বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে ব্রহ্মপুত্র-তিস্তার পানি
jugantor
বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে ব্রহ্মপুত্র-তিস্তার পানি

  গাইবান্ধা প্রতিনিধি  

২৬ জুন ২০২০, ২২:৪৪:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও কয়েকদিনের প্রবল বর্ষণে গাইবান্ধা জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় তিস্তার পানি সুন্দরগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে এবং ব্রহ্মপুত্রের পানি তিস্তামুখঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি বৃদ্ধির এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে সূত্রটি নিশ্চিত করেছে। এ ছাড়া করতোয়া ও ঘাঘট নদীর পানি বিপৎসীমার অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদী তীরবর্তী চরগুলোর নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গেছে। ফলে এ সব এলাকার বসত-বাড়ির লোকজন পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। সেই সঙ্গে পাট, পটল, কাঁচামরিচ ও শাক-সবজির ক্ষেতসহ সদ্য রোপণ করা বীজতলাগুলো তলিয়ে গেছে। পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে কয়েকটি পয়েন্টে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

সুন্দরগঞ্জের তারাপুর, কঞ্চিবাড়ী, বেলকা, হরিপুর, চণ্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদীর বিভিন্ন চর এবং ব্রহ্মপুত্রের সদর উপজেলার কামারজানি, মোল্লারচর, গিদারী ফুলছড়ির এরেন্ডবাড়ী, উড়িয়া, ফজলুপুর, ফুলছড়ি, গজারিয়া, উদাখালী, সাঘাটার ভরতখালী, হলদিয়া, ঘুড়িদহ ইউনিয়নের বিভিন্ন চরে পানি উঠতে শুরু করেছে।

ফুলছড়ির উড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মহাতাব উদ্দিন জানান, পানি বৃদ্ধির কারণে নিম্নাঞ্চলের বেশকিছু এলাকার ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অনেক মানুষ। পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে গত কয়েকদিনের ভাঙনে উড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর উড়িয়া ও কাবিলপুর এলাকার অন্তত ৪৬টি পরিবার নদী ভাঙনের শিকার হয়েছে।

সদরের কামারজানী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম জাকির বলেন, এখনও বন্যার পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেই চরাঞ্চলের মানুষদের। রাস্তাঘাট তলিয়ে গিয়ে অনেক ঘরে পানি উঠেছে। আগাম বন্যার কারণে মানুষ আতংকিত হয়ে পড়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান জানান, পানিবৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তা অববাহিকায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটবে।

বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে ব্রহ্মপুত্র-তিস্তার পানি

 গাইবান্ধা প্রতিনিধি 
২৬ জুন ২০২০, ১০:৪৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও কয়েকদিনের প্রবল বর্ষণে গাইবান্ধা জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। 

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় তিস্তার পানি সুন্দরগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে এবং ব্রহ্মপুত্রের পানি তিস্তামুখঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

পানি বৃদ্ধির এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে সূত্রটি নিশ্চিত করেছে। এ ছাড়া করতোয়া ও ঘাঘট নদীর পানি বিপৎসীমার অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদী তীরবর্তী চরগুলোর নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গেছে। ফলে এ সব এলাকার বসত-বাড়ির লোকজন পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। সেই সঙ্গে পাট, পটল, কাঁচামরিচ ও শাক-সবজির ক্ষেতসহ সদ্য রোপণ করা বীজতলাগুলো তলিয়ে গেছে। পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে কয়েকটি পয়েন্টে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

সুন্দরগঞ্জের তারাপুর, কঞ্চিবাড়ী, বেলকা, হরিপুর, চণ্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদীর বিভিন্ন চর এবং ব্রহ্মপুত্রের সদর উপজেলার কামারজানি, মোল্লারচর, গিদারী ফুলছড়ির এরেন্ডবাড়ী, উড়িয়া, ফজলুপুর, ফুলছড়ি, গজারিয়া, উদাখালী, সাঘাটার ভরতখালী, হলদিয়া, ঘুড়িদহ ইউনিয়নের বিভিন্ন চরে পানি উঠতে শুরু করেছে।

ফুলছড়ির উড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মহাতাব উদ্দিন জানান, পানি বৃদ্ধির কারণে নিম্নাঞ্চলের বেশকিছু এলাকার ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অনেক মানুষ। পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে গত কয়েকদিনের ভাঙনে উড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর উড়িয়া ও কাবিলপুর এলাকার অন্তত ৪৬টি পরিবার নদী ভাঙনের শিকার হয়েছে। 

সদরের কামারজানী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম জাকির বলেন, এখনও বন্যার পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেই চরাঞ্চলের মানুষদের। রাস্তাঘাট তলিয়ে গিয়ে অনেক ঘরে পানি উঠেছে। আগাম বন্যার কারণে মানুষ আতংকিত হয়ে পড়েছে। 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান জানান, পানিবৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তা অববাহিকায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটবে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন