অবাধে চলছে ডিমওয়ালা মা ও পোনা মাছ নিধন

  চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি ২৪ জুন ২০২০, ২১:২৬:৩৭ | অনলাইন সংস্করণ

দেশি মাছ ও শোল-টাকির পোনা

চলনবিল অধ্যুষিত পাবনার চাটমোহর উপজেলার নদ-নদী ও খাল-বিল এখন বর্ষার পানিতে টইটম্বুর। চারদিকে থৈ-থৈ পানি। বর্ষার পানি আসার সঙ্গে সঙ্গে মৎস্য ভাণ্ডার খ্যাত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই বিলে দেশীয় প্রজাতির ডিমওয়ালা মা ও পোনা মাছ নিধনের মহোৎসব শুরু হয়েছে।

নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল, বাদাই জাল, খৈলশুনিসহ মাছ ধরার নানা উপকরণ দিয়ে অবাধে চলছে মা ও পোনা মাছ ধরা। হাটে-বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে অবৈধভাবে ধরা এ সব দেশীয় প্রজাতির মা মাছ ও পোনা মাছ। আর প্রতিবছরের মতো এবারও নিশ্চুপ মৎস্য বিভাগ।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার খলিগাড়ি বিল, ডিকশির বিল, পদ্মবিল, ডেঙ্গার বিল, চিরইল বিলসহ বিভিন্ন জলাশয়ে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল, মশারি দিয়ে তৈরি নেট জাল, বেড় জাল, বাদাই জাল, খৈলশুনিসহ মাছ ধরার নানা উপকরণ দিয়ে মা মাছ ও পোনা মাছ নিধনযজ্ঞে মেতে উঠেছে একশ্রেণির অসাধু মৎস্য শিকারিরা। বিশেষ করে শৈল ও টাকি মাছের পোনা মারতে মাতোয়ারা হয়ে উঠছেন তারা। আর করোনাকালীন অলস সময় পার করতে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের মাছ শিকারের প্রবণতা আরও বেড়ে গেছে।

জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন বাজারে ডিমওয়ালা মাছ ও পোনা মাছ প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি টেংরা ৬শ’ থেকে ৮শ’ টাকা, পুঁটি ৫শ’ টাকা, মোয়া মাছ ৫-৬শ’ টাকা, ডিমওয়ালা বোয়াল বিক্রি ৬শ’ টাকা কেজি, শৈল বা টাকি মাছের পোনাও ২ থেকে ৩শ’ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, ইতিমধ্যে অভিযান চালিয়ে বেশকিছু কারেন্ট জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। আর মা মাছ নিধন রোধে এবং সবাইকে সচেতন করতে মাইকিং করা হবে। এ ছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে বলে জানান তিনি।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত