নদী ভাঙনে কুশিয়ারা তীরের মানুষ দিশেহারা

  অনলাইন ডেস্ক ০৫ জুলাই ২০২০, ২৩:৩৮:৩৭ | অনলাইন সংস্করণ

নদী ভাঙন অব্যাহত থাকলে এলাকা টিকিয়ে রাখা অসম্ভব হবে। ছবি: সংগৃহীত

চোখের সামনে কৃষকের একমাত্র সম্বল আবাদী জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। আর তা চেয়ে চেয়ে দেখতে হচ্ছে অসহায় কৃষককে। সিলেটের গোলাপগঞ্জের শরীফগঞ্জ ইউনিয়নে এমন দৃশ্য এখন নৈমিত্তিক ঘটনা।

কুশিয়ারা নদীর ভাঙনে শত শত বাড়িঘর, মসজিদ, বিদ্যালয়, হাটবাজারসহ বিস্তীর্ণ জনপদ হারিয়ে যাচ্ছে। অথচ দেখার কেউ যেন নেই। এ জনপদকে রক্ষার ব্যাপারে নেই কারো কোনো উদ্যোগ।

এলাকাবাসী বাধ্য হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

গত কয়েক বছর ধরে গোলাপগঞ্জে সর্বনাশা কুশিয়ারা নদীর অব্যাহত ভাঙনে নদী পারের শত শত ঘরবাড়ী বিলীন হয়ে গেছে। মাথা গুজার ঠাই হারিয়ে এসব লোকজন অনত্র বসবাস করছেন। নদী ভাঙ্গন অব্যাহত থাকলেও ভাঙ্গন রোধে কোন উদ্যোগ নেই জন প্রতিনিধিদের।

সরেজমিন বাদেপাশা ইউনিয়নের গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিনিয়ত এই এলাকার মানুষের ঘরবাড়ি নদীর গর্ভে বিলিন হচ্ছে। এ নিয়ে অতীতে সংবাদমাধ্যমে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও সমস্যা সমাধানে কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

খোজঁ নিয়ে জানা যায় , উপজেলার কুশিয়ারা নদীর ভাঙনে শরিফগঞ্জ, বাদেপাশা, বুধবারীবাজার, ভাদেশ্বর ইউনিয়নের একাংশ রয়েছে হুমকির মুখে। একের পর নদী পাড়ের ঘরবাড়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেশ কয়েকটি হাট-বাজারসহ অনেক স্থাপনা ভাঙনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

ইতিমধ্যে কুশিয়ারা অঞ্চলের অন্যতম শরীফগঞ্জ বাজার নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এ ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানওও রয়েছে নদী ভাঙন ঝুঁকিতে। পনাইর চক উচ্চ বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর ইতিমধ্যে নদীগর্ভে চলে গেছে। খাটকাই-মেহেরপুর ডাইক রাস্তার বেশ কয়েকটি স্থানে নদীর ভাঙনে নদীগর্ভে চলে গেছে। এতে করে এসব এলাকার লোকজনদের বিকল্প রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করতে হচ্ছে।

বাগলা গ্রামের আলীম উদ্দিন জানান, একের পর কুশিয়ারা নদীর ভঙনে শত শত ঘরবাড়ী এলাকা ছেড়ে অন্য এলাকায় বসবাস করছে। আরো বেশ কয়েকটি ঘরবাড়ি ও স্থাপনা রয়েছে ঝুঁকির মধ্যে।

জনপ্রতিনিধিদের বারবার অবগত করলেও কোন কাজ হচ্ছে না।

মুল্লার কোনা গ্রামের ছামাদ আহমদ জানান, কুশিয়ারা নদী ধীরে ধীরে বাদেপাশা ইউনিয়ন খেয়ে ফেলছে। এভাবে নদী ভাঙন অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে এ ইউনিয়নের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।

আমকুনা খাগাইল গ্রামের তারেক আহমদ জানান, এসব এলাকার নদী ভাঙনের কবল থেকে রক্ষা করতে ব্লক স্থাপন করতে হবে।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত