মামলাবাজ মির্জার অত্যাচারে অতিষ্ঠ ধর্মশুরের বাসিন্দারা, ব্যবস্থা নিতে পুলিশে আবেদন
jugantor
মামলাবাজ মির্জার অত্যাচারে অতিষ্ঠ ধর্মশুরের বাসিন্দারা, ব্যবস্থা নিতে পুলিশে আবেদন

  কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি  

০৮ জুলাই ২০২০, ১৫:০২:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

জমি দখলের উদ্দেশে পান থেকে চুন খসলেই মামলা ঢুকে দেয়া মামলাবাজ মিজানুর রহমান মির্জা। ছবি: যুগান্তর

ঢাকার উপকন্ঠ কেরানীগঞ্জের ধলেশ্বরী নদীবেষ্টিত রুহিতপুর ইউনিয়নের গ্রাম ধর্মশুরের বাসিন্দারা মিজানুর রহমান মির্জা নামে এক ব্যক্তির অত্যাচারে অতিষ্ঠ।

এলাকায় তিনি মামলাবাজ মির্জা নামে পরিচিত। গ্রামটির সহজ সরল বাসিন্দাদের গাছগাছালি আর কৃষি জমি দখল করতে মিথ্যা মামলার ঠুকে দেন এই মির্জা।

পান থেকে চুন খসলেই মামলা ঢুকে দেন মির্জা। তার এসব ভুয়া মামলার ফাঁদে পড়ে চরমভাবে হয়রানি ও ক্ষতির শিকার হচ্ছেন গ্রামবাসী।

মামলাবাজ মিজানুর রহমান মির্জার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে গ্রামের ৪৯ জন বাসিন্দা মঙ্গলবার ঢাকা জেলা পুলিশ সুপারের কাছে এর প্রতিকার চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন।

সরেজমিনে গ্রামবাসী জানান, এখন পর্যন্ত অন্তত ২২টি মামলা করেছেন মির্জা। এসব মামলার বেশিরভাগই জমি সংক্রান্ত ।
মামলাগুলোতে আসামি করা হয়েছে গ্রামের অর্ধশতাধিক বাসিন্দাকে। গ্রামের এমনও লোক আছে যার বিরুদ্ধে মির্জা ৭/৮টি মামলা ঠুকেছেন।

মির্জার দায়ের করা মিথ্যা মামলার কারণে আদালতের বারান্দায় দৌড়াদৌড়ি আর আর্থিক ক্ষতিতে পড়ে অনেকেই হয়েছেন নি:স্ব।

স্থানীয়রা জানান, গ্রামবাসীর পাশাপাশি নিজের আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশিরাও রক্ষা পায়নি মির্জার মামলার হাত থেকে। মির্জার দায়ের করা মামলায় জর্জরিত ছিলেন তার চাচাত মামা আব্দুল আলী। মামলার কারণে মানসিক যন্ত্রনায় ভুগে একদিন কোর্টে হাজিরা দিতে এসে উকিলের চেম্বারে মারা যান আব্দুল আলী।

নিজে মামলা করেই ক্ষান্ত হননি মির্জা। নিজের স্ত্রী কুলসুমকে দিয়েও করিয়েছেন একাধিক মামলা। মির্জার দায়ের করা মামলার আসামি হিসাবে এলাকার চেয়ারম্যান, মেম্বার, সরকারি কর্মকর্তারাও রয়েছেন।

এজন্য স্থানীয়ভাবে মিজানুর রহমান মির্জার পরিচিতি রয়েছে মামলাবাজ মির্জা হিসাবে।

গ্রামের বাসিন্দা আবু বকর সিদ্দিক জানান, তার জায়গা জমি দখলের উদ্দেশ্যে মির্জা তার নামে তিনটি মামলা দায়ের করে চরমভাবে হয়রানি করছেন। মির্জার দায়ের করা মিথ্যা মামলার কারণে মানসিক, শারীরিক ও আর্থিকভাবে তিনি চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

তিনি আরও জানান, ২০১২ সালে মির্জা তার বিরুদ্ধে জাল জালিয়াতির মামলা দেয়। এরপর কবর ভাঙ্গার মামলা দেয়।এতেও সুবিধা করতে না পেরে পরবর্তীতে জাল জালিয়াতির আরও একটি মামলা করেন তার বিরুদ্ধে। এসব মামলায় তিনিসহ পরিবারের সদস্যদেরও আসামি করা হয়েছে।

আফতার উদ্দিন নামে স্থানীয় এক কৃষক জানান, তিনিসহ তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মির্জা ৪টি মিথ্যা মামলা দিয়েছেন মির্জা। মামলায় তিনিসহ তার ছোট ভাই ও বৃদ্ধ বাবাকেও আসামি করা হয়েছে।

রোহিতপুর বাজারের কাঁচামালের ব্যবসায়ী আলামিন জানান, মির্জা তার বিরুদ্ধে ৮টি মামলা করে হয়রানি করছেন। এসব মামলায় চরমভাবে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন তিনি।

এসব বিষয়কে সামনে এনে ভুক্তোভোগীসহ রুহিতপুর ইউনিয়নের ৪৯ জন বাসিন্দা স্বাক্ষরিত একটি আবেদনপত্র মঙ্গলবার ঢাকা জেলা পুলিশ সুপারের কাছে জমা দিয়েছে গ্রামবাসী। যেখানে মির্জা ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আবেদন জানিয়েছেন তারা।

যারা আবেদন জানিয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন রুহিতপুর ইউনিয়নের তিন মেম্বার মো: জজ মিয়া, আলমগীর হোসেন, শামীমা বেগম, রুহিতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এসএম অপু, রুহিতপুর বাজার বনিক সমিতির কোষাধ্যক্ষ আব্দুল কাইয়ুম, সাবেক মেম্বার মো. কাওছারউদ্দিনসহ বিভিন্ন শ্রেনীর পেশার মানুষ।

এসব ভুক্তোভোগী ও গ্রামবাসী জানান, মিজানুর রহমান মির্জা একজন মামলাবাজ ও ভূমিদস্যু। জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, সাধারণ কৃষক, নিজের আত্মীয় স্বজনসহ বিভিন্ন লোকের বিরুদ্ধে ২০/২২ টি মামলা করেছেন তিনি। সর্বশেষ আবুধাবি প্রবাসী শহিদুল্লাহর ৮ শতাংশ জমি দখলের উদ্দেশ্যে ৩০ জুন রাতে একদল সন্ত্রাসী নিয়ে সেখানে হামলা চালায় মির্জা। এসময় শহিদুল্লার আত্মীয়রা দখলে বাধা দিতে আসলে তাদের মারধর করে হামলাকারীরা। হামলায় কয়েকজন গুরুতর আহত হন। পরে গ্রামবাসী এগিয়ে আসলে মির্জা দলবল নিয়ে পালিয়ে যায়। এসব বিষয়ে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনও সেভাবে এগিয়ে আসেনি।

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মিজানুর রহমান মির্জা বলেন, আমি অনেকের বিরুদ্ধে মামলা করেছি এটা সত্য। কারণ তারা আমাদের জায়গা জমি দখল করে রেখেছে। তাদের দখল থেকে জমি উদ্ধারের জন্য এসব মামলা করা হয়েছে।

চেয়ারম্যান-মেম্বার, সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের বিষয়ে তিনি বলেন, চেয়ারম্যান-মেম্বারদের অনেকেই আমাদের জমি দখল করে ভোগ দখল করছেন। এজন্য তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি। সরকারি কিছু কর্মকর্তা চেয়ারম্যান-মেম্বারদের সহযোগিতা করায় উনাদের বিরুদ্ধেও মামলা করেছি।

৩০ জুন হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, সেদিন আমি বা আমার লোকজন কারও ওপর হামলা করেনি। যারা এসব বলছে তারাই উল্টো হামলা করেছে। এঘটনায় আমি থানায় অভিযোগ দিয়েছি।

কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মাইনুল ইসলাম জানান, ধর্মশুর গ্রামে গত ৩০ জুন জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। দুই পক্ষের অনেকেই আহত হয়েছে। দুই পক্ষই থানায় অভিযোগ দিয়েছে।
তবে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করার জন্য তাদের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

মামলাবাজ মির্জার অত্যাচারে অতিষ্ঠ ধর্মশুরের বাসিন্দারা, ব্যবস্থা নিতে পুলিশে আবেদন

 কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি 
০৮ জুলাই ২০২০, ০৩:০২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
জমি দখলের উদ্দেশে পান থেকে চুন খসলেই মামলা ঢুকে দেয়া মামলাবাজ মিজানুর রহমান মির্জা। ছবি: যুগান্তর
জমি দখলের উদ্দেশে পান থেকে চুন খসলেই মামলা ঢুকে দেয়া মামলাবাজ মিজানুর রহমান মির্জা। ছবি: যুগান্তর

ঢাকার উপকন্ঠ কেরানীগঞ্জের ধলেশ্বরী নদীবেষ্টিত রুহিতপুর ইউনিয়নের গ্রাম ধর্মশুরের বাসিন্দারা মিজানুর রহমান মির্জা নামে এক ব্যক্তির অত্যাচারে অতিষ্ঠ। 

এলাকায় তিনি মামলাবাজ মির্জা নামে পরিচিত। গ্রামটির সহজ সরল বাসিন্দাদের গাছগাছালি আর কৃষি জমি দখল করতে মিথ্যা মামলার ঠুকে দেন এই মির্জা। 

পান থেকে চুন খসলেই মামলা ঢুকে দেন মির্জা। তার এসব ভুয়া মামলার ফাঁদে পড়ে চরমভাবে হয়রানি ও ক্ষতির শিকার হচ্ছেন গ্রামবাসী।

মামলাবাজ মিজানুর রহমান মির্জার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে গ্রামের ৪৯ জন বাসিন্দা মঙ্গলবার ঢাকা জেলা পুলিশ সুপারের কাছে এর প্রতিকার চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন। 

সরেজমিনে গ্রামবাসী জানান, এখন পর্যন্ত অন্তত ২২টি মামলা করেছেন মির্জা। এসব মামলার বেশিরভাগই জমি সংক্রান্ত ।
মামলাগুলোতে আসামি করা হয়েছে গ্রামের অর্ধশতাধিক বাসিন্দাকে। গ্রামের এমনও লোক আছে যার বিরুদ্ধে মির্জা ৭/৮টি মামলা ঠুকেছেন। 

মির্জার দায়ের করা মিথ্যা মামলার কারণে আদালতের বারান্দায় দৌড়াদৌড়ি আর আর্থিক ক্ষতিতে পড়ে অনেকেই হয়েছেন নি:স্ব।

স্থানীয়রা জানান, গ্রামবাসীর পাশাপাশি নিজের আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশিরাও রক্ষা পায়নি মির্জার মামলার হাত থেকে। মির্জার দায়ের করা মামলায় জর্জরিত ছিলেন তার চাচাত মামা আব্দুল আলী। মামলার কারণে মানসিক যন্ত্রনায় ভুগে একদিন কোর্টে হাজিরা দিতে এসে উকিলের চেম্বারে মারা যান আব্দুল আলী। 

নিজে মামলা করেই ক্ষান্ত হননি মির্জা।  নিজের স্ত্রী কুলসুমকে দিয়েও করিয়েছেন একাধিক মামলা। মির্জার দায়ের করা মামলার আসামি হিসাবে এলাকার চেয়ারম্যান, মেম্বার, সরকারি কর্মকর্তারাও রয়েছেন। 

এজন্য স্থানীয়ভাবে মিজানুর রহমান মির্জার পরিচিতি রয়েছে মামলাবাজ মির্জা হিসাবে।

গ্রামের বাসিন্দা আবু বকর সিদ্দিক জানান, তার জায়গা জমি দখলের উদ্দেশ্যে মির্জা তার নামে তিনটি মামলা দায়ের করে চরমভাবে হয়রানি করছেন। মির্জার দায়ের করা মিথ্যা মামলার কারণে মানসিক, শারীরিক ও আর্থিকভাবে তিনি চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। 

