ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপৎসীমার ৩৪ সেমি উপরে, প্লাবিত ১১ গ্রাম 

  গাইবান্ধা প্রতিনিধি ২৭ জুন ২০২০, ২২:৩৬:১৩ | অনলাইন সংস্করণ

গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা ও ঘাঘট নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। শুক্রবার বিকাল ৩টা থেকে শনিবার বিকাল ৩টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্রের পানি তিস্তামুখ ঘাট পয়েন্টে ৩৫ সেমি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৩৪ সেমি উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

অপরদিকে ঘাঘট নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে শনিবার বিকাল ৩টায় বিপৎসীমার ৩ সেমি উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এ ছাড়া তিস্তা নদীর পানি সুন্দরগঞ্জ উপজেলা সদরের পুরনো পয়েন্টে সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ১৫ সেমি উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

সুন্দরগঞ্জের ৭টি ইউনিয়ন, গাইবান্ধা সদরের ৩টি, ফুলছড়ির ৬টি ও সাঘাটার ৩টি ইউনিয়ন বন্যাকবলিত হয়ে পড়ায় ঘর-বাড়িতে পানি ওঠায় প্রায় ১৫ হাজার লোক এখন পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এ সব এলাকায় রাস্তাঘাট ডুবে গেছে। কোথাও কোথাও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পানি উঠেছে। গাইবান্ধা-বালাসীঘাট সড়কটির ভাষারপাড়া এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরগঞ্জের তারাপুর, বেলকা, কঞ্চিপাড়া, হরিপুর, কাপাসিয়া, শ্রীপুর ও চণ্ডিপুর, সদর উপজেলার কামারজানি, মোল্লারচর ও গিদারী, ফুলছড়ির এরেন্ডবাড়ি, ফজলুপুর, ফুলছড়ি, গজারিয়া, উড়িয়া ও উদাখালী এবং সাঘাটার ভরতখালী, ঘুড়িদহ ও হলদিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। বাড়ি-ঘরে পানি ওঠায় ওই সব বন্যাকবলিত মানুষ গবাদিপশু নিয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ অথবা উঁচু স্থানে গিয়ে আশ্রয় নিচ্ছে।

বন্যাকবলিত ফুলছড়ির বালাসীঘাট এলাকার মানুষের অভিযোগ, সৈয়দপুর ঘাট হতে বালাসীঘাট পর্যন্ত পুরনো বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের কয়েকটি স্থানে গত বছর পানির তোড়ে ভেঙে যাওয়ার পর সেটি আর মেরামত না করায় ভাষারপাড়া ও মাঝিপাড়া গ্রাম দুটি তলিয়ে গেছে। বন্যার পানিতে গাইবান্ধা-বালাসী সড়কের ভাষারপাড়া এলাকায় আধা কিলোমিটার এলাকা তলিয়ে গেছে।

ফজলুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হানিফ প্রামাণিক জানান, পানি বৃদ্ধির সঙ্গে নদীভাঙনও ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। গত কয়েকদিনে উত্তর খাটিয়ামারী বাজারের মহিলা মার্কেট, দক্ষিণ খাটিয়ামারী গ্রামের একটি কালভার্ট, কয়েকটি গ্রামের লোকজনের বসত-বাড়ি ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

এ দিকে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে ৪টি উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত