বাঙ্গালী নদীর ভাঙনে বিলীনের পথে রামনগর গ্রাম
jugantor
বাঙ্গালী নদীর ভাঙনে বিলীনের পথে রামনগর গ্রাম

  গাইবান্ধা প্রতিনিধি  

০৮ জুলাই ২০২০, ১৭:১২:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

বাঙ্গালী নদীর অব্যাহত ভাঙনে সাঘাটা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের বিলীন হতে বসেছে এক হাজার পরিবারের রামনগর গ্রাম। পাঁচশতাধিক পরিবার ইতিমধ্যেই গ্রাম ছেড়ে চলে গেছে। গ্রামের বাকি মানুষও এখন আতংকগ্রস্ত।

গত দুইদিনে ওই গ্রামের ২০টি বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। আরও অর্ধশতাধিক বাড়ি নদী ভাঙনের মুখে। যদিও পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে ব্যবস্থা নেবে।

গত ৩ বছর ধরে বাঙ্গালী নদী ব্যাপকভাবে ভাঙছে। একটার পর একটা বাড়িঘর নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। এ সময়ে ওই গ্রামের ৫ শতাধিক ঘরবাড়ি ও প্রচুর আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে বলে ওই গ্রামের কৃষক আবুল হোসেন প্রধান জানান। তিনি বলেন, বাঙ্গালী নদীর ভাঙনে ঘরবাড়ি বিলীন হয়ে গেলেও পানি উন্নয়ন বোর্ড কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

কচুয়া ইউনিয়নের মেম্বার হাবিবুর রহমান বলেন, রামনগর গ্রামটি একটি বর্ধিঞ্চু গ্রাম ছিল। প্রায় এক হাজার পরিবার এ গ্রামে বসবাস করত। কিন্তু অব্যাহত নদী ভাঙনের কারণে গ্রামটির অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে পড়েছে। বর্ষা মৌসুম শুরু হলেই গ্রামের মানুষ আতংকগ্রস্ত হয়ে পড়ে। নদী ভাঙন তীব্রতর হয় এ সময়। গত তিনদিন ধরে বাঙ্গালী নদীতে আকস্মিক পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ওই গ্রামে নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাইবান্ধা নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেন, ভাঙন রোধে পদক্ষেপ নেয়া হবে।

বাঙ্গালী নদীর ভাঙনে বিলীনের পথে রামনগর গ্রাম

 গাইবান্ধা প্রতিনিধি 
০৮ জুলাই ২০২০, ০৫:১২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বাঙ্গালী নদীর অব্যাহত ভাঙনে সাঘাটা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের বিলীন হতে বসেছে এক হাজার পরিবারের রামনগর গ্রাম। পাঁচশতাধিক পরিবার ইতিমধ্যেই গ্রাম ছেড়ে চলে গেছে। গ্রামের বাকি মানুষও এখন আতংকগ্রস্ত।

গত দুইদিনে ওই গ্রামের ২০টি বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। আরও অর্ধশতাধিক বাড়ি নদী ভাঙনের মুখে। যদিও পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে ব্যবস্থা নেবে।

গত ৩ বছর ধরে বাঙ্গালী নদী ব্যাপকভাবে ভাঙছে। একটার পর একটা বাড়িঘর নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। এ সময়ে ওই গ্রামের ৫ শতাধিক ঘরবাড়ি ও প্রচুর আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে বলে ওই গ্রামের কৃষক আবুল হোসেন প্রধান জানান। তিনি বলেন, বাঙ্গালী নদীর ভাঙনে ঘরবাড়ি বিলীন হয়ে গেলেও পানি উন্নয়ন বোর্ড কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

কচুয়া ইউনিয়নের মেম্বার হাবিবুর রহমান বলেন, রামনগর গ্রামটি একটি বর্ধিঞ্চু গ্রাম ছিল। প্রায় এক হাজার পরিবার এ গ্রামে বসবাস করত। কিন্তু অব্যাহত নদী ভাঙনের কারণে গ্রামটির অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে পড়েছে। বর্ষা মৌসুম শুরু হলেই গ্রামের মানুষ আতংকগ্রস্ত হয়ে পড়ে। নদী ভাঙন তীব্রতর হয় এ সময়। গত তিনদিন ধরে বাঙ্গালী নদীতে আকস্মিক পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ওই গ্রামে নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাইবান্ধা নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেন, ভাঙন রোধে পদক্ষেপ নেয়া হবে।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন