‘লালচানে’র দাম সাড়ে ৬ লাখ টাকা
jugantor
‘লালচানে’র দাম সাড়ে ৬ লাখ টাকা

  বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি  

০৭ জুলাই ২০২০, ২২:৫০:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

নাম ‘লালচান’। নাম দেখে বোঝার উপায় নেই কি এটি। দেখেও অনেকেই বিব্রত হবেন। আসলে কি এটি। হাতি নাকি অন্য কিছু। এটি হাতি নয়। ২০ মণ ওজনের একটি গরু। তার নামই লালচান। হাটা-চলায় অনেকটা ছোট হাতির মতো। মানুষ দেখলেই গর্জন করে তেড়ে আসে। ভয়ে সবাই দূরে সরে যায়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের রাধানগর পূর্বপাড়ায় খুরশিদ প্রধানের বাড়ির আবুল বাশারের লালচান গরুটি দেখতে প্রতিদিন ভিড় জমাচ্ছে অসংখ্য মানুষ।

তিন বছর আগে একই গ্রামের হামিদ মেম্বারের কাছ থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকায় গরুটি কিনেছিলেন তিনি। গত কোরবানির ঈদে গরুটির দাম উঠে সাড়ে ৪ লাখ টাকা। এবার ৬ থেকে সাড়ে ৬ লাখ টাকায় বিক্রি করতে চান আবুল বাশার।

প্রতিদিন তিনবেলা প্রায় ১৫ কেজি খাবার খায় লালচান। এর মধ্যে রয়েছে-গমের ভূসি, চুক্কা বুট, ধান, বুট্টা, চাল, ভাত। প্রতিদিনই লোকজন এসে ছবি তুলছে গরুটির সঙ্গে। আবুল বাশার মূলত কৃষি কাজ করেন। তবে প্রতিবছরই কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য গরু মোটাতাজা করেন।

আবুল বাশারের ভাই আলামিন সরকার জানান, এই গরুটা এ বছর ৬ থেকে সাড়ে ৬ লাখ টাকা বিক্রি করার ইচ্ছা আছে।

এ বিষয়ে গরুর মালিক আবুল বাশার বলেন, গরুটা তিন বছর ধরে পালছি। এ বছর ৬ থেকে সাড়ে ৬ লাখ টাকা হলে বিক্রি করব।

‘লালচানে’র দাম সাড়ে ৬ লাখ টাকা

 বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি 
০৭ জুলাই ২০২০, ১০:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নাম ‘লালচান’। নাম দেখে বোঝার উপায় নেই কি এটি। দেখেও অনেকেই বিব্রত হবেন। আসলে কি এটি। হাতি নাকি অন্য কিছু। এটি হাতি নয়। ২০ মণ ওজনের একটি গরু। তার নামই লালচান। হাটা-চলায় অনেকটা ছোট হাতির মতো। মানুষ দেখলেই গর্জন করে তেড়ে আসে। ভয়ে সবাই দূরে সরে যায়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের রাধানগর পূর্বপাড়ায় খুরশিদ প্রধানের বাড়ির আবুল বাশারের লালচান গরুটি দেখতে প্রতিদিন ভিড় জমাচ্ছে অসংখ্য মানুষ।

তিন বছর আগে একই গ্রামের হামিদ মেম্বারের কাছ থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকায় গরুটি কিনেছিলেন তিনি। গত কোরবানির ঈদে গরুটির দাম উঠে সাড়ে ৪ লাখ টাকা। এবার ৬ থেকে সাড়ে ৬ লাখ টাকায় বিক্রি করতে চান আবুল বাশার।

প্রতিদিন তিনবেলা প্রায় ১৫ কেজি খাবার খায় লালচান। এর মধ্যে রয়েছে-গমের ভূসি, চুক্কা বুট, ধান, বুট্টা, চাল, ভাত। প্রতিদিনই লোকজন এসে ছবি তুলছে গরুটির সঙ্গে। আবুল বাশার মূলত কৃষি কাজ করেন। তবে প্রতিবছরই কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য গরু মোটাতাজা করেন।

আবুল বাশারের ভাই আলামিন সরকার জানান, এই গরুটা এ বছর ৬ থেকে সাড়ে ৬ লাখ টাকা বিক্রি করার ইচ্ছা আছে। 

এ বিষয়ে গরুর মালিক আবুল বাশার বলেন, গরুটা তিন বছর ধরে পালছি। এ বছর ৬ থেকে সাড়ে ৬ লাখ টাকা হলে বিক্রি করব।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন