ফতুল্লার দুই সিকিউরিটি গার্ড ঘুমন্ত অবস্থায় গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়
jugantor
ফতুল্লার দুই সিকিউরিটি গার্ড ঘুমন্ত অবস্থায় গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়

  ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২৫ জুন ২০২০, ২৩:০২:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

ফতুল্লার শাসনগাও বিসিক শিল্পনগরী থেকে লাল চাঁদ রায় ও আশরাফুল ইসলাম নামে দুই সিকিউরিটি গার্ডের মাথা থেঁতলানো লাশ উদ্ধারের ঘটনায় একটি কাভার্ডভ্যান আটক করেছে পুলিশ। সিসিটিভির ফুটেজ দেখে গাড়িটি আটক করা হয়।

একই সঙ্গে কয়েকটি সিসিটিভির ফুটেজে পুলিশ দেখেছে, কাভার্ডভ্যানের চাকায় ঘুমন্ত দুই সিকিউরিটি গার্ডের পিষ্ট হওয়ার দৃশ্য।

বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থলের পাশের গলি থেকে কাভার্ডভ্যানটি আটক করে সিসিটিভি ফুটেজগুলো জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তকারী অফিসার ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (আইসিপি) আজগর আলী জানান, মঙ্গলবার ভোরে বিসিকের ২নং সড়কের ৫নং গলির লতিফ নিটিংয়ের সামনে থেকে মাথা থেঁতলানো অবস্থায় দুজনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়। ঘটনাটি নিয়ে তখন নিহতের পরিবার হত্যা দাবি করলে আশপাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলোর সিসিটিভির ফুটেজ জব্দ করে পুলিশ।

তিনি জানান, সেই কয়েকটি ফুটেজের সন্ধ্যা রাত থেকে ভোর পর্যন্ত দেখা হয়। এতে দেখা যায় তারা দুই সিকিউরিটি গার্ড লাল চাঁদ রায় (৩৮) ও আশরাফুল ইসলাম (৭০) লতিফ নিটিংয়ের সামনে কাপড় বিছিয়ে সড়কের পাশে ঘুমিয়ে ছিল। রাত যখন ৪ টা ৩৬ মিনিটে একটি কাভার্ডভ্যান ভুলে ৫নং গলিতে প্রবেশ করে। এতে চালক বুঝতে পেরে গাড়িটি দ্রুত পিছনে গিয়ে ঘুরানোর সময় ঘুমন্ত দুই সিকিউরিটি গার্ডের মাথার উপর দিয়ে চাকা উঠে যায়। বিষয়টি চালক দেখতে পেয়ে পাশের ৪নং গলিতে গাড়ি রেখে পালিয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, কাভার্ডভ্যানটি গাজীপুরের একটি নিটিং কারখানার। গাড়িটিতে ওইদিন শাকিল হোসেন নামে একজন চালক ছিল। সে বর্তমানে পলাতক। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

নিহতরা হলেন, লালমনিরহাট জেলার জলঢাকা থানার কৈমারী দোলাপাড়া গ্রামের সুরেন চন্দ্র রায়ের ছেলে লাল চাঁদ রায় (৩৮) ও নাটোর জেলার সিংড়া থানার কাদির গাছা গ্রামের মৃত. তাউজুদ্দিনের ছেলে আশরাফুল ইসলাম (৭০)। তারা দুজনই বিসিকের ২নং সড়কের ৫নং গলির লতিফ নিটিংয়ের সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

ফতুল্লার দুই সিকিউরিটি গার্ড ঘুমন্ত অবস্থায় গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়

 ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২৫ জুন ২০২০, ১১:০২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ফতুল্লার শাসনগাও বিসিক শিল্পনগরী থেকে লাল চাঁদ রায় ও আশরাফুল ইসলাম নামে দুই সিকিউরিটি গার্ডের মাথা থেঁতলানো লাশ উদ্ধারের ঘটনায় একটি কাভার্ডভ্যান আটক করেছে পুলিশ। সিসিটিভির ফুটেজ দেখে গাড়িটি আটক করা হয়।

একই সঙ্গে কয়েকটি সিসিটিভির ফুটেজে পুলিশ দেখেছে, কাভার্ডভ্যানের চাকায় ঘুমন্ত দুই সিকিউরিটি গার্ডের পিষ্ট হওয়ার দৃশ্য।

বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থলের পাশের গলি থেকে কাভার্ডভ্যানটি আটক করে সিসিটিভি ফুটেজগুলো জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তকারী অফিসার ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (আইসিপি) আজগর আলী জানান, মঙ্গলবার ভোরে বিসিকের ২নং সড়কের ৫নং গলির লতিফ নিটিংয়ের সামনে থেকে মাথা থেঁতলানো অবস্থায় দুজনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়। ঘটনাটি নিয়ে তখন নিহতের পরিবার হত্যা দাবি করলে আশপাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলোর সিসিটিভির ফুটেজ জব্দ করে পুলিশ।

তিনি জানান, সেই কয়েকটি ফুটেজের সন্ধ্যা রাত থেকে ভোর পর্যন্ত দেখা হয়। এতে দেখা যায় তারা দুই সিকিউরিটি গার্ড লাল চাঁদ রায় (৩৮) ও আশরাফুল ইসলাম (৭০) লতিফ নিটিংয়ের সামনে কাপড় বিছিয়ে সড়কের পাশে ঘুমিয়ে ছিল। রাত যখন ৪ টা ৩৬ মিনিটে একটি কাভার্ডভ্যান ভুলে ৫নং গলিতে প্রবেশ করে। এতে চালক বুঝতে পেরে গাড়িটি দ্রুত পিছনে গিয়ে ঘুরানোর সময় ঘুমন্ত দুই সিকিউরিটি গার্ডের মাথার উপর দিয়ে চাকা উঠে যায়। বিষয়টি চালক দেখতে পেয়ে পাশের ৪নং গলিতে গাড়ি রেখে পালিয়ে যায়।
 
তিনি আরও জানান, কাভার্ডভ্যানটি গাজীপুরের একটি নিটিং কারখানার। গাড়িটিতে ওইদিন শাকিল হোসেন নামে একজন চালক ছিল। সে বর্তমানে পলাতক। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

নিহতরা হলেন, লালমনিরহাট জেলার জলঢাকা থানার কৈমারী দোলাপাড়া গ্রামের সুরেন চন্দ্র রায়ের ছেলে লাল চাঁদ রায় (৩৮) ও নাটোর জেলার সিংড়া থানার কাদির গাছা গ্রামের মৃত. তাউজুদ্দিনের ছেলে আশরাফুল ইসলাম (৭০)। তারা দুজনই বিসিকের ২নং সড়কের ৫নং গলির লতিফ নিটিংয়ের সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন