মনিরামপুরে কালোবাজারে ৫৪৯ বস্তা চাল বিক্রি করেন উত্তম চক্রবর্তী

  যশোর ব্যুরো ২৮ জুন ২০২০, ২২:৩৪:১৫ | অনলাইন সংস্করণ

যশোরের মনিরামপুরে সরকারি ১৬ মেট্রিক টন (৫৪৯ বস্তা) চাল কালোবাজারে বিক্রির ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। ওই চাল কালোবাজারে বিক্রি করেছিলেন মনিরামপুর উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চু।

শনিবার যশোর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহাদী হাসানের আদালতে এই স্বীকারোক্তি দিয়েছেন আসামি জগদীশ দাস। এর আগে একাধিক আসামিও স্বীকারোক্তি দিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির ওসি মারুফ আহমেদ জানান, আসামি জগদীশ দাসকে শনিবার গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। সে আদালতে জবানবন্দিতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। তার দেয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত প্রকাশ করা যাচ্ছে না।

জানা গেছে, মনিরামপুর উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চুর নেতৃত্বেই কাবিখার চাল-গম বিক্রির সিন্ডিকেট রয়েছে। ওই সিন্ডিকেটের সদস্যরা হলেন মনিরামপুর মিল মালিক সমিতির সভাপতি শহিদুল ইসলাম, জুড়ানপুর গ্রামের জগদীশ চন্দ্র দাস, আবদুল কুদ্দুস, ভোজগাতি গ্রামের মোহাম্মদ মঞ্জু, অষ্টম দাশ, উত্তম কুমার দাশ, স.ম আলাউদ্দিন।

শনিবার আদালতে স্বীকারোক্তিতে জগদীশ দাস জানিয়েছে, গত ৩০ মার্চ উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চু ১৬ টন সরকারি চাল বিক্রি করেন ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকায় ভাই ভাই রাইস মিলের মালিক আবদুল্লাহ আল মামুনের কাছে। চাল বিক্রির স্থান শহিদুল ইসলাম দেখিয়ে দেন।

এরপর ৩ এপ্রিল খুলনার মানিকতলা খাদ্য গুদাম থেকে ৫৫৫ বস্তা চাল ট্রাকে লোড করে মনিরামপুরের উদ্দেশে রওনা হন চালক ফরিদ হাওলাদার। তিনি ৪ এপ্রিল রাত দেড়টার দিকে মনিরামপুর খাদ্য গুদামে পৌঁছান। ওই দিন দুপুরে মণিরামপুর খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান ট্রাকচালক ফরিদ হাওলাদারকে ওই চাল বিজয়রামপুরে অবস্থিত আবদুল্লাহ আল মামুনের ভাই ভাই রাইস মিলে আনলোড করার নির্দেশ দেন। তার নির্দেশনা মোতাবেক রাইস মিলে চাল আনলোড করতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন।

এ ঘটনায় মনিরামপুর থানায় একটি মামলা হয়। ডিবি পুলিশ ওই মামলার তদন্তকালে সরকারি চাল চুরির সঙ্গে জগদীশ দাসের সম্পৃক্ততা পায়। তাকে শনিবার ভোরে বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত