পদ্মায় স্পিডবোট থেকে নামিয়ে নববধূকে নিপীড়ন, ৪ যুবক গ্রেফতার
jugantor
পদ্মায় স্পিডবোট থেকে নামিয়ে নববধূকে নিপীড়ন, ৪ যুবক গ্রেফতার

  শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি  

০৯ জুলাই ২০২০, ১০:৫৪:০৯  |  অনলাইন সংস্করণ

পদ্মায় স্পিডবোট থেকে নামিয়ে নববধূকে নিপীড়ন, ৪ যুবক গ্রেফতার
ফাইল ছবি

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া নৌরুটে এক নববধূকে পদ্মা নদীর চরে নামিয়ে নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কাঁঠালবাড়ীঘাট এলাকা থেকে স্পিডবোটচালকসহ চার যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার রাতে ওই চার যুবককে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন-  মাসুদ কাঁঠালবাড়ী এলাকার ফকিরকান্দি গ্রামের তনু মোল্লার ছেলে। মাহাবুল মৃধা (৩০) একই এলাকার রশিদ মৃধার ছেলে এবং আটক নুর মোহাম্মদ হাওলাদার (২৪) একই এলাকার সামাদ হাওলাদারের ছেলে ও এwকই এলাকার স্পিডবোটচালক ফারুক মিয়া।

ভিকটিম জানায়, যশোর জেলার বাসিন্দা ওই মেয়ের সঙ্গে গত এক সপ্তাহ আগে চাঁদপুরের এক ছেলের বিয়ে হয়। মেয়েটির স্বামী ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকায় পদ্মা সেতুর প্রজেক্টে শ্রমিকের চাকরি করেন।

গত তিন দিন আগে মেয়েটি তার আত্মীয়ের বাড়ি জেলার শিবচরের কাঁঠালবাড়ী এলাকার দানেস তালুকদারের বাড়ি বেড়াতে আসেন। মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৯টার দিক ওই মেয়েটি তার স্বামীর কাছে কেরানীগঞ্জ যাওয়ার জন্য কাঁঠালবাড়ী ফেরিঘাটে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

অন্যদিকে মেয়েটিকে এগিয়ে নিতে তার স্বামীও প্রজেক্টের কাজ শেষ করে শিমুলিয়াঘাটে তার জন্য অপেক্ষা করছিলেন।

মেয়েটি কাঁঠালবাড়ীঘাটে ফেরিতে ওঠার পর একটি স্পিডবোট নিয়ে চালকসহ চার যুবক মেয়েটিকে দ্রুত শিমুলিয়া পৌঁছে দেয়ার কথা বলে ফুসলিয়ে স্পিডবোটে ওঠায়।

ফেরির পেছন দিয়ে বখাটে তিন যুবক মাসুদ মোল্লা, মাহবুব মৃধা, নুর মোহাম্মদ হাওলাদার মেয়েটিকে নামিয়ে স্পিডবোটে করে নিয়ে যায়।

স্পিডবোটটি কিছু সময় যাওয়ার পর কাঁঠালবাড়ীর বুড়ার খেয়াঘাটে পৌঁছলে থেমে যায়। এ সময় চালক তেল আনার কথা বলে চলে গেলে তিন যুবক মেয়েটিকে চরে নামিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

পরে স্পিডবোটচালক তেল নিয়ে ফিরলে ওই তিন যুবক পালিয়ে যায়। মেয়েটি ঘটনার বিস্তারিত জানালে চালক তাকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়।

গভীর রাতে মেয়েটির স্বামী বিষয়টি জানতে পেরে শিমুলিয়া থেকে পার হয়ে কাঁঠালবাড়ী আসেন। বুধবার দুপুরে খবর পেয়ে শিবচর থানার উপপরিদর্শক বিষ্ণপদ হীরা সঙ্গীয় পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

পুলিশ আটক চালক ফারুক মিয়ার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার রাতে ওই তিন যুবককে গ্রেফতার করে।

শিবচর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, এ ঘটনায় ফারুক, মাসুদ মোল্লা, মাহবুল মৃধা ও নুর মোহাম্মদ হাওলাদার নামে চারজনকে আটক করা হয়েছে।  

ভিকটিম আসামিদের শনাক্ত করেছেন। আসামিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সত্যতা স্বীকার করেছে। এ ব্যাপারে মামলা প্রক্রিয়াধীন।

পদ্মায় স্পিডবোট থেকে নামিয়ে নববধূকে নিপীড়ন, ৪ যুবক গ্রেফতার

 শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি 
০৯ জুলাই ২০২০, ১০:৫৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পদ্মায় স্পিডবোট থেকে নামিয়ে নববধূকে নিপীড়ন, ৪ যুবক গ্রেফতার
ফাইল ছবি

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া নৌরুটে এক নববধূকে পদ্মা নদীর চরে নামিয়ে নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কাঁঠালবাড়ীঘাট এলাকা থেকে স্পিডবোটচালকসহ চার যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার রাতে ওই চার যুবককে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন- মাসুদ কাঁঠালবাড়ী এলাকার ফকিরকান্দি গ্রামের তনু মোল্লার ছেলে। মাহাবুল মৃধা (৩০) একই এলাকার রশিদ মৃধার ছেলে এবং আটক নুর মোহাম্মদ হাওলাদার (২৪) একই এলাকার সামাদ হাওলাদারের ছেলে ও এwকই এলাকার স্পিডবোটচালক ফারুক মিয়া।

ভিকটিম জানায়, যশোর জেলার বাসিন্দা ওই মেয়ের সঙ্গে গত এক সপ্তাহ আগে চাঁদপুরের এক ছেলের বিয়ে হয়। মেয়েটির স্বামী ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকায় পদ্মা সেতুর প্রজেক্টে শ্রমিকের চাকরি করেন।

গত তিন দিন আগে মেয়েটি তার আত্মীয়ের বাড়ি জেলার শিবচরের কাঁঠালবাড়ী এলাকার দানেস তালুকদারের বাড়ি বেড়াতে আসেন। মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৯টার দিক ওই মেয়েটি তার স্বামীর কাছে কেরানীগঞ্জ যাওয়ার জন্য কাঁঠালবাড়ী ফেরিঘাটে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

অন্যদিকে মেয়েটিকে এগিয়ে নিতে তার স্বামীও প্রজেক্টের কাজ শেষ করে শিমুলিয়াঘাটে তার জন্য অপেক্ষা করছিলেন।

মেয়েটি কাঁঠালবাড়ীঘাটে ফেরিতে ওঠার পর একটি স্পিডবোট নিয়ে চালকসহ চার যুবক মেয়েটিকে দ্রুত শিমুলিয়া পৌঁছে দেয়ার কথা বলে ফুসলিয়ে স্পিডবোটে ওঠায়।

ফেরির পেছন দিয়ে বখাটে তিন যুবক মাসুদ মোল্লা, মাহবুব মৃধা, নুর মোহাম্মদ হাওলাদার মেয়েটিকে নামিয়ে স্পিডবোটে করে নিয়ে যায়।

স্পিডবোটটি কিছু সময় যাওয়ার পর কাঁঠালবাড়ীর বুড়ার খেয়াঘাটে পৌঁছলে থেমে যায়। এ সময় চালক তেল আনার কথা বলে চলে গেলে তিন যুবক মেয়েটিকে চরে নামিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

পরে স্পিডবোটচালক তেল নিয়ে ফিরলে ওই তিন যুবক পালিয়ে যায়। মেয়েটি ঘটনার বিস্তারিত জানালে চালক তাকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়।

গভীর রাতে মেয়েটির স্বামী বিষয়টি জানতে পেরে শিমুলিয়া থেকে পার হয়ে কাঁঠালবাড়ী আসেন। বুধবার দুপুরে খবর পেয়ে শিবচর থানার উপপরিদর্শক বিষ্ণপদ হীরা সঙ্গীয় পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

পুলিশ আটক চালক ফারুক মিয়ার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার রাতে ওই তিন যুবককে গ্রেফতার করে।

শিবচর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, এ ঘটনায় ফারুক, মাসুদ মোল্লা, মাহবুল মৃধা ও নুর মোহাম্মদ হাওলাদার নামে চারজনকে আটক করা হয়েছে।

ভিকটিম আসামিদের শনাক্ত করেছেন। আসামিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সত্যতা স্বীকার করেছে। এ ব্যাপারে মামলা প্রক্রিয়াধীন।