দারিদ্র্যের সুযোগ নিয়ে ধর্ষণে কলেজছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, থানায় মামলা
jugantor
দারিদ্র্যের সুযোগ নিয়ে ধর্ষণে কলেজছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, থানায় মামলা

  পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি  

০৩ জুলাই ২০২০, ২০:৩২:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

নওগাঁর পত্নীতলায় দারিদ্র্যের সুযোগ নিয়ে ভাগে জমি চাষ করা কৃষকের মেয়েকে বিয়ের প্রলোভনে জোর করে ধর্ষণ করেছে জোতদার কামরুজ্জামান সরকার (৪০)। পরে ওই কলেজছাত্রীকে বিয়ে করতে অস্বীকার করায় তার পিতা গত ২৮ জুন পত্নীতলা থানায় মামলা করেছেন।

এ দিকে ধর্ষণের শিকার কলেজছাত্রী বর্তমানে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। কলেজছাত্রীর পরিবারের দারিদ্রতার সুযোগ নিয়ে একটি মহল বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার পাঁয়তারা করছে বলে জানা গেছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ওই ছাত্রীর পিতা উপজেলার পাটিচরা ইউনিয়নের পশ্চিম পাটিচরা গ্রামের মোজাফ্ফর রহমানের পুত্র কামরুজ্জামান সরকারের জমি ভাগে চাষ করতেন। সে সুবাদে অবিবাহিত কামরুজ্জামান তার বাড়িতে আসা-যাওয়া করত। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪টায় কামরুজ্জামান বাড়িতে মেয়েকে একা পেয়ে জোর করে ধর্ষণ করেন। এ সময় ছাত্রীর চিৎকারে আশপাশের কয়েকজন লোক এগিয়ে এসে কামরুজ্জামানকে আটক করেন।

এ সময় ধর্ষক কামরুজ্জামান ওই মেয়েকে বিয়ে করবে বলে উপস্থিত সবার সামনে প্রতিশ্রুতি দিয়ে চলে যান। এরপর থেকেই কামরুজ্জামান টালবাহানা শুরু করেন এবং একপর্যায়ে বিয়ে করতে অস্বীকার করেন।

এর মধ্যে ওই ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন। গত ২২ এপ্রিল পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে পরীক্ষা করে দেখা যায় মেয়েটি ৯ সপ্তাহ ২ দিনের অন্তঃসত্ত্বা। পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি আপোষ-মীমাংসা করতে ব্যর্থ হওয়ায় তিনি ২৮ জুন পত্নীতলা থানায় এজাহার দাখিল করেন।

এ বিষয়ে শুক্রবার সকাল ১০টায় পত্নীতলা থানার ওসি পরিমল কুমার চক্রবর্তী জানান, এ ঘটনায় দেয়া এজাহার শুক্রবার মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে।

দারিদ্র্যের সুযোগ নিয়ে ধর্ষণে কলেজছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, থানায় মামলা

 পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি 
০৩ জুলাই ২০২০, ০৮:৩২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নওগাঁর পত্নীতলায় দারিদ্র্যের সুযোগ নিয়ে ভাগে জমি চাষ করা কৃষকের মেয়েকে বিয়ের প্রলোভনে জোর করে ধর্ষণ করেছে জোতদার কামরুজ্জামান সরকার (৪০)। পরে ওই কলেজছাত্রীকে বিয়ে করতে অস্বীকার করায় তার পিতা গত ২৮ জুন পত্নীতলা থানায় মামলা করেছেন।

এ দিকে ধর্ষণের শিকার কলেজছাত্রী বর্তমানে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। কলেজছাত্রীর পরিবারের দারিদ্রতার সুযোগ নিয়ে একটি মহল বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার পাঁয়তারা করছে বলে জানা গেছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ওই ছাত্রীর পিতা উপজেলার পাটিচরা ইউনিয়নের পশ্চিম পাটিচরা গ্রামের মোজাফ্ফর রহমানের পুত্র কামরুজ্জামান সরকারের জমি ভাগে চাষ করতেন। সে সুবাদে অবিবাহিত কামরুজ্জামান তার বাড়িতে আসা-যাওয়া করত। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪টায় কামরুজ্জামান বাড়িতে মেয়েকে একা পেয়ে জোর করে ধর্ষণ করেন। এ সময় ছাত্রীর চিৎকারে আশপাশের কয়েকজন লোক এগিয়ে এসে কামরুজ্জামানকে আটক করেন।

এ সময় ধর্ষক কামরুজ্জামান ওই মেয়েকে বিয়ে করবে বলে উপস্থিত সবার সামনে প্রতিশ্রুতি দিয়ে চলে যান। এরপর থেকেই কামরুজ্জামান টালবাহানা শুরু করেন এবং একপর্যায়ে বিয়ে করতে অস্বীকার করেন।

এর মধ্যে ওই ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন। গত ২২ এপ্রিল পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে পরীক্ষা করে দেখা যায় মেয়েটি ৯ সপ্তাহ ২ দিনের অন্তঃসত্ত্বা। পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি আপোষ-মীমাংসা করতে ব্যর্থ হওয়ায় তিনি ২৮ জুন পত্নীতলা থানায় এজাহার দাখিল করেন।

এ বিষয়ে শুক্রবার সকাল ১০টায় পত্নীতলা থানার ওসি পরিমল কুমার চক্রবর্তী জানান, এ ঘটনায় দেয়া এজাহার শুক্রবার মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন