সুমনের বেঁচে ফেরাটা অপরাধ? প্রশ্ন পরিবারের
jugantor
লঞ্চডুবির ১৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার
সুমনের বেঁচে ফেরাটা অপরাধ? প্রশ্ন পরিবারের

  যুগান্তর রিপোর্ট, মুন্সীগঞ্জ  

০৪ জুলাই ২০২০, ১২:৩৯:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

সুমন বেপারী

রাজধানীর শ্যামবাজার এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীতে ‘মর্নিং বার্ড’ লঞ্চডুবির ঘটনায় ১৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার হওয়া সুমন বেপারী ‘পালিয়ে গেছেন’ বলে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। তবে বিষয়টি অসত্য বলে নিশ্চিত করেছেন সুমনের পরিবারের সদস্যরা।

তারা বলছেন, সুমন হাসপাতালেই ভর্তি রয়েছেন। ১৩ ঘণ্টা পর জীবিত বেঁচে ফেরা নিয়ে অনেকের সমালোচনার মুখে পরতে হচ্ছে তাকে।

এমনকি পরিবারকে নিয়েও নানা বাজে মন্তব্য করা হয়। তাহলে কি সুমনের বেঁচে ফেরাটা অন্যায় হয়েছে? অপরাধ হয়েছে? প্রশ্ন সুমন বেপারীর পরিবারের।

শনিবার সুমন বেপারীর ভাই শাহীন জানান, আমার ভাই সুমন পালিয়ে যাবে কেন? তিনি মিটফোর্ড হাসতাপালের ৩নং ভবনের ১নং ওয়ার্ডে ১৪নং বেডে ভর্তি রয়েছেন। হাসপাতালে আসলেই দেখা যাবে তাকে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে ৩নং ভবনে ভর্তি করা হয় তাকে। এর আগে উদ্ধার হওয়ার পর তাৎক্ষণিক ২নং ভবনের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়েছিলো সুমন বেপারীকে।

শাহীন বেপারী আরও বলেন, ভাইকে নিয়ে নানা গুজব রটানো হচ্ছে। যে যা বলার বলুক। আল্লাহর রহমতে ভাই বেঁচে ফিরেছেন এতেই শুকরিয়া। সবার কাছে দোয়া চাই আমার ছোট ভাই সুমন যেন তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে ওঠে। তবে কষ্ট পাই যখন ভাইয়ের এই বেঁচে ফেরা নিয়ে অনেকের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়।

এমনকি আমাদের পরিবারকে নিয়েও নানা বাজে মন্তব্য করা হয়। তখনই প্রশ্ন জাগে তাহলে কি আমার ভাই সুমনের বেঁচে ফেরাটা অন্যায় হয়েছে? অপরাধ হয়েছে?’

উল্লেখ্য, গত সোমবার সকালে মুন্সীগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা ‘মর্নিং বার্ড’ লঞ্চটি সদরঘাটের অদূরে শ্যামবাজার ময়ূর-২ লঞ্চের ধাক্কায় ডুবে যায়। ঘটনার দিন রাত ১০টার দিকে লঞ্চটি টেনে তোলার সময় জীবিত অবস্থায় উদ্ধার হয় সুমন বেপারী।

লঞ্চডুবির ১৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার

সুমনের বেঁচে ফেরাটা অপরাধ? প্রশ্ন পরিবারের

 যুগান্তর রিপোর্ট, মুন্সীগঞ্জ 
০৪ জুলাই ২০২০, ১২:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সুমন বেপারী
সুমন বেপারী। ছবি: যুগান্তর

রাজধানীর শ্যামবাজার এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীতে ‘মর্নিং বার্ড’ লঞ্চডুবির ঘটনায় ১৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার হওয়া সুমন বেপারী ‘পালিয়ে গেছেন’ বলে গুজব ছড়ানো হচ্ছে।  তবে বিষয়টি অসত্য বলে নিশ্চিত করেছেন সুমনের পরিবারের সদস্যরা।

তারা বলছেন, সুমন হাসপাতালেই ভর্তি রয়েছেন। ১৩ ঘণ্টা পর জীবিত বেঁচে ফেরা নিয়ে অনেকের সমালোচনার মুখে পরতে হচ্ছে তাকে।  

এমনকি পরিবারকে নিয়েও নানা বাজে মন্তব্য করা হয়।  তাহলে কি সুমনের বেঁচে ফেরাটা অন্যায় হয়েছে? অপরাধ হয়েছে? প্রশ্ন সুমন বেপারীর পরিবারের।

শনিবার সুমন বেপারীর ভাই শাহীন জানান, আমার ভাই সুমন পালিয়ে যাবে কেন? তিনি মিটফোর্ড হাসতাপালের ৩নং ভবনের ১নং ওয়ার্ডে ১৪নং বেডে ভর্তি রয়েছেন।  হাসপাতালে আসলেই দেখা যাবে তাকে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে ৩নং ভবনে ভর্তি করা হয় তাকে। এর আগে উদ্ধার হওয়ার পর তাৎক্ষণিক ২নং ভবনের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়েছিলো সুমন বেপারীকে।

শাহীন বেপারী আরও বলেন, ভাইকে নিয়ে নানা গুজব রটানো হচ্ছে। যে যা বলার বলুক। আল্লাহর রহমতে ভাই বেঁচে ফিরেছেন এতেই শুকরিয়া। সবার কাছে দোয়া চাই আমার ছোট ভাই সুমন যেন তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে ওঠে। তবে কষ্ট পাই যখন ভাইয়ের এই বেঁচে ফেরা নিয়ে অনেকের  সমালোচনার মুখে পড়তে হয়।

এমনকি আমাদের পরিবারকে নিয়েও নানা বাজে মন্তব্য করা হয়। তখনই প্রশ্ন জাগে তাহলে কি আমার ভাই সুমনের বেঁচে ফেরাটা অন্যায় হয়েছে? অপরাধ হয়েছে?’

উল্লেখ্য, গত সোমবার সকালে মুন্সীগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা ‘মর্নিং বার্ড’ লঞ্চটি সদরঘাটের অদূরে শ্যামবাজার ময়ূর-২ লঞ্চের ধাক্কায় ডুবে যায়। ঘটনার দিন রাত ১০টার দিকে লঞ্চটি টেনে তোলার সময় জীবিত অবস্থায় উদ্ধার হয় সুমন বেপারী।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন