৪৪ বছরের পুরনো স্কুল যমুনাগর্ভে, হুমকিতে দু’শতাধিক পরিবার

  গাইবান্ধা প্রতিনিধি ০৩ জুলাই ২০২০, ২১:৫৭:৩০ | অনলাইন সংস্করণ

টানা বর্ষণ আর উজানের ঢলে সৃষ্ট বন্যার পানি কমতে থাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। যমুনা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার গোবিন্দপুর উচ্চবিদ্যালয়।

হুমকিতে আশপাশের দু’শতাধিক বসতবাড়ি। স্থানীয়রা ঘরবাড়ি সরিয়ে অন্যত্র নিয়ে যাচ্ছে।

সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের আবুল কাশেমের ছেলে আব্দুল করিম জানান, তারা চারবার নদী ভাঙনের শিকার হয়ে বসত বেঁধেছেন গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০ গজ উত্তরে গোবিন্দপুর গ্রামে। নেই জমিজমা, কষ্টের সংসারে বাড়ির জায়গা ছিল শেষ সম্বল। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনার করাল গ্রাসে গোবিন্দপুর উচ্চবিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন। তাই ঘরবাড়ি ভেঙে নিয়ে অজানার উদ্দেশে পাড়ি দিতে হচ্ছে।

ভাঙনের শিকার আব্দুল করিম বলেন, সরকারের কাছে ত্রাণ বা সাহায্য চাই না। আমরা চাই নদী ভাঙনের স্থায়ী সমাধান।

গোবিন্দপুর উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবুল কাশেম বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠসহ দু'টি ক্লাসরুম নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। যে কোনো সময় সম্পূর্ণ ভবনটি নদীতে বিলীন হতে পারে। তাই আমরা বাকি ক্লাসরুমগুলো সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।

বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা আমজাদ হোসেন জানান, আমি এই বিদ্যালয় ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠা করি। এই স্কুলটির শিক্ষার্থীরা ভালো রেজাল্ট নিয়ে উপজেলার সেরা স্কুল হিসেবে ৪বার নির্বাচিত হয়েছে। এখন বিদ্যালয়টি যমুনা নদীগর্ভে যাওয়ায় আমি হতাশায়। দ্রুত সরকারিভাবে ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেয়া না হলে এ এলাকার দু'শতাধিক পরিবার গৃহহীন হবে।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান জানান, গোবিন্দপুর উচ্চবিদ্যালয়ের নদী ভাঙন প্রতিরোধে শনিবারের মধ্যে কাজ শুরু করা হবে।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত