তাহিরপুরে ঝগড়া থামাতে গিয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু
jugantor
তাহিরপুরে ঝগড়া থামাতে গিয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু

  যুগান্তর রিপোর্ট, তাহিরপুর  

৩০ জুন ২০২০, ২৩:১০:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

পারিবারিক ঝগড়া থামাতে গিয়ে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে আবদুল জব্বার (৬২) নামে এক বৃদ্ধ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। মঙ্গলবার রাতে এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

নিহত জব্বার উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের দুর্লভপুর গ্রামের মৃত আলীর ছেলে।

তাহিরপুর থানার ওসি মো. আতিকুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, নিহতের ছেলে হৃদয় মিয়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেছেন। তিনি বলেন, উপজেলার দুর্লভপুর গ্রামে থাকা একটি সরকারিভাবে স্থাপিত টিউবওয়েল হতে সোমবার বিকালে প্রথমে পানি সংগ্রহ করতে যান ওই গ্রামের মহিবুর রহমানের স্ত্রী রত্না বেগম। ওই টিউবওয়েল থেকে আগে পানি সংগ্রহ করা নিয়ে প্রতিবেশী জা (চাচা শ্বশুরের বড় ছেলে আব্দুল জব্বারের স্ত্রী) রোকশানা বেগমের সঙ্গে কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন। পরে ওই ঝগড়ায় যোগ দেন জব্বারের ছেলে হৃদয়, চাচাত ভাই মহিবুরের ছেলে দেলোয়ার হোসেন দিলুসহ উভয় পরিবারের পুরুষ এবং নারীরা।

এ ঝগড়া থামাতে এগিয়ে আসেন আবদুল জব্বার। ঝগড়া থামানোর একপর্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে পরিবারের লোকজন পার্শ্ববর্তী নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মঙ্গলবার বিকালে পুলিশ দুর্লভপুর গ্রামে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

তাহিরপুরে ঝগড়া থামাতে গিয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু

 যুগান্তর রিপোর্ট, তাহিরপুর 
৩০ জুন ২০২০, ১১:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পারিবারিক ঝগড়া থামাতে গিয়ে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে আবদুল জব্বার (৬২) নামে এক বৃদ্ধ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। মঙ্গলবার রাতে এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

নিহত জব্বার উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের দুর্লভপুর গ্রামের মৃত আলীর ছেলে।

তাহিরপুর থানার ওসি মো. আতিকুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, নিহতের ছেলে হৃদয় মিয়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেছেন। তিনি বলেন, উপজেলার দুর্লভপুর গ্রামে থাকা একটি সরকারিভাবে স্থাপিত টিউবওয়েল হতে সোমবার বিকালে প্রথমে পানি সংগ্রহ করতে যান ওই গ্রামের মহিবুর রহমানের স্ত্রী রত্না বেগম। ওই টিউবওয়েল থেকে আগে পানি সংগ্রহ করা নিয়ে প্রতিবেশী জা (চাচা শ্বশুরের বড় ছেলে আব্দুল জব্বারের স্ত্রী) রোকশানা বেগমের সঙ্গে কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন। পরে ওই ঝগড়ায় যোগ দেন জব্বারের ছেলে হৃদয়, চাচাত ভাই মহিবুরের ছেলে দেলোয়ার হোসেন দিলুসহ উভয় পরিবারের পুরুষ এবং নারীরা।

এ ঝগড়া থামাতে এগিয়ে আসেন আবদুল জব্বার। ঝগড়া থামানোর একপর্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে পরিবারের লোকজন পার্শ্ববর্তী নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মঙ্গলবার বিকালে পুলিশ দুর্লভপুর গ্রামে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন