খালেদের মৃত্যু হয়।

এ ছাড়া এ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে তেল, মুদি, মোবাইল, ওষুধ ও স্পিডবোটের যন্ত্রাংশের সামগ্রীসহ বিভিন্ন পণ্যসামগ্রীর দোকান।

হাতিয়া থানার ওসি আবুল খায়ের জেলা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ও সুবর্ণচর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের বরাত দিয়ে জানান, রাতে নিহত নিপুর তেলের দোকানের পেছনে রান্না চলছিল। এ সময় ড্রামের তেল ছিটকে গিয়ে চুলোয় পড়ে। এতেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয় বলে তিনি জানতে পেরেছেন।

তিনি আরও জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় রান্নাঘরে আটকে পড়ে দগ্ধ হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়। ঢামেকে নেয়ার পর আরও একজনের মৃত্যু হয়। তার ৭০-৮০ শতাংশ দগ্ধ ছিল।

জেলা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দুটি ও সুবর্ণচর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ২ ঘণ্টার চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ক্ষতির পরিমাণ এখনই বলা সম্ভব নয়; তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।

তবে ব্যবসায়ীরা প্রায় ১০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন।