টাকা ফেরত চাওয়ায় নারীকে লাঞ্ছিত করল এনজিওকর্মী
jugantor
টাকা ফেরত চাওয়ায় নারীকে লাঞ্ছিত করল এনজিওকর্মী

  গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি  

০৯ জুলাই ২০২০, ২০:১৬:৩৬  |  অনলাইন সংস্করণ

নাটোরের গুরুদাসপুরে জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের সদস্য খুবজীপুরের রেশমা বেগমের ব্যাংকের চেক ও জমানো টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে ওই এনজিও কর্মীরা তাকে লাঞ্ছিত করেছেন।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানায় অভিযোগ দিয়েছেন রেশমা বেগমের ভাই শিবলু।

রেশমা বেগম অভিযোগ করে বলেন, তার স্বামী এক বছর আগে বিদেশ যাওয়ার সময় জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন থেকে ১ লাখ টাকা ঋণ নেন। করোনার মধ্যেও তিনি ঋণের সমুদয় টাকা পরিশোধ করেন। তারা আশ্বাস দেন তাকে এবার আড়াই লাখ টাকা ঋণ দেবে। আজ  নয় কাল বলতে বলতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ভাইসহ তাকে বসিয়ে রাখে।

তিনি জানান, বেলা দেড়টার দিকে তাকে ঋণ দেয়া হবে না বলে জানান ওই অফিসের কর্মকর্তা জাকির। এ সময় তিনি তার জমা দেয়া ইসলামী ব্যাংকের একটি স্বাক্ষরিত সাদা চেক ও তার জমানো ১৫ হাজার ৭০ টাকা ফেরত চাইলে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে অফিস থেকে বেড়িয়ে রাস্তায় আসলে ওই এনজিও অফিসের লোকজন তার ভাইসহ তাকে জোরপূর্বক টেনে-হিঁচড়ে অফিসের ভিতরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায়। পরে পথচারীরা তাদের উদ্ধার করে।

তিনি আরও বলেন, তার ভাই শিবলুর ফ্রিজ-টিভির শোরুম করার জন্য কোম্পানিতে ৫ লাখ টাকা জমা দিয়েছে। এ টাকা নিয়ে আরও ২ লাখ টাকা সেখানে জমা দিতে হবে। ঋণ না পাওয়ায় কোম্পানিতে আর টাকা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে কোম্পানি জমা দেয়া ওই টাকা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিবে। এতে তার ভাই সব হারিয়ে এখন পথে বসে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন তিনি।

সরকারি আদেশ অমান্য করে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও অসহায় মানুষের কাছ থেকে তারা জবরদস্তী কিস্তি আদায় করছেন বলেও বিভিন্ন এলাকা থেকে ওই অফিসে আসা সদস্যরা জানান।

জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের ম্যানেজার মিজানুর রহমান বলেন, তার কোনো কর্মী এমন আচরণ করেননি। ঋণ দেয়ার কথা থাকলেও তাকে আর ঋণ দেয়া হবে না। কিস্তি আদায়ে কারো সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা হচ্ছে না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তমাল হোসেন এ বিষয়ে বলেন, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোনো ঋণের কিস্তি আদায়ে জবরদস্তী করা যাবে না। সরকারের এ আদেশ অমান্য করে থাকলে সে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

টাকা ফেরত চাওয়ায় নারীকে লাঞ্ছিত করল এনজিওকর্মী

 গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি 
০৯ জুলাই ২০২০, ০৮:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নাটোরের গুরুদাসপুরে জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের সদস্য খুবজীপুরের রেশমা বেগমের ব্যাংকের চেক ও জমানো টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে ওই এনজিও কর্মীরা তাকে লাঞ্ছিত করেছেন।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানায় অভিযোগ দিয়েছেন রেশমা বেগমের ভাই শিবলু।

রেশমা বেগম অভিযোগ করে বলেন, তার স্বামী এক বছর আগে বিদেশ যাওয়ার সময় জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন থেকে ১ লাখ টাকা ঋণ নেন। করোনার মধ্যেও তিনি ঋণের সমুদয় টাকা পরিশোধ করেন। তারা আশ্বাস দেন তাকে এবার আড়াই লাখ টাকা ঋণ দেবে। আজ নয় কাল বলতে বলতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ভাইসহ তাকে বসিয়ে রাখে।

তিনি জানান, বেলা দেড়টার দিকে তাকে ঋণ দেয়া হবে না বলে জানান ওই অফিসের কর্মকর্তা জাকির। এ সময় তিনি তার জমা দেয়া ইসলামী ব্যাংকের একটি স্বাক্ষরিত সাদা চেক ও তার জমানো ১৫ হাজার ৭০ টাকা ফেরত চাইলে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে অফিস থেকে বেড়িয়ে রাস্তায় আসলে ওই এনজিও অফিসের লোকজন তার ভাইসহ তাকে জোরপূর্বক টেনে-হিঁচড়ে অফিসের ভিতরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায়। পরে পথচারীরা তাদের উদ্ধার করে।

তিনি আরও বলেন, তার ভাই শিবলুর ফ্রিজ-টিভির শোরুম করার জন্য কোম্পানিতে ৫ লাখ টাকা জমা দিয়েছে। এ টাকা নিয়ে আরও ২ লাখ টাকা সেখানে জমা দিতে হবে। ঋণ না পাওয়ায় কোম্পানিতে আর টাকা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে কোম্পানি জমা দেয়া ওই টাকা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিবে। এতে তার ভাই সব হারিয়ে এখন পথে বসে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন তিনি।

সরকারি আদেশ অমান্য করে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও অসহায় মানুষের কাছ থেকে তারা জবরদস্তী কিস্তি আদায় করছেন বলেও বিভিন্ন এলাকা থেকে ওই অফিসে আসা সদস্যরা জানান।

জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের ম্যানেজার মিজানুর রহমান বলেন, তার কোনো কর্মী এমন আচরণ করেননি। ঋণ দেয়ার কথা থাকলেও তাকে আর ঋণ দেয়া হবে না। কিস্তি আদায়ে কারো সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা হচ্ছে না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তমাল হোসেন এ বিষয়ে বলেন, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোনো ঋণের কিস্তি আদায়ে জবরদস্তী করা যাবে না। সরকারের এ আদেশ অমান্য করে থাকলে সে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।