পটুয়াখালীতে নদীর পাড়ে ব্যবসায়ীর ক্ষত-বিক্ষত লাশ
jugantor
পটুয়াখালীতে নদীর পাড়ে ব্যবসায়ীর ক্ষত-বিক্ষত লাশ

  পটুয়াখালী ও দক্ষিণ প্রতিনিধি  

০২ জুলাই ২০২০, ১৬:৫৭:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালীতে মামুন হাওলাদার (৩৫) নামে এক জুতা ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার সকালে একটি ইট ভাটার পাশ থেকে মামুনের ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

মামুন পটুয়াখালী পৌর শহরের নিউ মার্কেট চত্বরের নাজ সুজ দোকানের মালিক ছিলেন। তিনি পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের মিঠাপুর গ্রামের মৃত ছোহরাব হাওলাদারের ছেলে।

নিহত মামুনের চাচা হাসেম হাওলাদার জানান, বুধবার রাত ৮টার দিকে মামুনের মোবাইলে একাধিকবার কল আসে। ওই কল পেয়ে মামুন তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী শারমিনকে ঘরের ভেতর রেখে বেরিয়ে যান। এ সময় স্ত্রী যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তাকে চুপ থাকতে বলেন তিনি। ঘর থেকে বের হয়ে মামুন চাচার কাছে এসে তার ব্যবহৃত নৌকা নিয়ে নদী পার হয়ে নদীর ওপাড়ে যাওয়ার কথা বলে।

মামুনের চাচা আরও জানান, নদীর ওপাড়ে এক অসুস্থ্ লোককে দেখতে যাবে বলে মামুন তার চাচাকে জানান। এর পরে ওই রাতে মামুন আর ঘরে ফিরে আসেননি। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে মামুনের পরিবার মামুনকে খুঁজতে বের হলে স্থানীয় লাউকাঠি-লোহালিয়া নদীর পাড়ে ক্ষত-বিক্ষত লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা।

পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আখতার মোর্শেদ জানান, মামুনের পিঠে তিনটিসহ শরীরে মোট ১২টি কোপের দাগ রয়েছে। পূর্ব শত্রুতার জেরে খুব কাছের বা পরিচিত কোনো প্রতিপক্ষ তাকে হত্যা করে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পটুয়াখালীতে নদীর পাড়ে ব্যবসায়ীর ক্ষত-বিক্ষত লাশ

 পটুয়াখালী ও দক্ষিণ প্রতিনিধি 
০২ জুলাই ২০২০, ০৪:৫৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালীতে মামুন হাওলাদার (৩৫) নামে এক জুতা ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার সকালে একটি ইট ভাটার পাশ থেকে মামুনের ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। 

মামুন পটুয়াখালী পৌর শহরের নিউ মার্কেট চত্বরের নাজ সুজ দোকানের মালিক ছিলেন। তিনি পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের মিঠাপুর গ্রামের মৃত ছোহরাব হাওলাদারের ছেলে। 

নিহত মামুনের চাচা হাসেম হাওলাদার জানান, বুধবার রাত ৮টার দিকে মামুনের মোবাইলে একাধিকবার কল আসে। ওই কল পেয়ে মামুন তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী শারমিনকে ঘরের ভেতর রেখে বেরিয়ে যান। এ সময় স্ত্রী যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তাকে চুপ থাকতে বলেন তিনি। ঘর থেকে বের হয়ে মামুন চাচার কাছে এসে তার ব্যবহৃত নৌকা নিয়ে নদী পার হয়ে নদীর ওপাড়ে যাওয়ার কথা বলে।

মামুনের চাচা আরও জানান, নদীর ওপাড়ে এক অসুস্থ্ লোককে দেখতে যাবে বলে মামুন তার চাচাকে জানান। এর পরে ওই রাতে মামুন আর ঘরে ফিরে আসেননি। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে মামুনের পরিবার মামুনকে খুঁজতে বের হলে স্থানীয় লাউকাঠি-লোহালিয়া নদীর পাড়ে ক্ষত-বিক্ষত লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। 

পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আখতার মোর্শেদ জানান, মামুনের পিঠে তিনটিসহ শরীরে মোট ১২টি কোপের দাগ রয়েছে। পূর্ব শত্রুতার জেরে খুব কাছের বা পরিচিত কোনো প্রতিপক্ষ তাকে হত্যা করে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন