সুন্দরবনে মাছ ধরা নিষিদ্ধ হচ্ছে
jugantor
সুন্দরবনে মাছ ধরা নিষিদ্ধ হচ্ছে

  রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি  

২৯ জুন ২০২০, ২২:২৯:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

সুন্দরবনের সব নদী ও খালে ১ জুলাই থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বন বিভাগ। এই দুই মাস বেশিরভাগ মাছের প্রজনন মৌসুম থাকায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বন বিভাগ।

এ জন্য ২৪ জুন থেকে সুন্দরবনে প্রবেশের জন্য সব পাশ ও পারমিট বন্ধ রেখেছে বন বিভাগ। এর আগে গত বছরও এই দুই মাস সুন্দরবনে মাছ ধরা নিষিদ্ধ ছিল।

পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোহাম্মাদ বেলায়েত হোসেন যুগান্তরকে বলেন, সুন্দরবনে মৎস্য সম্পদ রক্ষায় ইন্টিগ্রেটেড রিসোর্সেস ম্যানেজমেন্ট প্ল্যানস এর (আইআরএমপি) সুপারিশ অনুযায়ী ২০১৯ সালে সুন্দরবন বন বিভাগ একটি চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছে। যার অংশ হিসেবে প্রতিবছর ১ জুলাই থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনের (পূর্ব ও পশ্চিম) সব নদী ও খালে মাছ আহরণ বন্ধ থাকবে।

তিনি বলেন, এই দুই মাস সুন্দরবনের নদী খালে থাকা বেশির ভাগ মাছের প্রজনন মৌসুম। যার ফলে এই সময় মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকলে সুন্দরবনের নদী খালে যেমন মাছ বৃদ্ধি পাবে, তেমনি অন্যান্য প্রাণি, উদ্ভিদসহ সব জীবের ক্ষেত্রে ইতিবাচক দৃশ্যমান ভূমিকা রাখবে। পরবর্তী কোনো সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত প্রতিবছর একই সময়ে সুন্দরবনের অভ্যন্ত মাছ আহরণ নিষিদ্ধ চলমান থাকবে। এই সময়ে চোরা শিকারিরা যাতে মেতে না উঠতে পারে সে জন্য বনে টহল আরও জোরদার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা ২৪ জুন থেকে সুন্দরবনে প্রবেশের জন্য জেলেদের পাশ পারমিট দেয়া বন্ধ রেখেছি। ২৩ তারিখ পর্যন্ত যাদেরকে পাশ পারমিট দেয়া হয়েছে তাদেরকে অবশ্যই ৩০ জুনের মধ্যে ফিরে আসতে হবে। ৩০ জুনের পরে কাউকে বনের মধ্যে পেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোরতর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।

সুন্দরবনে মাছ ধরা নিষিদ্ধ হচ্ছে

 রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি 
২৯ জুন ২০২০, ১০:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সুন্দরবনের সব নদী ও খালে ১ জুলাই থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বন বিভাগ। এই দুই মাস বেশিরভাগ মাছের প্রজনন মৌসুম থাকায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বন বিভাগ।

এ জন্য ২৪ জুন থেকে সুন্দরবনে প্রবেশের জন্য সব পাশ ও পারমিট বন্ধ রেখেছে বন বিভাগ। এর আগে গত বছরও এই দুই মাস সুন্দরবনে মাছ ধরা নিষিদ্ধ ছিল।

পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোহাম্মাদ বেলায়েত হোসেন যুগান্তরকে বলেন, সুন্দরবনে মৎস্য সম্পদ রক্ষায় ইন্টিগ্রেটেড রিসোর্সেস ম্যানেজমেন্ট প্ল্যানস এর (আইআরএমপি) সুপারিশ অনুযায়ী ২০১৯ সালে সুন্দরবন বন বিভাগ একটি চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছে। যার অংশ হিসেবে প্রতিবছর ১ জুলাই থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনের (পূর্ব ও পশ্চিম) সব নদী ও খালে মাছ আহরণ বন্ধ থাকবে।

তিনি বলেন, এই দুই মাস সুন্দরবনের নদী খালে থাকা বেশির ভাগ মাছের প্রজনন মৌসুম। যার ফলে এই সময় মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকলে সুন্দরবনের নদী খালে যেমন মাছ বৃদ্ধি পাবে, তেমনি অন্যান্য প্রাণি, উদ্ভিদসহ সব জীবের ক্ষেত্রে ইতিবাচক দৃশ্যমান ভূমিকা রাখবে। পরবর্তী কোনো সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত প্রতিবছর একই সময়ে সুন্দরবনের অভ্যন্ত মাছ আহরণ নিষিদ্ধ চলমান থাকবে। এই সময়ে চোরা শিকারিরা যাতে মেতে না উঠতে পারে সে জন্য বনে টহল আরও জোরদার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা ২৪ জুন থেকে সুন্দরবনে প্রবেশের জন্য জেলেদের পাশ পারমিট দেয়া বন্ধ রেখেছি। ২৩ তারিখ পর্যন্ত যাদেরকে পাশ পারমিট দেয়া হয়েছে তাদেরকে অবশ্যই ৩০ জুনের মধ্যে ফিরে আসতে হবে। ৩০ জুনের পরে কাউকে বনের মধ্যে পেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোরতর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন