মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়ন না করলে দুর্ভোগ কমবে না ডিএনডিতে
jugantor
মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়ন না করলে দুর্ভোগ কমবে না ডিএনডিতে

  হোসেন চিশতী সিপলু, সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) থেকে   

০৭ জুলাই ২০২০, ১২:৪২:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) প্রজেক্টের অভ্যন্তরের জলাবদ্ধতা ধীরে ধীরে কমছে। তবে এখনও অনেক নিচু এলাকায় পানি রয়েছে। 


পুরো পানি নিষ্কাশন করতে এবং ডিএনডিকে পরিকল্পিত বাসোপযোগী করতে সেনাবাহিনীর নেয়া পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। এ জন্য দ্রুত ছাড় করতে হবে অর্থ। 


বিলম্বে অর্থছাড়ে পরিষ্কার করা খালসহ অন্য কাজ পুনরায় করতে হলে প্রকল্পের বাজেট আরও বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টদের অভিমত। 


তবে প্রকল্পের এক কর্মকর্তা বলেন, মৌখিকভাবে আমরা শুনেছি প্রয়োজনীয় অর্থছাড় দেয়া হবে। তবে এখনও আমরা কাগজ-কলমে ওই অর্থছাড়ের কোনো তথ্য পাইনি। 


তবে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান বাসযোগ্য ডিএনডি গড়তে সেনাবাহিনীর পরিচালিত ডিএনডির কাজের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আনার চেষ্টা চালাচ্ছেন। ইতোমধ্যে তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।


১৯৬২-৬৮ সালে ৮ হাজার ৩৪০ হেক্টর জমি নিয়ে তৈরি করা হয় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) প্রজেক্ট। 


যার মধ্যে নারায়গঞ্জ-৪, ঢাকা-৪ ও ঢাকা-৫ আসনের ঢাকার ডেমরা, যাত্রাবাড়ী, কদমতলী, শ্যামপুর, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অধিকাংশ (নাসিক ১নং ওয়ার্ড, ২নং, ৩নং, ৭নং, ৮নং ও ৯নং ওয়ার্ড এলাকা) ও ফতুল্লা থানার অংশ বিশেষ এলাকা রয়েছে। 


১৯৮৮ ও ১৯৯৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় ডিএনডি প্রজেক্ট ছিল বন্যামুক্ত। এর পর থেকে ডিএনডি প্রজেক্টে লোকজন হুমড়ি খেয়ে পড়ে। তারা অপরিকল্পিতভাবে ডিএনডিতে বাড়িঘর, স্কুল-কলেজ, শিল্পপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করতে থাকে। 


ফলে অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে থাকে ডিএনডিতে। ইতিপূর্বে একাধিকবার ডিএনডিতে কৃত্রিম বন্যার সৃষ্টি হয়েছিল। বিএনপির শাসনামলে ঢাকা-৪ ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য যথাক্রমে সালাহউদ্দিন আহমেদ ও গিয়াস উদ্দিন আহমেদ ডিএনডি খালগুলো সংস্কার এবং অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করেছিলেন। 


এর পরও ডিএনডিবাসী রক্ষা পাননি জলাবদ্ধতা থেকে। ফলে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান এ ব্যাপারে সরকারের উচ্চমহলে একাধিক বৈঠক করেন। 


সেই পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৬ সালের ৯ আগস্ট একনেকের সভায় ৫৫৮ কোটি টাকার ডিএনডির একটি মেগাপ্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। ২০১৭ সালের ২১ সেপ্টেম্বর প্রজেক্ট সম্পন্ন করতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে সেনাবাহিনী চুক্তিবদ্ধ হয়।   
 

মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়ন না করলে দুর্ভোগ কমবে না ডিএনডিতে

 হোসেন চিশতী সিপলু, সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) থেকে  
০৭ জুলাই ২০২০, ১২:৪২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) প্রজেক্টের অভ্যন্তরের জলাবদ্ধতা ধীরে ধীরে কমছে। তবে এখনও অনেক নিচু এলাকায় পানি রয়েছে।


পুরো পানি নিষ্কাশন করতে এবং ডিএনডিকে পরিকল্পিত বাসোপযোগী করতে সেনাবাহিনীর নেয়া পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। এ জন্য দ্রুত ছাড় করতে হবে অর্থ।


বিলম্বে অর্থছাড়ে পরিষ্কার করা খালসহ অন্য কাজ পুনরায় করতে হলে প্রকল্পের বাজেট আরও বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টদের অভিমত।


তবে প্রকল্পের এক কর্মকর্তা বলেন, মৌখিকভাবে আমরা শুনেছি প্রয়োজনীয় অর্থছাড় দেয়া হবে। তবে এখনও আমরা কাগজ-কলমে ওই অর্থছাড়ের কোনো তথ্য পাইনি।


তবে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান বাসযোগ্য ডিএনডি গড়তে সেনাবাহিনীর পরিচালিত ডিএনডির কাজের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আনার চেষ্টা চালাচ্ছেন। ইতোমধ্যে তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।


১৯৬২-৬৮ সালে ৮ হাজার ৩৪০ হেক্টর জমি নিয়ে তৈরি করা হয় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) প্রজেক্ট।


যার মধ্যে নারায়গঞ্জ-৪, ঢাকা-৪ ও ঢাকা-৫ আসনের ঢাকার ডেমরা, যাত্রাবাড়ী, কদমতলী, শ্যামপুর, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অধিকাংশ (নাসিক ১নং ওয়ার্ড, ২নং, ৩নং, ৭নং, ৮নং ও ৯নং ওয়ার্ড এলাকা) ও ফতুল্লা থানার অংশ বিশেষ এলাকা রয়েছে।


১৯৮৮ ও ১৯৯৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় ডিএনডি প্রজেক্ট ছিল বন্যামুক্ত। এর পর থেকে ডিএনডি প্রজেক্টে লোকজন হুমড়ি খেয়ে পড়ে। তারা অপরিকল্পিতভাবে ডিএনডিতে বাড়িঘর, স্কুল-কলেজ, শিল্পপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করতে থাকে।


ফলে অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে থাকে ডিএনডিতে। ইতিপূর্বে একাধিকবার ডিএনডিতে কৃত্রিম বন্যার সৃষ্টি হয়েছিল। বিএনপির শাসনামলে ঢাকা-৪ ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য যথাক্রমে সালাহউদ্দিন আহমেদ ও গিয়াস উদ্দিন আহমেদ ডিএনডি খালগুলো সংস্কার এবং অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করেছিলেন।


এর পরও ডিএনডিবাসী রক্ষা পাননি জলাবদ্ধতা থেকে। ফলে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান এ ব্যাপারে সরকারের উচ্চমহলে একাধিক বৈঠক করেন।


সেই পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৬ সালের ৯ আগস্ট একনেকের সভায় ৫৫৮ কোটি টাকার ডিএনডির একটি মেগাপ্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। ২০১৭ সালের ২১ সেপ্টেম্বর প্রজেক্ট সম্পন্ন করতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে সেনাবাহিনী চুক্তিবদ্ধ হয়।