প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মেয়ে হত্যায় কারাবন্দি বাবার মৃত্যু
jugantor
প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মেয়ে হত্যায় কারাবন্দি বাবার মৃত্যু

  লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি  

৩০ জুন ২০২০, ১৪:৫৪:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ফয়েজ আহাম্মদ মনু

লক্ষ্মীপুরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে দেড় বছর বয়সী মেয়ে ফারহানা আক্তার রাহিমা হত্যা মামলার আসামি বাবা ফয়েজ আহাম্মদ মনু মারা গেছেন।

সোমবার রাতে বুকে ব্যথা উঠলে তাকে জেলা কারাগার থেকে সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন তিনি মারা যান।

মৃত ফয়েজ সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্ব রাজাপুর গ্রামের মৃত খোরশেদ আলমের ছেলে।

মঙ্গলবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগারের জেলার সাখাওয়াত হোসেন ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মেয়ে হত্যা মামলার আসামি ফয়েজের বুকে ব্যথা উঠলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসাধীন সেখানেই তিনি মারা যান।

ময়নাতদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সূত্র জানায়, প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে চলতি বছরের ৫ মে ফয়েজ তার মেয়ে রাহিমাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে নির্জন এলাকার ঝোঁপের ভেতর লুকিয়ে রাখেন।

একই দিন রাতে তিনি নিজেই থানায় মেয়ের নিখোঁজ ডায়েরি করেন। ৮ মে মধ্যরাতে মেয়ের মরদেহটি ঝোঁপের ভেতর থেকে উদ্ধার করে নিজ বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেন।

৯ মে সকালে নিজেই থানা পুলিশকে অবহিত করেন, তার মেয়ের মরদেহ পাওয়া গেছে টয়লেটের ট্যাংকিতে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে অর্ধগলিত মরদেহটি উদ্ধার করে।

১১ মে সকালে পুলিশ ফয়েজকে আটক করে। পরে মেয়ে হত্যার ঘটনায় স্ত্রী রাশেদা বেগম চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

একই দিন দুপুরে লক্ষ্মীপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করলে ১৬৪ ধারায় খুনের দায় স্বীকার করে ফয়েজ জবানবন্দি দেয়। আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন রায়হান চৌধুরী।

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মেয়ে হত্যায় কারাবন্দি বাবার মৃত্যু

 লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি 
৩০ জুন ২০২০, ০২:৫৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ফয়েজ আহাম্মদ মনু
ফয়েজ আহাম্মদ মনু। ছবি: যুগান্তর

লক্ষ্মীপুরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে দেড় বছর বয়সী মেয়ে ফারহানা আক্তার রাহিমা হত্যা মামলার আসামি বাবা ফয়েজ আহাম্মদ মনু মারা গেছেন।

সোমবার রাতে বুকে ব্যথা উঠলে তাকে জেলা কারাগার থেকে সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন তিনি মারা যান।

মৃত ফয়েজ সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্ব রাজাপুর গ্রামের মৃত খোরশেদ আলমের ছেলে।

মঙ্গলবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগারের জেলার সাখাওয়াত হোসেন ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মেয়ে হত্যা মামলার আসামি ফয়েজের বুকে ব্যথা উঠলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসাধীন সেখানেই তিনি মারা যান।

ময়নাতদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সূত্র জানায়, প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে চলতি বছরের ৫ মে ফয়েজ তার মেয়ে রাহিমাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে নির্জন এলাকার ঝোঁপের ভেতর লুকিয়ে রাখেন।

একই দিন রাতে তিনি নিজেই থানায় মেয়ের নিখোঁজ ডায়েরি করেন। ৮ মে মধ্যরাতে মেয়ের মরদেহটি ঝোঁপের ভেতর থেকে উদ্ধার করে নিজ বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেন।

৯ মে সকালে নিজেই থানা পুলিশকে অবহিত করেন, তার মেয়ের মরদেহ পাওয়া গেছে টয়লেটের ট্যাংকিতে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে অর্ধগলিত মরদেহটি উদ্ধার করে।

১১ মে সকালে পুলিশ ফয়েজকে আটক করে। পরে মেয়ে হত্যার ঘটনায় স্ত্রী রাশেদা বেগম চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।
 
একই দিন দুপুরে লক্ষ্মীপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করলে ১৬৪ ধারায় খুনের দায় স্বীকার করে ফয়েজ জবানবন্দি দেয়। আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন রায়হান চৌধুরী।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন