পীরগঞ্জে গৃহবধূর হাত-পা বেঁধে নির্যাতন, উদ্ধার করল পুলিশ
jugantor
পীরগঞ্জে গৃহবধূর হাত-পা বেঁধে নির্যাতন, উদ্ধার করল পুলিশ

  পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি  

০৬ জুলাই ২০২০, ২২:৪৯:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

রংপুরের পীরগঞ্জে যৌতুকের টাকা আদায়ে পাষণ্ড স্বামী জুয়েল মিয়া (৩৫) তার স্ত্রী নুরুন্নাহার বেগম মুন্নীকে (২৮) হাত-পা বেঁধে মারধর করেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ওই গৃহবধূকে হাত বাঁধা আহত অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে ওই গৃহবধূর পরিবার তাকে পীরগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

সোমবার বিকালে উপজেলার শানেরহাট ইউনিয়নের কাজীরপাড়া গ্রাম থেকে আহত গৃহবধূকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থেকেই জুয়েলের পরিবারের লোকজন পালিয়ে গেছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার শানেরহাট ইউনিয়নের কাজীরপাড়ার মৃত. ডিপটি মিয়ার ছেলে জুয়েল মিয়া রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ৩২নং ওয়ার্ডের ধর্মদাস মিলনপাড়ার নুরুল ইসলামের মেয়ে নুরুন্নাহার বেগম মুন্নিকে বিয়ে করে। তাদের ১০ বছরে সংসারে ১ ছেলে সন্তান জন্ম নেয়। বিয়ের পর জুয়েলকে মোটা অংকের যৌতুক দিলেও আরও ২ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে মুন্নিকে প্রায়ই মারধর করে। অসহায় মুন্নির পরিবার ওই টাকা দিতে ব্যর্থ হলে মুন্নিকে শারীরিক নির্যাতনে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনও অংশ নেয়।

একপর্যায়ে সোমবার সকালে মুন্নির স্বামী, ননদ, ভাসুর, চাচী শাশুড়িসহ কয়েকজন মুন্নির হাত-পা বেঁধে বেদম মারপিট করে বাড়িতেই ফেলে রাখে। এ খবর পেয়ে মুন্নির বাবার বাড়ির লোকজন পীরগঞ্জ থানার পুলিশের সহযোগিতা হাত বাঁধা অবস্থায় মুন্নিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করায়। তার অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

এ ঘটনায় মুন্নির বাবা নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন।

নুরুল ইসলাম বলেন, আমার মুন্নির মৃত্যুর খবর দিয়েছে। এসে দেখি তাকে হাত-পা বেঁধে বাড়ীর ভিতরে ফেলে রাখা হয়েছে।

পীরগঞ্জ থানার এসআই সুশীল রায় জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর ওই গৃহবধূকে হাত বাঁধা অবস্থায় জুয়েলের বাড়ির ভিতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

পীরগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মাসুমুর রহমান বলেন, ঘটনাটি নির্মম। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পীরগঞ্জে গৃহবধূর হাত-পা বেঁধে নির্যাতন, উদ্ধার করল পুলিশ

 পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি 
০৬ জুলাই ২০২০, ১০:৪৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রংপুরের পীরগঞ্জে যৌতুকের টাকা আদায়ে পাষণ্ড স্বামী জুয়েল মিয়া (৩৫) তার স্ত্রী নুরুন্নাহার বেগম মুন্নীকে (২৮) হাত-পা বেঁধে মারধর করেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ওই গৃহবধূকে হাত বাঁধা আহত অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে ওই গৃহবধূর পরিবার তাকে পীরগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

সোমবার বিকালে উপজেলার শানেরহাট ইউনিয়নের কাজীরপাড়া গ্রাম থেকে আহত গৃহবধূকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থেকেই জুয়েলের পরিবারের লোকজন পালিয়ে গেছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার শানেরহাট ইউনিয়নের কাজীরপাড়ার মৃত. ডিপটি মিয়ার ছেলে জুয়েল মিয়া রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ৩২নং ওয়ার্ডের ধর্মদাস মিলনপাড়ার নুরুল ইসলামের মেয়ে নুরুন্নাহার বেগম মুন্নিকে বিয়ে করে। তাদের ১০ বছরে সংসারে ১ ছেলে সন্তান জন্ম নেয়। বিয়ের পর জুয়েলকে মোটা অংকের যৌতুক দিলেও আরও ২ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে মুন্নিকে প্রায়ই মারধর করে। অসহায় মুন্নির পরিবার ওই টাকা দিতে ব্যর্থ হলে মুন্নিকে শারীরিক নির্যাতনে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনও অংশ নেয়।

একপর্যায়ে সোমবার সকালে মুন্নির স্বামী, ননদ, ভাসুর, চাচী শাশুড়িসহ কয়েকজন মুন্নির হাত-পা বেঁধে বেদম মারপিট করে বাড়িতেই ফেলে রাখে। এ খবর পেয়ে মুন্নির বাবার বাড়ির লোকজন পীরগঞ্জ থানার পুলিশের সহযোগিতা হাত বাঁধা অবস্থায় মুন্নিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করায়। তার অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

এ ঘটনায় মুন্নির বাবা নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন।

নুরুল ইসলাম বলেন, আমার মুন্নির মৃত্যুর খবর দিয়েছে। এসে দেখি তাকে হাত-পা বেঁধে বাড়ীর ভিতরে ফেলে রাখা হয়েছে।

পীরগঞ্জ থানার এসআই সুশীল রায় জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর ওই গৃহবধূকে হাত বাঁধা অবস্থায় জুয়েলের বাড়ির ভিতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

পীরগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মাসুমুর রহমান বলেন, ঘটনাটি নির্মম। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।