তিনি আরও জানান, ২০১২ সালে মির্জা তার বিরুদ্ধে জাল জালিয়াতির মামলা দেয়। এরপর কবর ভাঙ্গার মামলা দেয়।এতেও সুবিধা করতে না পেরে পরবর্তীতে জাল জালিয়াতির আরও একটি মামলা করেন তার বিরুদ্ধে। এসব মামলায় তিনিসহ পরিবারের সদস্যদেরও আসামি করা হয়েছে।

আফতার উদ্দিন নামে স্থানীয় এক কৃষক জানান, তিনিসহ তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মির্জা ৪টি মিথ্যা মামলা দিয়েছেন মির্জা। মামলায় তিনিসহ তার ছোট ভাই ও বৃদ্ধ বাবাকেও আসামি করা হয়েছে।

রোহিতপুর বাজারের কাঁচামালের ব্যবসায়ী আলামিন জানান, মির্জা তার বিরুদ্ধে ৮টি মামলা করে হয়রানি করছেন। এসব মামলায় চরমভাবে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন তিনি।

এসব বিষয়কে সামনে এনে ভুক্তোভোগীসহ রুহিতপুর ইউনিয়নের  ৪৯ জন বাসিন্দা স্বাক্ষরিত একটি আবেদনপত্র মঙ্গলবার ঢাকা জেলা পুলিশ সুপারের কাছে জমা দিয়েছে গ্রামবাসী। যেখানে মির্জা ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আবেদন জানিয়েছেন তারা। 

যারা আবেদন জানিয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন রুহিতপুর ইউনিয়নের তিন মেম্বার মো: জজ মিয়া, আলমগীর হোসেন, শামীমা বেগম, রুহিতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এসএম অপু, রুহিতপুর বাজার বনিক সমিতির কোষাধ্যক্ষ আব্দুল কাইয়ুম, সাবেক মেম্বার মো. কাওছারউদ্দিনসহ বিভিন্ন শ্রেনীর পেশার মানুষ।

এসব ভুক্তোভোগী ও গ্রামবাসী জানান, মিজানুর রহমান মির্জা একজন মামলাবাজ ও ভূমিদস্যু। জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, সাধারণ কৃষক, নিজের আত্মীয় স্বজনসহ বিভিন্ন লোকের বিরুদ্ধে ২০/২২ টি মামলা করেছেন তিনি। সর্বশেষ আবুধাবি প্রবাসী শহিদুল্লাহর ৮ শতাংশ জমি দখলের উদ্দেশ্যে ৩০ জুন রাতে একদল সন্ত্রাসী নিয়ে সেখানে হামলা চালায় মির্জা। এসময় শহিদুল্লার আত্মীয়রা দখলে বাধা দিতে আসলে তাদের মারধর করে হামলাকারীরা। হামলায় কয়েকজন গুরুতর আহত হন। পরে গ্রামবাসী এগিয়ে আসলে মির্জা দলবল নিয়ে পালিয়ে যায়। এসব বিষয়ে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনও সেভাবে এগিয়ে আসেনি। 

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মিজানুর রহমান মির্জা বলেন, আমি অনেকের বিরুদ্ধে মামলা করেছি এটা সত্য। কারণ তারা আমাদের জায়গা জমি দখল করে রেখেছে। তাদের দখল থেকে জমি উদ্ধারের জন্য এসব মামলা করা হয়েছে। 

চেয়ারম্যান-মেম্বার, সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের বিষয়ে তিনি বলেন, চেয়ারম্যান-মেম্বারদের অনেকেই আমাদের জমি দখল করে ভোগ দখল করছেন। এজন্য তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি। সরকারি কিছু কর্মকর্তা চেয়ারম্যান-মেম্বারদের সহযোগিতা করায় উনাদের বিরুদ্ধেও মামলা করেছি। 

৩০ জুন হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, সেদিন আমি বা আমার লোকজন কারও ওপর হামলা করেনি। যারা এসব বলছে তারাই উল্টো হামলা করেছে। এঘটনায় আমি থানায় অভিযোগ দিয়েছি।

কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মাইনুল ইসলাম জানান, ধর্মশুর গ্রামে গত ৩০ জুন জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। দুই পক্ষের অনেকেই আহত হয়েছে। দুই পক্ষই থানায় অভিযোগ দিয়েছে।
তবে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করার জন্য তাদের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন